৩২২ রান তাড়ায় নেমে শুরুটা ভালো হয়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজের। দলীয় ৩১ রানের মধ্যে তিন ব্যাটারকে হারিয়েছে দলটি। দলীয় ৪৯ রানের সময় বৃষ্টির হানায় বন্ধ হয়ে যায় খেলা। জয়ের জন্য ক্যারিবীয়দের প্রয়োজন আরও ২৭৩ রান। একটি করে উইকেট নেন হাসান-নাসুম। কার্টি ৯ ও রাদারফোর্ড ১০ রানে অপরাজিত আছেন।
বড় সংগ্রহ তাড়ায় নেমে ব্যাট হাতে ব্র্যান্ডন কিং জ্বলে উঠেছিলেন। নাসুম আহমেদকে দ্বিতীয় ওভারে দুটি চার ও একটি ছয় মেরে ১৪ রান তোলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ ওপেনার। কিন্তু শেষ বলে সিঙ্গেল নিতে গিয়ে রান আউট হয়ে ফেরেন সাজঘরে। ১৯ রানে প্রথম উইকেট হারাল ক্যারিবিয়ানরা। ১০ বলে ১৫ রান করেন কিং। এরপর দ্বিতীয় উইকেট যেতেও সময় লাগেনি। দলীয় ২৮ রানের মাথায় নাসুমের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন আলিসক আথানাজে। তার ব্যাট থেকে আসে ৭ রান। এরপর দলীয় ৩১ রানের মাথায় শাই হোপের বিদায়ে তৃতীয় সাফল্য পায় সফরকারীরা। ৬ বলে ৩ রান করে সৌম্য সরকারের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি।
সৌম্য সরকার এবং মেহেদী হাসান মিরাজ শুরুতে গড়েন ১৩৬ রানের জুটি। অসাধারণ এক জুটি গড়ে বাংলাদেশকে বড় স্কোরের পথেই নিয়ে যান তারা। এরপর তাদের দেখানো পথ অনুসরণ করেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ এবং জাকের আলী অনিক। চারটি বড় ফিফটির ওপর ভর করে সেন্ট কিটসের ওয়ার্নার পার্কে স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৩২২ রানের বিশাল লক্ষ্য দিয়েছে মেহেদী হাসান মিরাজের দল। প্রথম দুই ম্যাচ হারের কারণে সিরিজের এই শেষ ম্যাচটি হয়ে দাঁড়িয়েছে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর মিশনে।