1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৩:০১ পূর্বাহ্ন
Title :
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে লেনদেনের শীর্ষে সায়হাম টেক্সটাইল সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দরবৃদ্ধির শীর্ষে বেক্সিমকো সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দরপতনের শীর্ষে ফারইস্ট ফাইন্যান্স ‘বিজমায়েস্ট্রোজ এক্স ইউএফএলপি ২০২৬’-এর গ্র্যান্ড ফিনালেতে আগামীর নেতৃত্বকে পুরস্কৃত করলো ইউনিলিভার Price Sensitive Information of Mercantile Islami Insurance PLC রংপুর মহানগর পুলিশের অভিযানে ৩২ জন গ্রেপ্তার, চোরাচালানের পণ্য জব্দ ইনফিনিক্স ক্যাম্পাস কাপ ২০২৬ ফাইনাল আসর বসছে ৮ আগস্ট ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক নিকট সিলেট সেটেলমেন্ট আমিনস ইউনিয়নে স্মারকলিপি প্রদান সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দরপতনের শীর্ষে বেক্সিমকো সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দরবৃদ্ধির শীর্ষে ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্স

বন্ধ হলো তিন হাজার বিও

  • আপডেট : শনিবার, ৬ জুলাই, ২০২৪, ১০.৫৫ এএম
  • ১৪০ Time View

প্রায় আড়াই বছর যাবত দেশের পুঁজিবাজার পতনের বৃত্তে আটকে রয়েছে। প্রায় সপ্তাহেই বিনিয়োগকারীরা পতনের বড় ঝাপ্টা দেখেছে। তবে পতনের ধাক্কা কাটিয়ে বাজার ধীরে ধীরে চাঙা হচ্ছে। গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে সুচকে সেঞ্চুরি ছুঁয়েছে। বলা যায় দীর্ঘ দিন পর বাজারে সূচকে এমন উত্থান দেখেছে বিনিয়োগকারীরা। তবে এমন চাঙ্গা বাজারেও গত সপ্তাহে মাত্র চার কার্যদিবসে তিন হাজারের বেশি বিনিয়োগকারী বাজার ছেড়েছেন। এসব বিনিয়োগকারী গত সপ্তাহে তাঁদের হাতে থাকা সব শেয়ার বিক্রি করে বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স) হিসাব বন্ধ করে দিয়েছেন।

সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড বা সিডিবিএলের বিও হিসাবসংক্রান্ত তথ্য পর্যালোচনা করে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

সিডিবিএলের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ গত ৩০ জুন সদ্য বিদায়ী অর্থবছরের শেষ দিনে দেশের পুঁজিবাজারে শেয়ারসহ বিও হিসাবের সংখ্যা ছিল ১৩ লাখ ৫ হাজার ৭৫১। গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে অর্থাৎ ৪ জুলাই শেয়ারসহ বিও হিসাবের সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ১৩ লাখ ২ হাজার ৩৪৬টি। অর্থাৎ মাত্র চার কার্যদিবসে ৩ হাজার ৪০৫টি বিও হিসাবে থাকা সব শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারীরা। নিয়ম অনুযায়ী, কোনো বিনিয়োগকারী তাঁর বিও হিসাব থেকে সব শেয়ার বিক্রি করে দিলে ওই হিসাব শেয়ারশূন্য বিও হিসেবে থাকার কথা। তাতে শেয়ারসহ বিও হিসাব যত কমবে, শেয়ারশূন্য বিও তত বাড়বে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে সেটি ঘটেনি। কারণ, শেয়ার বিক্রি করে দেওয়া বেশির ভাগ বিও হিসাব বন্ধ হয়ে গেছে।

সিডিবিএল সূত্রে জানা যায়, প্রচলিত নিয়মে প্রতিবছরের জুলাই মাসে বার্ষিক মাশুল দিয়ে বিও হিসাব হালনাগাদ রাখতে হয়। যাঁরা বার্ষিক মাশুল দিতে চান না, তাঁরা শেয়ার বিক্রি করে বিও হিসাব বন্ধ করে দেন। এতে বাজারে সক্রিয় বিও হিসাবের সংখ্যা কমে যায়। গত সপ্তাহ শেষে পুঁজিবাজার সক্রিয় বিও হিসাব প্রায় ৪ হাজার কমে দাঁড়িয়েছে ১৭ লাখ ৭১ হাজার ১২৫টিতে। ৩০ জুন এ সংখ্যা ছিল ১৭ লাখ ৭৫ হাজার ১৪৬। সেই হিসাবে গত চার কার্যদিবসে পুঁজিবাজারে ৪ হাজার ২১টি সক্রিয় বিও হিসাব বন্ধ হয়ে গেছে।

বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, কয়েক বছর ধরে পুঁজিবাজারে মন্দাভাব চলছে। সদ্য বিদায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ১ হাজার ১৫ পয়েন্ট বা ১৬ শতাংশ। এ সময়ে ৬ হাজার ৩৪৩ পয়েন্ট থেকে সূচকটি নেমে এসেছে ৫ হাজার ৩০০ পয়েন্টের ঘরে। ফলে হতাশ বিনিয়োগকারীরা বাজার ছাড়ছেন সুযোগ পেলেই। দীর্ঘদিন শেয়ারের ওপর সর্বনিম্ন মূল্যস্তর বা ফ্লোর প্রাইস আরোপ থাকায় বিনিয়োগকারীরা চাইলেও শেয়ার বিক্রি করতে পারেননি। কিন্তু গত ১৯ জানুয়ারি থেকে ধাপে ধাপে এই ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়া হয়। এতে বাজারে দরপতন শুরু হলেও বিনিয়োগকারীদের জন্য শেয়ার বিক্রি সুযোগ তৈরি হয়। এ সুযোগে অনেক বিনিয়োগকারী লোকসানে শেয়ার বিক্রি করে দিয়ে হলেও বাজার ছেড়ে যাচ্ছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com