1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৪৬ অপরাহ্ন
Title :
কুমিল্লা দাউদকান্দিতে নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচি সেপ্টেম্বরের ২১ দিনে রেমিট্যান্স ২০৬ কোটি ৩০ লাখ ডলার জিপিএফ-সিপিএফের মুনাফার হার অপরিবর্তিত, প্রজ্ঞাপন জারি ১১টি উৎপাদন ও সেবা খাতে অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন বাধ্যতামূলক করেছে এনবিআর বিনিয়োগকারীদের সেবা সহজ করতে নতুন ওয়েবসাইট ডিএসইর নবীনগরে শেখ হাসিনার ফাঁসি দাবি করে যুবদলের সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত বৃহৎ পরিসরের এআই কম্পিউটিংয়ের জন্য অ্যাটলাস ৯৬০ই সুপারপড উন্মোচন করল হুয়াওয়ে টাঙ্গাইলে রাতের আঁধারে ব্র্রিজে রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ঢালাই; তদন্ত কমিটি গঠন ও ঠিকাদারকে চূড়ান্ত নোটিশ ট্রাস্ট ব্যাংকের কাফরুল ইসলামিক ব্যাংকিং শাখার উদ্বোধন খুলনায় আজমুল হোসেন হত্যার প্রতিবাদে চুয়াডাঙ্গায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল

৭ লাখ টাকা নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, এনসিপি নেতার দাবি ‘ডোনেশন’

  • আপডেট : সোমবার, ১৪ জুলাই, ২০২৫, ১২.৩১ পিএম
  • ৮৩ Time View

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক এবং শিক্ষাবিদ ড. এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান রোববার (১৩ জুলাই) বিকেলে নিজের ফেসবুক ওয়ালে এনসিপি নেতা ইমামুর রশিদের সাত লাখ টাকা নেওয়ার একটি ভিডিও পোস্ট করেন। ভিডিওটি পোস্ট করার পরই তা ভাইরাল হয়ে যায়।

ভিডিওর বর্ণনায় এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান লেখেন, ‘এই ভিডিওটির মেটা ডাটা বলছে: গত ১৪ মে ২০২৫, রাত ৯.২১ মিনিটে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় এটি ধারণ করা হয়েছে। এখানে দেখা যাচ্ছে- জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় সদস্য ইমামুর রশিদ ইমন একজন নারীর কাছ থেকে ৭ লক্ষ টাকা গ্রহণ করছেন। কোন এক ভাইয়ের সাথে কথা হয়েছে ১০ লক্ষ টাকা দেয়ার জন্য, কিন্তু উনি দিয়েছেন ৭ লক্ষ। ভুক্তভোগী ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ওই নারী জানিয়েছেন, বিভিন্ন প্রজেক্টে কাজ দেয়ার আশ্বাসে তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টিকে বিভিন্ন সময় প্রায় ৪৮ লক্ষ টাকা চাঁদা প্রদান করেছেন। কিন্তু পরবর্তীতে তাঁকে কোন কাজ বা প্রজেক্ট কিছুই দেয়া হয়নি।

এই পোস্টের জবাবে এনসিপি নেতা ইমামুর রশিদ তার ফেসবুকে লেখেন, ‘আজকে আমাকে নিয়ে ফেসবুকে ওয়াহিদুজ্জামান নামক প্রোফাইল থেকে যে ভিডিওটি ছড়ানো হয়েছে সেটা নিয়ে আমার মতামত:

ভিডিওতে যে মহিলার কণ্ঠস্বর শোনা যাচ্ছে, তিনি গত মে মাসের প্রথম দিকে আমাদের জাতীয় নাগরিক পার্টির অস্থায়ী কার্যালয়ে এসে পার্টির আহ্বায়ক ও দুই অঞ্চলের মুখ্য সংগঠকদ্বয়ের সাথে দেখা করেন। সেখানে তিনি স্বেচ্ছায় পার্টি ফান্ডে ডোনেশন দিতে ইচ্ছা পোষণ করেন। এছাড়াও তিনি একাধিকবার পার্টি অফিসে এসে অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সাথে দেখা করেন। তিনি জানান, ইতোপূর্বে তিনি জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনে আর্থিক অনুদান দিয়েছিলেন। যেটা আমরা পরবর্তীতে ভেরিফাই করেছিলাম।

ঘটনাটি যে দিনের সেদিন সন্ধ্যায় সেই মহিলা পার্টি ফান্ডে ১০ লক্ষ টাকা দিবে বলে পার্টির পক্ষ থেকে একজনকে পাঠাতে বলেন। পার্টির পক্ষ থেকে সেই ফান্ড সংগ্রহের দায়িত্ব আমাকে দেওয়া হয়। আমি আমার দায়িত্বশীলতার জায়গা থেকে ফান্ডটি কালেক্ট করে কোষাধ্যক্ষের কাছে জমা দেই। আমি পার্টির একজন সদস্য হিসেবে শুধুমাত্র আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করেছি, এর বেশি কিছুই নয়।’

ইমামুর রশিদ লেখেন, ‘একটি রাজনৈতিক দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম চালাতে যে কেউ আর্থিক অনুদান দিতে পারে যা খুবই স্বাভাবিক একটি বিষয়। যতটুকু জানতে পেরেছি, পরবর্তীতে সেই মহিলা আমাদের পার্টির টপ লিডারদের কাছে তার ব্যক্তিগত কিছু অনৈতিক সুবিধা চেয়েছেন। পার্টির টপ লিডাররা মহিলাটিকে ব্যক্তিগত সুবিধা দিতে রাজি না হলে টপ লিডারদের সাথে তার দূরত্ব বাড়তে থাকে। যার পরিপ্রেক্ষিতে আজকে তিনি এই ভিডিওটা অন্যকে দিয়ে ছড়িয়েছেন। এখন আমরা বুঝতে পারছি যে তার উদ্দেশ্য আসলেই অসৎ ছিল এবং তিনি কোন গোষ্ঠীর এজেন্ডা বাস্তবায়ন করার জন্য আমাদের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন। তা নাহলে তিনি কেন ডোনেশন দেওয়ার ভিডিওটি গোপনে ধারণ করেছিলেন?’

‘আমাদের পার্টির পক্ষ থেকে তাকে কখনোই আগে এপ্রোচ করা হয়নি বরং তিনি নিজে থেকেই ডোনেশনের জন্য পার্টিকে এপ্রোচ করেছেন এবং তিনি যা ডোনেশন দিবেন এই সংখ্যাটাও তার নিজের নির্ধারণ করে দেওয়া, আমরা তাকে কোনকিছুই বলিনি। আরেকটি বিষয়, জাতীয় নাগরিক পার্টি কখনোই ডোনেশনের বিনিময়ে কোন কিছু সহযোগিতা করার কমিটমেন্ট করেনি। এই অভিযোগটি মিথ্যা এবং তিনি যে ৪৮ লক্ষ টাকা ডোনেশনের কথা উল্লেখ করেছেন সেই সংখ্যাটাও মিথ্যা।’

ইমামুর রশিদ লেখেন, ‘আমি মনে করি আমার সর্বোচ্চ যোগ্যতা হল আমার সততা। সেই সততাকে বিসর্জন দিয়ে আমি কোন অনৈতিক কাজ করেছি এর প্রমাণ দিতে পারলে আমি স্বেচ্ছায় যে-কোন শাস্তি মাথা পেতে নিবো।’

ভিডিও ভাইরালের পর এনসিপির ফান্ড পলিসি এবং ডোনেশন ওয়েবসাইট তৈরি করা হয়েছে বলে জানান ইমামুর রশিদ।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com