
হাদি-দীপুসহ গত ১৭ মাসে সংগঠিত প্রায় দু’শ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির নেতৃবৃন্দ। নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদীর সভাপতিত্বে ৭ ডিসেম্বর বেলা ১১ টায় তোপখানা রোডস্থ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সভায় তারা উপরোক্ত কথা বলেন। ভেনিজুয়েলার রাষ্ট্রপ্রধান মাদুরেকে অন্যায়ভাবে উঠিয়ে নেয়ার বিষয়ে নিন্দা জানানোর পাশাপাশি বাংলাদেশে একের পর এক খুন-ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন প্রেসিডিয়াম মেম্বার বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, যুগ্ম মহাসচিব, মনির জামান, ওয়াজেদ রানা, সাংগঠনিক সম্পাদক হরিদাস সরকার, আল আমিন বৈরাগী প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে মোমিন মেহেদী বলেন, নির্মম হলেও সত্য যে, জাতি হিসেবে বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। কারণ গত ১৭ মাসে অন্তবর্তী সরকারের ব্যর্থতার কারণে প্রতিনিয়ত বাংলাদেশে সন্ত্রাস বাড়ছে, খুন বাড়ছে, ধর্ষণ বাড়ছে, চাঁদাবাজী, দখলবাজী, দ্রব্যমূল্য এবং দুর্নীতি বাড়ছে। এমতবস্থায় আসন্ন নির্বাচন নিয়ে সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বা জামায়াতের আমিরের মত আমি এবং আমাদের রাজনৈতিক প্লাটফর্ম নতুনধারা শঙ্কিত। যে যাই বলুক, বাস্তবতা এই যে, যে দেশে খুনী খুন করে নিরাপদে দেশ ছাড়ার সুযোগ পাচ্ছে, চাঁদাবাজীর মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর রিমান্ডের আবেদন মঞ্জুর হওয়া আসামীকে একজন উপদেষ্টা বিশেষ আদালত বসিয়ে জামিনের ব্যবস্থা করান, যে দেশে স্বঘোষিত এসআইর খুনি, থানা পোড়ানোর কারিগরকে কেবল একটা মুচলেকা দিয়ে জামিনের ব্যবস্থা করা হয়; সে দেশে সাধারণ মানুষের চাওয়া-পাওয়ার কোনো মূল্য নেই। মূল্য শুধুমাত্র তাদের, যারা ক্ষমতার ভাগিদার। এমতবস্থায় সারাদেশে শ্রমিক-কৃষক-মেহনতি-বঞ্চিত মানুষদের ঐক্যবদ্ধতার কোনো বিকল্প নেই। সময় আসছে সকল শ্রেণি পেশার মানুষদেরকে কালো আইন, কালো সিস্টেমের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিবাদ করার। তা না হলে আগামী শত বছরেও বাংলাদেশে আইনের সংস্কৃতি, বিচারের সংস্কৃতি, সুশিক্ষা-সভ্যতার বিজয় অনিবার্য করা কঠিন হয়ে যাবে।
নেতৃবৃন্দ এসময় বলেন, আমরা চাই শুধু হাদি-দীপুর ঘটনা নয়; সর্বশেষ গত ৬ জানুয়ারি বাড়ির সামনে নির্মমভাবে ঘাতকদের হামলায় নিহত মনিসহ দেশে সংগঠিত সকল খুন-ধর্ষণের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার নির্বাচনের আগে বাস্তবায়ন চাই। যাতে করে ভোট কেন্দ্র দখল করবার কোনো দুঃসাহস দেখাতে না পারে কোনো সন্ত্রাসী-অপরাধী।
Design & Developed By: ECONOMIC NEWS
Leave a Reply