1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৫ পূর্বাহ্ন
Title :
আরোগ্যর সাথে বাংলালিংকের অংশীদারিত্ব, অরেঞ্জ ক্লাব সদস্যরা উপভোগ করবেন বিশেষ সুবিধা বাংলাদেশে শাওমি টিভি এস প্রো মিনি এলইডি ও শাওমি টিভি এক্স মিনি এলইডি নিয়ে এলো শাওমি বিনিয়োগকারীদের নগদ লভ্যাংশ বিতরণে ওয়ালটন হাই-টেকের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন আইএফআইসি ব্যাংকে অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে যোগদান করলেন ইমরান আহমেদ ইসলামী ব্যাংকের শরী’আহ সুপারভাইজরি কমিটির সভা অনুষ্ঠিত পাঁচ বছরে ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা গড়েছে কনফিডেন্স পাওয়ার হায়ার বাংলাদেশ লিমিটেডের স্ট্র্যাটেজিক কমিউনিকেশন পার্টনার ব্ল্যাকবোর্ড স্ট্র্যাটেজিস ইবনে সিনা ন্যাচারাল মেডিসিনের কারখানায় অগ্নিকাণ্ড, ক্ষতি ২৫ কোটি টাকা প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী চলছে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি: ইয়াসের খান চৌধুরী চট্টগ্রাম বন্দরে বিপজ্জনক রাসায়নিকের স্তূপ, যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা

বাড়ছে না সারের দাম

  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৯ জুন, ২০২২, ৪.৫৪ পিএম
  • ১৭৩ Time View

বাজেটে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, বর্তমানে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে সারের মূল্য উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে আমদানি মূল্য বৃদ্ধি পেলেও সারের দাম বাড়াচ্ছে না সরকার। এ বছরও ভর্তুকি বাড়িয়ে সেটি সমন্বয় করা হচ্ছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রস্তাবিত বাজেটে সারের ক্ষেত্রে সরকার ১৬ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি প্রদান করছে।

তিনি আরও বলেন, ২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেটে সার বাবদ ভর্তুকির পরিমাণ প্রাক্কলন করা হয়েছিল মোট ৯,৫০০ কোটি টাকা। কিন্তু মে ২০২১ এর তুলনায় মে ২০২২ সময়ে অন্যান্য সারের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে ডিএপি ৪৭ শতাংশ, এমওপি ১৭৭ শতাংশ এবং টিএসপির ৫৭ শতাংশ দাম বেড়েছে। এ মূল্য বৃদ্ধির কারণে সব ধরনের সার মিলিয়ে ২০২১-২০২২ অর্থবছরে ভর্তুকির পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকায়। আগামী অর্থবছরে এ বরাদ্দ বাড়িয়ে ১৬ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে।

আজ বাজেট উপস্থাপনের পর নিয়ম অনুযায়ী প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সংসদ সদস্যরা আলোচনা করবেন। এরপর আগামী ৩০ জুন প্রস্তাবিত বাজেট পাশ হবে। দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় বাংলাদেশের ৫১তম বাজেট এটি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের টানা তৃতীয় মেয়াদের চতুর্থ বাজেট এটি। অর্থমন্ত্রী হিসেবে আ হ ম মুস্তফা কামালের এটি চতুর্থ বাজেট।

স্বাধীনতা-পরবর্তী ভঙ্গুর অর্থনীতির দেশে মাত্র ৭৮৬ কোটি টাকার বাজেট দেন তাজউদ্দীন আহমদ। ১৯৭২ সালের ৩০ জুন ওই বাজেট পেশ হয়। তাজউদ্দীন আহমদ ওই দিন একই সঙ্গে ১৯৭১-৭২ ও ১৯৭২-৭৩ অর্থবছর, অর্থাৎ দুই অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করেছিলেন। এরপর আরও দুবার বাজেট দেন তাজউদ্দীন আহমদ, সেটি সবশেষ দাঁড়ায় ১ হাজার ৮৪ কোটি টাকার।

১৩ জনের মধ্যে সবচেয়ে বেশিবার বাজেট দিয়েছেন সদস্য প্রয়াত অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ও এম সাইফুর রহমান। দুজনেই ১২টি বাজেট উত্থাপন করেছেন। তবে আবুল মাল আবদুল মুহিতই আওয়ামী লীগের হয়ে টানা ১০ বার বাজেট পেশ করেছেন। তিনি প্রথম বাজেট দেন ১৯৮২-৮৩ সালে, এরশাদের শাসনামলে। সেটার আকার ছিল ৪ হাজার ৭৩৮ কোটি টাকা। আর সবশেষ ২০১৮-১৯ অর্থবছরে তার বাজেটের আকার ছিল ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com