1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০২:০৫ অপরাহ্ন
Title :
সুকুক বরাদ্দে নতুন নিয়ম, শরিয়াহভিত্তিক প্রতিষ্ঠান পাবে ৫০ শতাংশ ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্সের পুরো শেয়ার ছাড়ার ঘোষণা ইউসিবির মার্জিন ঋণের সংশোধিত বিধিমালা জারি করল বিএসইসি সিলেটী মানুষের প্রবাসমুখী স্বপ্নই এখন বিভীষিকাময়, প্রতারণার শিকার অনেক পরিবার ঢাবি কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট কাজ করবে আইসিটি একাডেমি হিসাবে হুয়াওয়ের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর টাঙ্গাইলে তিন প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা অধিদপ্তরের জরিমানা আইএফআইসি ব্যাংক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মধ্যে কৃষি ও পল্লী খাতে পুনঃঅর্থায়ন স্কিমে অংশগ্রহণের চুক্তি স্বাক্ষর “স্মার্ট একাউন্ট স্মার্ট ব্যাংকিং” শিরোনামে ন্যাশনাল ব্যাংকের CASA ক্যাম্পেইন উদ্বোধন ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক-এর উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ ট্রান্সফরমেশন অফিসার হলেন জাবেদুল আলম

সঞ্চয়পত্র বিক্রিতে ধস নেমেছে

  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ, ২০২৩, ৫.২৮ পিএম
  • ২৮৩ Time View

সঞ্চয়পত্র খাতে সরকার বেশি সুদ দিতে চায় না। এজন্য বিক্রি কমানোর উদ্যোগ হিসেবে খাতটিতে সুদের হার কমিয়ে দেওয়া হয়। একইসঙ্গে বিভিন্ন কড়াকড়ি আরোপের কারণে সঞ্চয়পত্র বিক্রিতে ধস নেমেছে। একটি সময় মধ্যবিত্ত পরিবারের আস্থার জায়গা ছিল সঞ্চয়পত্র। চাকরি থেকে অবসরের পর পাওয়া অর্থ কিংবা মধ্যবিত্ত পরিবারের হাতে বাড়তি টাকা থাকলে সেগুলো সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করতো। তবে চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম আট মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি ৩ হাজার ৫০৯ কোটি ৫১ লাখ টাকা কমেছে।

জাতীয় সঞ্চয় অধিদফতরের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের এই আট মাসে যত টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে তা দিয়ে গ্রাহকদের আগে বিনিয়োগ করা সঞ্চয়পত্রের সুদ-আসল পরিশোধ করা সম্ভব হয়নি। উল্টো ৩ হাজার ৫০৯ কোটি ৫১ লাখ টাকা সরকার তার কোষাগার থেকে অথবা ব্যাংকব্যবস্থা থেকে ঋণ নিয়ে শোধ করেছে।

সঞ্চয় অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ফেব্রুয়ারি মাসে সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি ঋণাত্মক ৪৪০ কোটি টাকা। আগের মাস জানুয়ারিতে সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি ছিলো ৩৭ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। ডিসেম্বরে সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি ১ হাজার ৪৯১ কোটি টাকা ঋণাত্মক (নেগেটিভ) ছিল। নভেম্বরে নিট বিক্রি ঋণাত্মক ছিল ৯৮৩ কোটি ৩২ লাখ টাকা। অক্টোবরে নিট বিক্রি ৯৬৩ কোটি ১৬ লাখ টাকা ঋণাত্মক (নেগেটিভ) হয়। সেপ্টেম্বরেও সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি ৭০ কোটি ৬৩ হাজার টাকা ঋণাত্মক ছিল। অর্থাৎ চলতি অর্থবছরের আট মাসের ৬ মাসই সরকার তার কোষাগার থেকে গ্রাহকদের সুদ-আসল পরিশোধ করেছে।

এর আগে গত ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম আট মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) ১৪ হাজার ৬৮৯ কোটি টাকার নিট সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছিলো। অর্থাৎ ওই আট মাসে সুদ-আসল পরিশোধের পরও সরকারের কোষাগারে ১৪ হাজার ৬৮৯ কোটি টাকা জমা ছিল। এর ফলে তখন ব্যাংক থেকে বেশি ঋণ নেওয়ার প্রয়োজন পড়েনি।

বাজেট ঘাটতি মেটাতে চলতি অর্থবছর সঞ্চয়পত্র থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধরেছে সরকার। এর বিপরীতে প্রথম সাত মাসে এই খাত থেকে কোনো ঋণ পায়নি সরকার, উল্টো শোধ করেছে। এ অর্থ বছরে সঞ্চয়পত্র বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ১ লাখ ১৪ হাজার ২৭৫ কোটি টাকা।

এর আগে সঞ্চয়পত্র বিক্রির চাপ কমাতে ২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে মুনাফার ওপর উৎসে করের হার ৫ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হয়। একই সঙ্গে এক লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র কিনতে কর শনাক্তকরণ নম্বর বা টিআইএন বাধ্যতামূলক করা হয়। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট না থাকলে সঞ্চয়পত্র বিক্রি না করার শর্ত আরোপসহ আরও কিছু কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

সর্বশেষ সঞ্চয়পত্রের বিক্রি কমাতে ২০২১ সালের ২২ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সব ধরনের সঞ্চয়পত্রের সুদের হার ২ শতাংশের মতো কমিয়ে দেয় সরকার। এর পর থেকেই বিক্রি কমছে।

এদিকে সঞ্চয়পত্র থেকে কোনো ঋণ না পাওয়ায় ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ গ্রহণের পরিমাণ বেড়ে গেছে। চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট ঘাটতি পূরণে ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪ কোটি টাকার ব্যাংক ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছে সরকার। আগের অর্থবছরে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ঋণ নেয়ার লক্ষ্য ছিল ৭৬ হাজার ৪৫২ কোটি টাকা। অর্থাৎ এবার প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা বেশি ঋণ নেয়ার লক্ষ্য সরকারের।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com