1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন
Title :
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে ‘কাস্টমার ফার্স্ট: পেমেন্ট অ্যান্ড সার্ভিস এক্সিলেন্স’ শীর্ষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হাইব্রিড পদ্ধতিতে ফিনিক্স ফাইন্যান্সের ৩১তম এজিএম অনুষ্ঠিত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রায় ৫০ কিলোমিটার যানজট দিনাজপুরে কৃষক কর্মী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ওয়ালটন হাই-টেকের শক্তিশালী আর্থিক অগ্রগতি, ১৮০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ সুপারিশ আইন-শৃঙ্খলার অবনতি, বিচারে দীর্ঘসূত্রিতা ও বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে মুক্ত না হলে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়- সিআইপিজি আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে বক্তাদের অভিমত টাঙ্গাইলে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফন; চাঁদাবাজদের আতঙ্কে জুট মিল ম্যানেজারের মৃত্যু নিয়ে তোলপাড়! স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংকের ঢাকা অঞ্চলের নির্বাচিত শাখা প্রধানদের নিয়ে বিজনেস ডেভেলপমেন্ট মিটিং অনুষ্ঠিত সিলেটের সীমান্ত পথে আসছে ভারতীয় পণ্য, নেপথ্যে লালপুর নৌ-পুলিশের আইসি রূপগঞ্জে কায়েতপাড়া ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীর মতবিনিময় সভা

এমপিদের আয়-ব্যয় হিসাব উন্মুক্ত করার আহ্বান

  • আপডেট : বুধবার, ২৯ মে, ২০২৪, ১০.৪১ পিএম
  • ১৮১ Time View

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর পাঁচ মাস পার হলেও নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থী এবং দলগুলোর আইনি বাধ্যবাধকতা অনুসরণ করে নির্বাচনী আয়-ব্যয়ের বিবরণী প্রকাশ করেনি নির্বাচন কমিশন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থী ও দলের ব্যয়ের বিবরণী জমা প্রদান না করাসহ এ সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশে ব্যর্থতায় হতাশা প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

বুধবার (২৯ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়েছে টিআইবি।

সংস্থাটি মনে করে, এই গোপনীয়তার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী আইন অমান্য করেছে। অন্যদিকে, যে সব প্রার্থী ও দল যথাসময়ে তথ্য জমা দেয়নি, তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা কমিশন গ্রহণ করেছে এমন তথ্য নেই, যা একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের কাছে প্রত্যাশিত নয়। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া ট্র্যাকিং-এর চুড়ান্ত প্রতিবেদন ওয়েবসাইটে (https://ti-bangladesh.org/articles/research/6895) প্রকাশ করে অবিলম্বে নির্বাচনীয় ব্যয়সংক্রান্ত সব তথ্য উন্মুক্ত করতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে টিআইবি।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ (৪৪গ) ধারার নির্দেশনা অনুযায়ী, নির্বাচনের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সব প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয় বিবরণীর সত্যায়িত নথি নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা বাধ্যতামূলক। দাখিলে ব্যর্থ প্রার্থীদের বিরুদ্ধে অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

একই আদেশের (৪৪গগ) ধারা অনুযায়ী, নির্বাচনের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ব্যয় বিবরণী নির্বাচন কমিশনে জমা দিতে হয় এবং দাখিলে ব্যর্থ দলগুলোর বিরুদ্ধে আর্থিক জরিমানাসহ নিবন্ধন বাতিলের বিধান রয়েছে। 

এছাড়া, আদেশের (৪৪ঘ) অনুসারে প্রার্থী ও দলের ব্যয় বিবরণীর নথি জনগণের কাছে উন্মুক্ত করার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট রিটানিং অফিসার এবং নির্বাচন কমিশনের।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৭ জানুয়ারি ২০২৪ সালে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে, সে হিসেবে প্রার্থীদের ব্যয় বিবরণী নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়ার শেষ সময় ছিল ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ এবং রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য ৭ এপ্রিল ২০২৪। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে অধিকাংশ প্রার্থী এবং রাজনৈতিক দলই ব্যয় বিবরণীর সত্যায়িত নথি সংশ্লিষ্ট রিটানিং অফিসে জমা দেয়নি। নির্বাচন কমিশনও তথ্য জমা দিতে ব্যর্থ প্রার্থী ও দলের বিরুদ্ধে কোনো প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।

নির্বাচনী ব্যয়সংক্রান্ত নথি সংগ্রহ ও প্রকাশে নির্বাচন কমিশনের নিস্ক্রিয় ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, নির্বাচনী ব্যয় সংক্রান্ত আইনি বাধ্যবাধকতাকে প্রার্থী-দল এমনকি নির্বাচন কমিশনও রীতিমতো উপেক্ষা করেছে। নির্ধারিত সময়ে ব্যয় বিবরণী জমা দিতে প্রার্থী এবং দলসমূহ অনীহা দেখিয়েছে, আবার সময়সীমা পার হলেও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে আইনানুগ কোনো প্রকার শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। 

‘নির্বাচনী আইন মেনে চলতে ব্যর্থ প্রার্থী ও দলসমূহের জবাবদিহি নিশ্চিত করার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। ফলে একদিকে যেমন কমিশনের নির্বাচনী আইনকে উপেক্ষা করার দৃষ্টান্ত যেমন হতাশাজনক, অন্যদিকে এই নিস্ক্রিয়তার মাধ্যমে কমিশন বাস্তবে প্রার্থী ও দলসমূহকে আইনের লঙ্ঘনে আরো বেশি উৎসাহিত করেছে, যা নির্বাচন কমিশনের মতো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের জন্য বিব্রতকর’, যোগ করেন ড. ইফতেখারুজ্জামান।

উল্লেখ্য, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুসারে প্রার্থীর জমা দেয়া ব্যয়ের বিবরণী এবং দলিল রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে বা অন্য কোনো স্থানে রাখা, একশ টাকা ফি প্রদানসাপেক্ষে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা এবং যেকোনো ব্যক্তিকে দরখাস্তে আবেদন এবং নির্ধারিত ফি প্রদান সাপেক্ষে সরবরাহ করার নির্দেশনা রয়েছে।

কিন্তু টিআইবি পরিচালিত গবেষণায় প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় পর্যায়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় এই নির্দেশনা মান্য করেনি। নির্ধারিত ফি গ্রহণে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নির্দিষ্ট নেই এবং কোথায় টাকা জমা দিতে হবে সেই নির্দেশনা স্পষ্ট করা হয়নি অযুহাতে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় ব্যয় বিবরণীর নথি প্রদানে অপারগতা প্রকাশ করে। টিআইবির পক্ষ থেকে তথ্য চেয়ে কমিশনে অবেদন করলেও, কমিশন তথ্য প্রদান করেনি। এছাড়া, ব্যয় বিবরণীর নথি ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হয়নি।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, ‘এটি গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ দ্বারা নির্ধারিত আইনগত বাধ্যবাধকতার এমন লঙ্ঘন, যা নাগরিকদের প্রয়োজনীয় তথ্য থেকে বঞ্চিত করছে, জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহিতা নিশ্চিতের পথ বন্ধ করছে, যা গণতন্ত্র ও সুশাসন নিশ্চিতে প্রতিবন্ধকতা গভীরতর ও ব্যাপকতর করছে। কমিশন নির্বাচনের ব্যয় সংক্রান্ত তথ্য প্রদানে গোপনীয়তা রক্ষা করছে এবং উত্তম চর্চার উল্টো পথে চলছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রার্থী এবং দলগুলোর ওপর গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিতে অবিলম্বে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থী এবং দলসমূহের নির্বাচনী ব্যয়সংক্রান্ত সব তথ্য সংগ্রহ নিশ্চিত করে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রকাশ করতে নির্বাচন কমিশনকে আহ্বান জানাই। যে সকল প্রার্থী এবং রাজনৈতিক দল নির্বাচনী ব্যয় বিবরণী নির্ধারিত সময়ে প্রদানে ব্যর্থ হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করে সঠিক দৃষ্টান্ত স্থাপনের দায়িত্ব সম্পর্কে আমরা আরেকবার নির্বাচন কমিশনকে মনে করিয়ে দিতে চাই।’

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com