তুরস্ক ও সিরিয়ায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়ছে। ২৭৮ ঘণ্টা পর একজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। দুই দেশ মিলে এখনও পর্যন্ত ৪৫ হাজারের বেশি মানুষের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপ থেকে কাউকে জীবিত উদ্ধারের আশা ছেড়ে দিলেও এখনও দু-একজন করে উদ্ধার হচ্ছেন।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার খবর, তুরস্ক ও সিরিয়া মিলে এখন পর্যন্ত ৪৫ হাজার জন নিহত হয়েছেন এই ভূমিম্পে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সোলায়মার সোয়লু। তিনি জানিয়েছেন, নিহত ৪৫ হাজার ৩৬০ জনের মধ্যে ৩৯ হাজার ৬৭২ জনই তুরস্কের। বাকিরা সিরিয়ার।
জাতিসংঘের ত্রাণ ও উদ্ধারবিষয়ক সংস্থার সমন্বয়কারী মার্টিন গ্রিফিথস এর আগে জানিয়েছিলেন, তুরস্কে ও সিরিয়ায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়াতে পারে। কারণ, উদ্ধারকারীরা এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষের মরদেহ উদ্ধার করে যাচ্ছেন।
এদিকে ভূমিকম্প হওয়ার ২৭৮ ঘণ্টা পরও একজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে। তার নাম হাকান ইয়াসিনোগলু (৪৫)। তুরস্কের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি বিষয়টি জানিয়েছে। টিভি ফুটেজ থেকে দেখা গেছে উদ্ধারকারীরা হাকানকে উদ্ধার করে স্ট্রেচারে করে অ্যাম্বুলেন্সের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন।
তারও আগে, রাতভর কাজ করে উদ্ধারকারীরা ভূমিকম্পের ধ্বংসাবশেষ থেকে একজন নারী ও দুই পুরুষকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করেছে। তুরস্কের বেসরকারি সংবাদ সংস্থা ডিএইচএ নিউজ এজেন্সি বৃহস্পতিবার রাতে জানিয়েছে, দুই সন্তানের জননী ২৯ বছর বয়সী নেসলিহান কিলিককে কাহরামানমারাসের একটি ভবনের ধ্বংসস্তূপ থেকে ২৫৮ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে তুরস্কের আন্তাকিয়া শহরে পুলিশ ও উদ্ধারকর্মীরা একটি ধসে পড়া বিল্ডিং থেকে ১৭টি মরদেহ উদ্ধারের পর ওসমান নামে ১২ বছর বয়সী এক কিশোরকে জীবিত খুঁজে পেয়েছে।