1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১৫ অপরাহ্ন
Title :
কুড়িলে উদ্বোধন হলো YADEA-এর দেশের সর্ববৃহৎ এক্সক্লুসিভ শোরুম দুরপাল্লায় ৮ পয়সা; সিটিসার্ভিসে ১০ পয়সা বাসভাড়া বাড়ানো প্রস্তাব যাত্রী কল্যাণ সমিতির ভৈরবে চেয়ারম্যান প্রার্থী আফিকুল ইসলাম হারিছের সমর্থনে উঠান বৈঠক ওবিইউকে সরাসরি বৈদেশিক মুদ্রা কেনাবেচার সুযোগ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক আদালতে অপ্রতিম হত্যার ৪ আসামি, ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক-এর বাংলা কিউআর ও ক্যাশলেস ডিজিটাল ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন উদ্বোধন কমিউনিটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ৮০তম সভা অনুষ্ঠিত নবীনগরের বিদ্যাকুটে নিখোঁজের ২ দিন পর ঝোপঝাড়ে মিললো মাদ্রাসা ছাত্রীর অর্ধগলিত লাশ! বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব শান্তি দিবস ২০২৬ উদযাপন করল জেএমআই গ্রুপ টাঙ্গাইলে ৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যাচ্ছে ইজিবাইকের পেটে; ঘন ঘন লোডশেডিং, কলকারখানা বন্ধের উপক্রম, চাহিদার ঘাটতি ৪১ শতাংশ

চামড়া খাত হতে পারে ১২ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি শিল্প

  • আপডেট : শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১২.০৭ পিএম
  • ৩২৮ Time View

চামড়া খাতকে সঠিকভাবে প্রক্রিয়াজাত ও আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা গেলে এ খাত থেকে বছরে প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয় সম্ভব বলে জানিয়েছেন শিল্প, বাণিজ্য এবং পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মোক্তাদির।

তিনি বলেন, সরকার চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

শুক্রবার (২৯ মে) সাভারের বিসিক চামড়া শিল্পনগরীর কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার (সিইটিপি) পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, রাজধানীর হাজারীবাগ থেকে সাভারে ট্যানারি কারখানা স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল। কারণ উচ্চমাত্রার বর্জ্য উৎপন্ন হওয়া ট্যানারি শিল্প এমন স্থানে হওয়া প্রয়োজন, যেখানে আধুনিক বর্জ্য শোধনাগারের সুবিধা রয়েছে। তবে স্থানান্তর প্রক্রিয়াটি ছিল অপরিকল্পিত ও অবহেলাপূর্ণ। ফলে চামড়া খাত কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে এবং মাঝপথে অনেক শিল্প প্রতিষ্ঠান হারিয়ে গেছে।

তিনি জানান, কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগারের কার্যক্রমে ইতালিকে সম্পৃক্ত করার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখা ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকার সক্রিয়ভাবে কাজ করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ট্যানারিগুলোর তরল বর্জ্য শোধনের জন্য স্থাপিত সিইটিপির দৈনিক শোধন সক্ষমতা প্রায় ২৫ হাজার ঘনমিটার। অথচ পিক সময়ে উৎপাদিত বর্জ্যের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার ঘনমিটার, যা বিদ্যমান সক্ষমতার তুলনায় অনেক বেশি।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে সরকার দুটি বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে সিইটিপিকে পরিকল্পিত সক্ষমতায় ফিরিয়ে আনা এবং ক্রোমিয়াম পুনরুদ্ধার ব্যবস্থার উন্নয়ন। পাশাপাশি ঋণ সংকটে থাকা ও ঝরে পড়া শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোকে কীভাবে ঘুরে দাঁড় করানো যায়, সে বিষয়েও কাজ চলছে।

পরে মন্ত্রী শিল্পনগরীর সদর ও বে-ট্যানারি কারখানা পরিদর্শন করেন এবং মালিকদের সঙ্গে শিল্পের বর্তমান অবস্থা, উৎপাদন ও পরিবেশ ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করেন। এসময় শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমান, বিসিক চেয়ারম্যান মো. সাইফুল ইসলামসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com