1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ন
Title :
ওবিইউকে সরাসরি বৈদেশিক মুদ্রা কেনাবেচার সুযোগ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক আদালতে অপ্রতিম হত্যার ৪ আসামি, ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক-এর বাংলা কিউআর ও ক্যাশলেস ডিজিটাল ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন উদ্বোধন কমিউনিটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ৮০তম সভা অনুষ্ঠিত নবীনগরের বিদ্যাকুটে নিখোঁজের ২ দিন পর ঝোপঝাড়ে মিললো মাদ্রাসা ছাত্রীর অর্ধগলিত লাশ! বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব শান্তি দিবস ২০২৬ উদযাপন করল জেএমআই গ্রুপ টাঙ্গাইলে ৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যাচ্ছে ইজিবাইকের পেটে; ঘন ঘন লোডশেডিং, কলকারখানা বন্ধের উপক্রম, চাহিদার ঘাটতি ৪১ শতাংশ টাঙ্গাইলে বিএনপি নেতা ফারুক হত্যা মামলা; নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৪ জনের যাবজ্জীবন আন্তর্জাতিক বাজারে ওয়ালটনের মতো দেশীয় ব্র্যান্ডকে আরও তুলে ধরতে হবে: রাষ্ট্রদূত ‘হজ এজেন্ট কাফেলা কার্ড’ চালু করেছে ইসলামী ব্যাংক

টাঙ্গাইলে বিএনপি নেতা ফারুক হত্যা মামলা; নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৪ জনের যাবজ্জীবন

  • আপডেট : সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০.০৩ পিএম
  • ৪০ Time View

স্টাফ রিপোর্টার, টাঙ্গাইল: টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ফারুক হত্যা মামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পাসহ তিন জনের মৃত্যুদণ্ড এবং চার জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মো. ফয়সাল আল মামুন জনাকীর্ণ আদালতে ওই রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সানিয়াত খান বাপ্পা (৩০) টাঙ্গাইল শহরের কলেজপাড়ার সাবেক এমপি আতাউর রহমান খানের ছোট ছেলে এবং সাবেক এমপি আমানুর রহমান খান রানার ভাই। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর দুই আসামি হচ্ছেন- শহরের কাগমারা এলাকার আফজাল ফকিরের ছেলে মো. আজাদ ফকির (২৫) ও সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের শ্রীফলিয়াটা গ্রামের মো. সহিদ মিয়ার ছেলে মো. শাহজাহান মিয়া (৩১)। তারা প্রত্যেকেই পলাতক রয়েছেন।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত চারজন হচ্ছেন- সদর উপজেলার কাঠুয়া যুগনী গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে মো. সুজন (৩২), দাইন্যা ইউনিয়নের শ্রীফলিয়াটা গ্রামের মো. রওশন আলীর ছেলে মো. সানোয়ার হোসেন (৩৪)। তারা দুজন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া শহরের চর কাগমারা (উত্তর কাইয়ামারা) এলাকার মো. নুরুল ইসলাম ওরফে নিলু বাবুর ছেলে মো. শফিকুল ইসলাম শফিক (২৫) ও সদর উপজেলার ছিটকিবাড়ি গ্রামের মো. নুর বক্সের ছেলে রুজবেল ওরফে ইমন (২৫) পলাতক রয়েছে। রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তদের ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অনাদায়ে তাদের আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। এছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় সদর উপজেলার দাইন্যা চৌধুরী গ্রামের অমূল্য ঘোষের ছেলে হাজতী সঞ্জিত ঘোষকে এ মামলা থেকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্তরা সবাই আওয়ামী ঘরানার রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং টাঙ্গাইলের বিতর্কিত খান পরিবারের কর্মী-সমর্থক।

আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (সরকারি কৌঁসুলী) মোহাম্মদ সাইদুর রহমান স্বপন মামলার নথি সূত্রে জানান, সদর উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি ও দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের তিন বারের সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ফারুক টাঙ্গাইল শহরের আকুরটাকুর এলাকার ভাড়া বাসায় থাকতেন। ২০১৩ সালের ২০ ডিসেম্বর ভোরে শহরের আকুরটাকুর এলাকায় প্রাতঃভ্রমণে (হাঁটতে) বের হন বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম ফারুক। তিনি আকুরটাকুর বটতলা কাঁচাবাজার এলাকায় পৌঁছলে একদল সন্ত্রাসী তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে এবং কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে। এই হত্যাকাণ্ডের পরদিন ২১ ডিসেম্বর নিহতের ছোট ভাই লাভলু মিয়া বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ ঘটনার তদন্ত শেষে ২০১৫ সালের ১৩ আগস্ট আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে প্রথম অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দেয়। তবে এই অভিযোগপত্রের বিরুদ্ধে আদালতে নারাজি আবেদন করেন মামলার বাদী লাভলু মিয়া। বাদীর আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশে সিআইডি মামলাটি পুনরায় তদন্তের দায়িত্ব পায়।

দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ২৯ এপ্রিল টাঙ্গাইল সিআইডি পুলিশ পুনরায় আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। সিআইডির অভিযোগপত্রেও আগের আট আসামির বিরুদ্ধেই সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়। পরবর্তীতে টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচারিক কাজ শুরু হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় আদালত সংশ্লিষ্ট সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ ও দীর্ঘ শুনানির পর সোমবার দুপুরে এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার পর রাষ্ট্রপক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে শহরে আনন্দ মিছিল বের করে। মিছিলটি আদালত চত্তর থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়। সমাবেশে দাইন্যা ইউপি চেয়ারম্যান ও মামলার বাদী মো. লাভলু মিয়া, নিহত রফিকুল ইসলাম ফারুকের ছেলে অনিক সহ অন্যরা রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন। কিন্তু আসামি পক্ষের আইনজীবী একেএম শামিমুল আকতার শামিম সহ অন্যরা উচ্চ আদালতে আপিল করার কথা জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com