1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫১ অপরাহ্ন
Title :
বাবার শান্তি কমিটির সম্পৃক্ততা নিয়ে নীরবতা ভাঙলেন আসিফ আকবর চুয়াডাঙ্গায় ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশের ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত টাঙ্গাইলের সরকারি সা’দত কলেজে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত কমিউনিটি ব্যাংক ক্লিন ঢাকা প্রজেক্টের আওতায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ২৫ বছরের মাইলফলক পেরিয়ে পর্দা নামছে সেমস-গ্লোবালের টেক্সটাইল সিরিজ অব এক্সিবিশন্স ২০২৬-এর দেশের সব সরকারি হাসপাতাল দালালমুক্ত করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিশ্বজুড়ে বন্ডবাজারে অস্থিরতা, চাপে সরকার-ব্যবসা-ঋণগ্রহীতা গোলাপগঞ্জে বিএনপি নেতার বাড়িতে তুলে নিয়ে নির্যাতন, প্রতিবাদ করায় ৫ জনের ওপর মামলা বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেন সহজ করতে নতুন সার্কুলার বাংলাদেশ ব্যাংকের সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে উৎসে কর কর্তনের নির্দেশ এনবিআরের

বাবার শান্তি কমিটির সম্পৃক্ততা নিয়ে নীরবতা ভাঙলেন আসিফ আকবর

  • আপডেট : শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০.২৪ পিএম
  • ৩১ Time View

সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের বাবা অ্যাডভোকেট আলী আকবরের ১৯৭১ সালের ভূমিকা এবং শান্তি কমিটির সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা নিয়ে দীর্ঘকাল ধরে জনমনে নানা আলোচনা ও বিতর্ক বিদ্যমান। সম্প্রতি এই স্পর্শকাতর বিষয়ে নীরবতা ভেঙে নিজের বাবার রাজনৈতিক অবস্থান এবং মুক্তিযুদ্ধকালীন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছেন আসিফ।

তিনি জানান, “আমার বাবা মুসলিম লীগের কুমিল্লা জেলার প্রভাবশালী সেক্রেটারি ছিলেন এবং আজীবন এই রাজনৈতিক আদর্শেই অবিচল ছিলেন। তিনি শেষ পর্যন্ত মুসলিম লীগের আদর্শেই বিশ্বাসী ছিলেন। মুসলিম লীগার হওয়ার কারণে শান্তি কমিটির সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা ছিল। মুসলিম লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতা হওয়ার কারণেই ১৯৭১ সালে বাবা শান্তি কমিটির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছিলেন। এমনকি ১৯৮০ সালের নির্বাচনেও তিনি মুসলিম লীগের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। তবে শান্তি কমিটিতে থাকার উসিলায় তিনি অনেকের জানমাল, বাড়িঘর ও এলাকা রক্ষা করেছেন।’

তার দাবি, তার বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে ফাঁসির হাত থেকে রক্ষা করেছিলেন। এ বিষয়ে আসিফের ‘আকবর ফিফটি নট আউট’ নামক বইয়ে বিস্তারিত তথ্য রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এছাড়া ১৯৬৬ সালে ছয় দফার পক্ষে তার বাবার অবস্থান ছিল এবং তিনি স্বায়ত্তশাসনের দাবি জানিয়েছিলেন বলেও আসিফ জানান।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর নিজের বাবার কারাবরণ ও আইনি লড়াইয়ের বিষয়টিও তুলে ধরেন এই সংগীতশিল্পী। তিনি জানান, নিরাপত্তার খাতিরে তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতার পরামর্শে তার বাবা স্বেচ্ছায় কাস্টডিতে গিয়েছিলেন। তার বিরুদ্ধে আনা যুদ্ধাপরাধের অভিযোগগুলো মিথ্যা ছিল দাবি করে আসিফ জানান, ১৯৭৪ সালে আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমেই তার বাবা নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে কারাগার থেকে মুক্ত হয়েছিলেন। সাধারণ ক্ষমার আওতায় নয়, বরং আদালতের রায়ে মুক্তি পাওয়ার বিষয়টি তিনি জোর দিয়ে বলেন।

আসিফের ভাষ্য, “যেহেতু তিনি অনেকের জীবন ও জানমাল রক্ষা করেছেন, তাই তাকে সরাসরি স্বাধীনতার বিপক্ষ বলা যায় না। মুসলিম লীগের একজন সদস্য হিসেবে তার ওপর যে দায়িত্ব ছিল, তিনি মূলত সেটিই পালন করেছেন।”

ছয় দফা আন্দোলন নিয়েও বাবার অবস্থানের কথা তুলে ধরেছেন আসিফ। তার দাবি, ১৯৬৬ সালে ছয় দফা ঘোষণার পর মুসলিম লীগের প্রতিনিধি হিসেবে তার বাবা একটি চিঠি লিখে ছয় দফা মেনে নেওয়া এবং পূর্ব পাকিস্তানকে স্বায়ত্তশাসন দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিলেন।

তবে সেই চিঠিটি এখন আর পরিবারের কাছে নেই বলে জানান আসিফ। আসিফ আরও জানান, ১৯৭১ সালের সময়কার অনেক নথি ও কাগজপত্র তখন সংরক্ষণ করা হয়নি। তবে তার বড় ভাইয়েরা ওই ঘটনার বিষয়ে জানেন বলে জানান তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com