তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, এ দেশে মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে বিএনপি ও বিএনপির নেতাকর্মীরা। জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে রক্তের ওপর পাড়া দিয়ে ক্ষমতা দখল করেছে। তিনি ২২ হাজার আওয়ামী লীগ কর্মীকে হত্যা করেছেন। ১৯৭৭ সালে যে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ তিনি চালিয়েছিলেন, তা আর কখনো ঘটেনি। তার শাসনামলে ফাঁসি কার্যকরের পর রায় হয়েছে, এমন বহু ঘটনা আছে। এগুলো ডকুমেন্টেড।
শনিবার (১০ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অনুষ্ঠিত এক মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপি-জামায়াতের অগ্নি সন্ত্রাস ও হুকুমদাতাদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধনের আয়োজন করে ‘অগ্নি সন্ত্রাসের আর্তনাদ’ নামে একটি সংগঠন।
মন্ত্রী বলেন, তাদের অগ্নি সন্ত্রাসের মাধ্যমে অসংখ্য মানুষ হত্যা করা হয়েছে, তাদের আগুন থেকে অবুঝ পশুপাখিও রক্ষা পায়নি। এরা মানুষের শত্রু, প্রকৃতির শত্রু, এরা অগ্নি সন্ত্রাসী, এরা মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী। আজকে তারা মানবাধিকারের কথা বলে, সভা-সমাবেশের অধিকারের কথা বলে। সভা-সমাবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে বিধায় সারা বাংলাদেশে নয়টি বড় সমাবেশ করতে পেরেছে।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বলেন, সরকার তাদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশের জন্য ময়দান বরাদ্দ দিয়েছে। এর বাইরে আরও চারটি ময়দানের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তারা কোনোটাতেই যাবে না, তারা সমাবেশ করবে নয়াপল্টনে। সমাবেশের ডাক দিয়েছে ১০ তারিখে, কিন্তু ৭ তারিখ থেকে রাস্তা দখল করে সমাবেশ শুরু করেছে। আর পুলিশ যখন রাস্তা থেকে সরে যাওয়ার অনুরোধ জানাতে যায় তখন পুলিশের ওপর হামলা চালানো শুরু করে দিয়েছে। এভাবে তারা দেশে বিশৃঙ্খলা করেছে এবং করছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহম্মদ সামাদ বলেন, মানবাধিকার দিবসে মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার যারা, তাদের আমরা এখানে দেখছি। জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে যারা ষড়যন্ত্র করছে, তারা নির্বাচন চায় না, নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করতে চায়।
মানববন্ধনের সঞ্চালনা করেন ‘অগ্নি সন্ত্রাসের আর্তনাদ’ সংগঠনের আহ্বায়ক শাহাদাত হোসেন। আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শাহজাহান খান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল এবং ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমনসহ ২০১৪ সালের নির্বাচনের পূর্বে দেশব্যাপী অগ্নিসন্ত্রাসের শিকার ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের প্রায় ৫০ জন সদস্য এতে উপস্থিত ছিলেন।
Design & Developed By: ECONOMIC NEWS
Leave a Reply