1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৩ পূর্বাহ্ন
Title :
নবীনগরে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার ভৈরবে শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন-প্রতিমন্ত্রী মো শরীফুল আলম টাঙ্গাইলে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝাঁটা হাতে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে প্রতিমন্ত্রী টুকু আগামীকাল ১৩ সেপ্টেম্বর যাত্রী অধিকার দিবস দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থানসৃষ্টি, মানবাধিকার ও আইনশৃঙ্খলায়কার্যকর পদক্ষেপের আহ্বান: সিআইপিজির গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার কুমিল্লায় ১০ আইনজীবীসহ ৪৯ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় ১,২৫০ ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার-৩; পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ গ্রেপ্তার-৯ বিনিয়োগকারীর অজান্তে শেয়ার লেনদেন, এনসিসি ব্যাংক ব্রোকারেজের বিরুদ্ধে অভিযোগ আদানির এক ইউনিট বন্ধ, ৮০০ মেগাওয়াটের নিচে নামল বিদ্যুৎ সরবরাহ

১৭ বছরেও জোড়া লাগেনি স্বপ্ন: মৃত্যুফাঁদে ডুবুরীরখাল সেতু, ঝুঁকিতে হাজারো প্রাণ

  • আপডেট : বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১২.২৫ পিএম
  • ২২১ Time View

এস এম সোলায়মান গনি, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়ন-এর জামতলাপাড়া থেকে কচুয়ারপাড়া-মাদাইখাল সংযোগ সড়কের ওপর নির্মিত ডুবুরীরখাল সেতুটি এখন আর শুধু একটি ভাঙা স্থাপনা নয়—এটি হাজারো মানুষের প্রতিদিনের আতঙ্কের নাম। ১৭ বছর আগে বন্যার তোড়ে বিধ্বস্ত হওয়া সেতুটি আজও পুনর্নির্মাণ হয়নি।

ফলে প্রতিদিন স্কুলপড়ুয়া শিশু, কৃষক, ব্যবসায়ী, অসুস্থ রোগী ও গর্ভবতী নারীরা জীবন হাতে নিয়ে পার হচ্ছেন ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের পাটাতন। যে কোনো সময় বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে কার্যকর উদ্যোগের অভাবে হতাশ এলাকাবাসী।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি উদ্যোগ না থাকায় গ্রামবাসী নিজেরাই ভাঙা সেতুর ওপর কাঠের পাটাতন বসিয়ে অস্থায়ী চলাচলের ব্যবস্থা করেন। কিন্তু সময়ের সাথে সেটি হয়ে উঠেছে নড়বড়ে ও বিপজ্জনক। বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে।

জানা গেছে, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়-এর অর্থায়নে একই স্থানে দুটি সেতু নির্মাণ করা হয়েছিল। নিম্নমানের নির্মাণকাজ ও স্বল্প বাজেটের কারণে নির্মাণের দুই-তিন বছরের মাথায় সেতুগুলো বন্যার স্রোতে ডেবে যায়। সর্বশেষ ২০০৬ সালে নির্মিত সেতুটি ২০০৮ সালের ভয়াবহ বন্যায় সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হওয়ার পর আর কোনো স্থায়ী পুনর্নির্মাণ হয়নি।

ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী হাসেম আলী বলেন,
“এই সেতু দিয়ে ঠিকমতো হাঁটাও যায় না। রোগী নিয়ে হাসপাতালে যেতে হলে কয়েক কিলোমিটার ঘুরতে হয়। অটোরিকশা তো দূরের কথা, সাইকেলও ওঠে না।”

কৃষক রমেশ চন্দ্র বলেন,
“বন্যার সময় পাটাতন কাঁপতে থাকে। মনে হয় এই বুঝি ভেঙে পড়বে। আমাদের ছেলে-মেয়েরা ভয় নিয়েই স্কুলে যায়।”

ভিতরবন্দ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিউল আলম শফি জানান,
“২০০৬ সালে নির্মিত সেতুটি নিম্নমানের কাজের কারণে ভেঙে পড়ে। এখানে একটি টেকসই গার্ডার সেতুর প্রস্তাব উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।”

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত একটি স্থায়ী ও টেকসই গার্ডার সেতু নির্মাণ করা হলে জামতলা ও কচুয়ারপাড়া এলাকার কয়েক হাজার মানুষের যাতায়াত, কৃষিপণ্য পরিবহন ও ব্যবসা-বাণিজ্য সচল হবে।

১৭ বছর ধরে ঝুলে থাকা এই জনদুর্ভোগের অবসান কবে—এ প্রশ্ন এখন পুরো এলাকার মানুষের মুখে মুখে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com