রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৫৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
কুরআন অলিম্পিয়াড ও কেরাত প্রতিযোগিতা-২০২৬ এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত ন্যাশনাল ব্যাংকে কমপ্লায়েন্স সংস্কৃতি শক্তিশালীকরণে কর্মশালা অনুষ্ঠিত ইসলামী ব্যাংক ত্রিশাল শাখা স্থানান্তর মে দিবস ২০২৬ উদ্‌যাপন উপলক্ষে যৌথ প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত একুশে পদপ্রাপ্ত অভিনেত্রী দিলারা জামানকে আজীবন সম্মাননা প্রদান এক্সিম ব্যাংকের প্রতারণার শিকার জামাল কন্সট্রাকশন কোম্পানির প্রোপাইটর শ্রীপুরে মাদ্রাসার ছাত্রীকে অপহরণে গ্রেফতার ৭, চারদিন পর ভিকটিম উদ্ধার উদ্ভাবনের পথপ্রদর্শক ৬৪টি উদ্যোগকে সম্মাননা প্রদান করা হয় বাংলাদেশ রিটেইল অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এর ৩য় সংস্করণে বিদায়ী সপ্তাহে দর পতনের শীর্ষে তুং হাই নিটিং বিদায়ী সপ্তাহে লেনদেনে শীর্ষে খান ব্রাদার্স

সালমান: ঋণ খেলাপি আমাদের বড় সমস্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : শনিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২২
  • ২০৮ Time View
Salman-F-Rahman

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেছেন, আমাদের বড় সমস্যা হলো ঋণ খেলাপি। তবে ঋণ খেলাপির সমস্যা সারা বিশ্বেই রয়েছে। অন্যান্য দেশগুলো এসব সমস্যার মধ্যেও সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ভারত ঋণ খেলাপিদের আইন অনুযায়ী সাজা দিচ্ছে। তবে কোম্পানিকে তারা বাঁচিয়ে রাখছে। আমরাও এটা নিয়ে কাজ করছি। আমদের আইনটি পরিবর্তন করা হবে। ব্যাংক আইনে তাদের মতো করে বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করতে যাচ্ছি।

শনিবার (২৯ অক্টোবর) এফবিসিসিআই আয়োজিত দ্য রোল অব পিপিপি ইন অ্যাচিভিং ভিশন ২০৪১’শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এফবিসিসিআই) সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন।

সালমান এফ রহমান বলেন, পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ ছাড়া আমাদের কোন উপায় নেই। পাবলিক পার্টনারশিপ প্রোজেক্টগুলোতে আমরা জোর দিচ্ছি। বর্তমানে এরকম ৭৬টি প্রোজেক্ট হাতে রয়েছে। এর মধ্যে ১টির কাজ শেষ হয়েছে। জাপানের সঙ্গে ৩ থেকে ৪টির কাজ চলমান রয়েছে। এছাড়া কোরিয়ার সঙ্গেও ৩ থেকে ৪টি প্রজেক্টের কাজ চলছে। কাজগুলো শেষ হলে আমরা এর সুফল পাবো।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে আমাদের ফরেন এক্সচেঞ্জ ছিলো না। এটি ছিলো সবচেয়ে বড় সমস্যা। তখন আমরা শূন্য রিজার্ভ দিয়ে কাজ শুরু করেছিলাম। সেসময় জি টু জি পদ্ধতিতে আমরা পণ্য আমদানি করতাম। তখন আমরা বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে দেখা করে বেসরকারি খাতে এক্সপোর্ট করার বিষয়টি বলা হলো। বঙ্গবন্ধু বললেন এটি একটি ভালো উদ্যোগ, তবে ৬০ ভাগ ট্রেডিশনাল পণ্য এবং ৪০ শতাংশ নন-ট্রেডিশনাল পণ্য রপ্তানি করতে হবে। পাকিস্তান আমলে আমরা কোনদিন চা রপ্তানি করিনি। তবে বঙ্গবন্ধুর পরামর্শে আমরা চা ও মধুসহ আরও অনেকগুলো নন-ট্রেডিশনাল পণ্য রপ্তানি করেছিলাম।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু বিশ্বাস করতেন দেশকে এগিয়ে নিতে হলে বেসরকারি খাতকে প্রয়োজন। ঠিক সেসব ভিত্তির উপরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথমবার ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে কাজ শুরু করলেন। বেসরকারি খাতের বেশ কিছু কাজ প্রথম হয়েছে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে। ১৯৯৬ সালে প্রথম বেসরকারি খাতে এয়ারলাইন্স লাইসেন্স দেওয়া হয়। এছাড়া শেখ হাসিনার সময়ে পাওয়ার জেনারেশনে বেসরকারি খাতকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তখন বেসরকারি খাতে টেলিভেশন ষ্টেশনের লাইসেন্সও তখন দেওয়া হয়। এছাড়া ব্যাংক ও ইন্সুরেন্সের বেসরকারি খাতে অনেকগুলো লাইসেন্স বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ক্ষমতায় এসে দিয়েছিলেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম ও পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ ইব্রাহিম।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS