শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ০৯:০৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
আগামী সপ্তাহ থেকে চালু হতে যাচ্ছে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’: গভর্নর মানুষদের কর্মসংস্থান ফিরিয়ে দেয়ার লক্ষ্যে বন্ধ কারখানাগুলো আবার চালু করার কথা ভেবে দেখা দরকার: মির্জা ফখরুল নতুন শিল্পায়নে জ্বালানি সক্ষমতা নীতিমালার গুরুত্ব অপরিসীম: ডিসিসিআই খেলাপি ঋণের সংকট কাটিয়ে উঠতে অন্তত ৫ থেকে ১০ বছর সময় লাগবে: বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর ফরিদপুরে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ; আহত শতাধিক অযৌক্তিক বাড়ী ভাড়া বৃদ্ধি বন্ধের দাবিতে ভাড়াটিয়া পরিষদের মানববন্ধন চলতি কর বছরে এখন পর্যন্ত ২০ লক্ষের বেশী করদাতা ই-রিটার্ন দাখিল করেছে ময়মনসিংহ র‍্যাব১৪ বাড্ডার অপহরণকারী আসামি নেত্রকোনা থেকে গ্রেফতার হত্যা মামলার আসামি সেলিম আহমদ এখনও কেন ধরাছোঁয়ার বাইরে? প্রশ্ন ছাত্রদলের ‎ শ্রীলঙ্কায় ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’ ও আকস্মিক বন্যায় ৮০ জন নিহত, নিখোঁজ ৩৪

গুলিস্তানের সেই ভবন মালিকসহ তিনজন গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৯ মার্চ, ২০২৩
  • ১৭৪ Time View

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ রাজধানীর গুলিস্তানের সিদ্দিকবাজার এলাকায় বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের মালিক দুই ভাই ও এক দোকানিকে গ্রেফতার দেখিয়েছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন: মৃত রেজাউল রহমানের ছেলে মো. ওয়াহিদুর রহমান ও মতিউর রহমান এবং মালেকের ছেলে আ. মোতালেব মিন্টু।

এর আগে মঙ্গলবার তাদের তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ফুলবাড়িয়া ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ এলাকা থেকে হেফাজতে নিয়েছিল ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। বুধবার (৮ মার্চ) বিস্ফোরণের ঘটনায় হওয়া অপমৃত্যুর মামলায় বৃহস্পতিবার তাদের গ্রেফতার দেখানো হলো।

বুধবার ভবন মালিককে হেফাজতে নেয়ার কথা জানিয়ে ডিবির প্রধান হারুন অর রশীদ বলেছিলেন, ‘আমরা কাউকে আটক করিনি। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আমরা বাড়ির মালিক, দোকান মালিকদের ডেকেছি। যারা আহত হয়েছেন, তাদের সঙ্গেও কথা বলছি।’

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনটির মালিক ছিলেন রেজাউর রহমান। তার মৃত্যুর পর তিন ছেলে ওয়াহিদুর রহমান, মশিউর রহমান ও মতিউর রহমান ভবনটির মালিক হন। এদের মধ্যে বড় ভাই ওয়াহিদুর রহমান ও ছোট ভাই মতিউর রহমান ভবনটি পরিচালনা করেন। আরেক ভাই মশিউর রহমান লন্ডনপ্রবাসী। আর মোতালেব মিন্টু ওই মার্কেটের একটি দোকানের মালিক।

ডিবি প্রধান বলেন, ‘কার অবহেলায় এই হতাহতের ঘটনা, তা জানতে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এছাড়া বাইরে থেকে কেউ এটা ঘটিয়েছে কি-না বা ঘটানোর সুযোগ আছে কি-না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

মঙ্গলবার (৭ মার্চ) বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটের দিকে ভয়াবহ এ বিস্ফোরণ ঘটে। খবর পেয়ে প্রথমে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফায়ার সার্ভিস। পরে সেখানে সেনাবাহিনী, র‌্যাব, পুলিশ, সিটিটিসি, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াড মোতায়েন করা হয়।

বিস্ফোরণের পরই উদ্ধারকাজে অংশ নেয় ফায়ার সার্ভিসের ১১টি ইউনিট। বেশ কয়েকটি অ্যাম্বুলেন্স ঘটনাস্থল থেকে আহতদের হাসপাতালে নেয়ার কাজ করে। এছাড়াও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী ও স্থানীয়রাও উদ্ধার কাজে অংশ নেন। বিস্ফোরণে বুধবার রাত পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১।

এদিকে, বিস্ফোরণের ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বংশাল থানা পুলিশ। আর ঘটনাটি তদন্ত করছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), ফায়ার সার্ভিস ও ডিএমপির সিটিটিসি। 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2025 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS