ভাসানী জনশক্তি পার্টির চেয়ারম্যান শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু ও মহাসচিব ডক্টর আবু ইউসুফ সেলিমের নেতৃত্বে ভাসানী জনশক্তি পার্টির শতাধিক নেতাকর্মী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সমাধিতে আলাদা আলাদাভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে ভাসানী জনশক্তি পার্টির ধর্ম বিষয়ক সহসম্পাদক মুফতি হাফেজ আব্দুল হক দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন।
এক বিবৃতিতে বাবলু বলেন জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ পরিপূর্ণভাবে ধারণ করেছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। স্বৈরাচার এবং ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে আপসহীন ভাবে লড়াই সংগ্রাম করেছেন, কারাবরণ করেছেন।বেগম খালেদা জিয়া তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন অথচ দুর্নীতি তাকে স্পর্শ করেনি। বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থা বহু খোঁজাখুঁজির পরেও অবৈধ কোন সম্পদ উদ্ধার করতে পারেনি।দেশের বাইরেও তার কোন সম্পদ কিম্বা ঠিকানা ছিলনা। ফ্যাসিবাদ মুক্ত কল্যাণকর রাষ্ট্র গড়ার লক্ষ্যে তার অবদান বাংলাদেশের মানুষ যুগ যুগ ধরে মনে রাখবে। ৫ আগস্টের পর অন্তর্বর্তী সরকার যখন গভীর সংকটে তখন তিনি প্রফেসর ডঃ ইউনুসএর নেতৃত্বাধীন অন্তরবর্তী সরকারের প্রতি সমর্থন জানিয়ে দেশবাসীকে ধৈর্য ধরে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে দেশকে নতুন সংকটের হাত থেকে রক্ষা করেছিলেন।বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন জাতির অভিভাবক ও গণমানুষের আস্থার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন।
বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে আরো কিছুদিন তাঁর বেঁচে থাকার প্রয়োজন ছিল,এই মুহূর্তে তার মৃত্যুতে জাতি অভিভাবকহীন হয়ে পডেছে।বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন বজ্রকন্ঠ যুগ যুগ ধরে নতুন প্রজন্মের মুক্তিকামি মানুষের পথ দেখাবে। শত নির্যাতন সহ্য করার পরেও কিভাবে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সাথে সম্মান দিয়ে কথা বলতে হয় তা তিনি শিখিয়ে গেছেন। আমরা তার মৃত্যুতে গভীরভাবে ব্যথিত, ভারাক্রান্ত। আমরা মরহুমার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে আত্মার মাগফেররা কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করেছি।দেশবাসীর প্রতি তারা আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও প্রার্থনা করার আহ্বান জানাচ্ছি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভাসানী জনশক্তি পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী, বাবুল বিশ্বাস, জামিল আহমেদ, মোশাররফ হোসেন,প্রচার সম্পাদক মেহেদী হাসান তপন দপ্তর সম্পাদক সরফরাজ হোসেন সহ বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী।