1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৭ পূর্বাহ্ন
Title :
সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দরপতনের শীর্ষে বেক্সিমকো সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দরবৃদ্ধির শীর্ষে ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্স সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে লেনদেনের শীর্ষে আর্গন ডেনিমস দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ করেছে ফেডারেল ইন্স্যুরেন্স দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ করেছে সিকদার ইন্স্যুরেন্স হবিগঞ্জে এনসিপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে চুয়াডাঙ্গায় বিক্ষোভ সমাবেশ; হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি, কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত সুরক্ষায় এগিয়ে ভিভো ওয়াই৫০০ আয় বৃদ্ধি ও শক্তিশালী অ্যাসেট কোয়ালিটিতে ২০২৬-এর প্রথমার্ধে আইডিএলসি ফাইন্যান্সের উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন Price Sensitive Information of Sikder Insurance Company Limited

১৭ বছরেও জোড়া লাগেনি স্বপ্ন: মৃত্যুফাঁদে ডুবুরীরখাল সেতু, ঝুঁকিতে হাজারো প্রাণ

  • আপডেট : বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১২.২৫ পিএম
  • ১৭৯ Time View

এস এম সোলায়মান গনি, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়ন-এর জামতলাপাড়া থেকে কচুয়ারপাড়া-মাদাইখাল সংযোগ সড়কের ওপর নির্মিত ডুবুরীরখাল সেতুটি এখন আর শুধু একটি ভাঙা স্থাপনা নয়—এটি হাজারো মানুষের প্রতিদিনের আতঙ্কের নাম। ১৭ বছর আগে বন্যার তোড়ে বিধ্বস্ত হওয়া সেতুটি আজও পুনর্নির্মাণ হয়নি।

ফলে প্রতিদিন স্কুলপড়ুয়া শিশু, কৃষক, ব্যবসায়ী, অসুস্থ রোগী ও গর্ভবতী নারীরা জীবন হাতে নিয়ে পার হচ্ছেন ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের পাটাতন। যে কোনো সময় বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে কার্যকর উদ্যোগের অভাবে হতাশ এলাকাবাসী।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি উদ্যোগ না থাকায় গ্রামবাসী নিজেরাই ভাঙা সেতুর ওপর কাঠের পাটাতন বসিয়ে অস্থায়ী চলাচলের ব্যবস্থা করেন। কিন্তু সময়ের সাথে সেটি হয়ে উঠেছে নড়বড়ে ও বিপজ্জনক। বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে।

জানা গেছে, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়-এর অর্থায়নে একই স্থানে দুটি সেতু নির্মাণ করা হয়েছিল। নিম্নমানের নির্মাণকাজ ও স্বল্প বাজেটের কারণে নির্মাণের দুই-তিন বছরের মাথায় সেতুগুলো বন্যার স্রোতে ডেবে যায়। সর্বশেষ ২০০৬ সালে নির্মিত সেতুটি ২০০৮ সালের ভয়াবহ বন্যায় সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হওয়ার পর আর কোনো স্থায়ী পুনর্নির্মাণ হয়নি।

ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী হাসেম আলী বলেন,
“এই সেতু দিয়ে ঠিকমতো হাঁটাও যায় না। রোগী নিয়ে হাসপাতালে যেতে হলে কয়েক কিলোমিটার ঘুরতে হয়। অটোরিকশা তো দূরের কথা, সাইকেলও ওঠে না।”

কৃষক রমেশ চন্দ্র বলেন,
“বন্যার সময় পাটাতন কাঁপতে থাকে। মনে হয় এই বুঝি ভেঙে পড়বে। আমাদের ছেলে-মেয়েরা ভয় নিয়েই স্কুলে যায়।”

ভিতরবন্দ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিউল আলম শফি জানান,
“২০০৬ সালে নির্মিত সেতুটি নিম্নমানের কাজের কারণে ভেঙে পড়ে। এখানে একটি টেকসই গার্ডার সেতুর প্রস্তাব উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।”

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত একটি স্থায়ী ও টেকসই গার্ডার সেতু নির্মাণ করা হলে জামতলা ও কচুয়ারপাড়া এলাকার কয়েক হাজার মানুষের যাতায়াত, কৃষিপণ্য পরিবহন ও ব্যবসা-বাণিজ্য সচল হবে।

১৭ বছর ধরে ঝুলে থাকা এই জনদুর্ভোগের অবসান কবে—এ প্রশ্ন এখন পুরো এলাকার মানুষের মুখে মুখে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com