শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:০৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
নওগাঁ ১৪ বিজিবি কর্তৃক ১২৬ বোতল কাশির সিরাপসহ সাড়ে চৌদ্দ হাজার ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার তারেক রহমান–ট্রাম্প প্রশাসনের বাণিজ্য প্রতিনিধি দলের ভার্চুয়াল আলোচনা দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ছিল ভয়াবহ, আফ্রিকার দেশেও এমন দেখিনি: অর্থ উপদেষ্টা গাইবান্ধা-৫ আসনে জাতীয় পার্টির মহাসচিবের বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী ভাইসচেয়ারম্যান রঞ্জু দৈনিক সংগ্রামের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ডিআরইউ’র শুভেচ্ছা বার্তা মালদ্বীপে বাংলাদেশি প্রবাসীদের অধিকার ও কল্যাণে ইমিগ্রেশনের সঙ্গে হাইকমিশনারের বৈঠক শুভ জন্মদিন শ্রদ্ধেয় স্যার; জান্নাতুল ফেরদৌস রিফা ধোবাউড়ায় নির্বাচনী সহিংসতায় প্রার্থীর সমর্থক ছুরিকাঘাতে একজন নিহত সিগনেচার ৯৪-এর বর্ষপূর্তিতে বার্ষিক সাধারণ সভা ও বনভোজন অনুষ্ঠিত দিনাজপুর-১ আসনের বিএনপির প্রার্থীর বড়ভাই এর মৃত্যু

১ জানুয়ারি বই উৎসব হচ্ছে না

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : রবিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ২৮ Time View

অন্যান্য বারের মতো এবার ১ জানুয়ারি বই উৎসব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার। তিনি বলেন, যেহেতু বাইরের একটি দেশের বই ছাপার কথা ছিল। ৫ আগস্টের পরে সেই টেন্ডার বাতিল করে নতুন টেন্ডার আহ্বানের ফলে বই ছাপাতে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। এজন্য বই বিতরণে কিছুটা দেরি হলেও প্রাথমিকের বই জানুয়ারির মধ্যেই বিতরণ করা সম্ভব হবে।

রোববার (৮ ডিসেম্বর) খুলনার বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে বিভাগীয় পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন তিনি।

বিধান রঞ্জন রায় বলেন, নতুন কারিকুলামে শিক্ষার্থীদের ওপরে কিছুটা বাড়তি চাপ পড়বে এটি ঠিক। এটি মেনে নিতে হবে। তার কারণ গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী দেশে সকল ক্ষেত্রেই একটি প্রভাব পড়ে। যেটি শিক্ষাক্ষেত্রেও পড়েছে। এটি মেনে নিয়েই আমাদেরকে সামনে এগোতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল চালু হবে। যা আগামী বছরই প্রকল্প আকারে চালু হচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়াতে কেবল বাংলাদেশে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ সবচেয়ে কম, বাজেটের মাত্র দুই শতাংশ। কিন্তু ইউনেস্কোর মতে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বাজেটের ছয় শতাংশ হওয়া উচিত। শিক্ষকদের আর্থিক ও সামাজিক মর্যাদার উন্নতি ঘটানো এখন সময়ের দাবি। প্রাথমিক শিক্ষার লক্ষ্যই হলো শিশুদের অক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন করে গড়ে তোলা। একই সঙ্গে তাকে ভাষাজ্ঞানে ও গণিতে দক্ষ করা। পড়তে পারা মানুষের সামনে বিশ্বের জ্ঞানরাজ্যের দ্বার খুলে যায়। যার সূচনা প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকেই হয়।

উপদেষ্টা আরও বলেন, যেসকল বিদ্যালয়গুলোয় খুব কম সংখ্যক শিক্ষার্থী আছে সেগুলোকে পার্শ্ববর্তী স্কুলের সঙ্গে একীভূত করার চিন্তা রয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে আগের মতো কোটা না রাখার বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদনের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। সাধারণভাবে অন্য চাকরিতে যেমন সাত শতাংশ কোটা রয়েছে, এখানেও তেমনটি থাকবে। তবে শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান ও গণিতে দক্ষ করে তুলতে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে মোট নিয়োগের ২০ শতাংশ গণিত ও বিজ্ঞানের বিষয়গুলো থেকে পাস করাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। গাইড বই ও প্রাইভেট কোচিংয়ের বিষয়টি নিরুৎসাহিত করতে হবে। শহরাঞ্চলের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর অবকাঠামো প্রকল্পের মাধ্যমে দৃষ্টিনন্দন করার কাজ চলমান আছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS