বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ০২:৪৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
আয়কর নির্ধারণে ASYCUDA System এর তথ্যের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হলো বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল-এর উদ্যোগে কুমিল্লায় গণমাধ্যম বিষয়ক সেমিনার ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে দুই উপজেলার কল্যাণে যে ফেরি এসেছিল, আজ তা নীরব বালুচরের বন্দী গাজীপুরে মিথ্যা মামলায় হয়রানির শিকার যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিকদের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চেক বিতরণ অনুষ্ঠান চুয়াডাঙ্গার টেংরামারি জামে মসজিদে ইফতার মাহফিলে চুয়াডাঙ্গা ১ আসনের এমপি – মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের আহ্বান নির্বাচন পরবর্তী পদ্মবিলা ইউনিয়নের জনগণের সাথে মতবিনিময় করলেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের এমপি মাসুদ পারভেজ রাসেল আইটিইটি-বাংলাদেশের ইফতার ও দোয়া মাহফিলে বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির দেখার কেউ নেই মাধবপুর কৃষি জমি, নদী, ছড়া, থেকে বালুমাটি লুট পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কিছু অপব্যবহার হয়েছে: আইনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৭ এপ্রিল, ২০২২
  • ৯৬ Time View
আইনমন্ত্রী

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কিছু অপব্যবহার হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। বৃহস্পতিবার (৭ এপ্রিল) সচিবালয়ে নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে আসেন। সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, এটা কিছুটা সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল। অ্যাপয়েন্টমেন্ট চিঠিতে দুটো টপিক উল্লেখ ছিল। ওনারা ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট নিয়ে কথা বলতে চেয়েছিলেন। ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট নিয়ে আলোচনায় আমি ওনাকে বলেছি, এ অ্যাক্ট সাইবার ক্রাইমের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য করা হয়েছে। আমি ওনাকে এটা বলেছি, অনেক দেশের সংবিধানের তুলনায় আমাদের সংবিধান আলাদা। আমাদের সংবিধানে ফ্রিডম অব প্রেসকে আলাদাভাবে গ্যারান্টি করা হয়েছে ফান্ডামেন্টাল রাইটসের মাধ্যমে।

ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট কখনোই বাক-স্বাধীনতা বা সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করার জন্য করা হয়নি উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এটা সাইবার ক্রাইম নিয়ন্ত্রণ করার জন্য করা হয়েছে। কিন্তু আমরা দেখেছি এর কিছু অপব্যবহার হয়েছে। এ বিষয়ে আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে কী পদক্ষেপ নিয়েছি, সেটাও উল্লেখ করেছি।

তিনি বলেন, আমার পক্ষ থেকে আমি ওনাকে পরিষ্কার বলেছি, আমাদের একটা দাবি আছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকারী এবং আদালতের সাজাপ্রাপ্ত ফাঁসির আসামি রাশেদ চৌধুরী সেখানে (যুক্তরাষ্ট্র) পালিয়ে আছে। তাকে ফেরত দেওয়ার ব্যাপারে। তিনি যেটা বলেছেন, সেটা হচ্ছে, এটা তো একটা বার্নিং ইস্যু, এ ইস্যুগুলো দ্রুত ফয়সালা করা উচিত। এ বিষয়টিতে আমাদের সম্পর্কে নেতিবাচক ছায়া পড়ুক সেটা তিনি (রাষ্ট্রদূত) চান না। সেটা নিয়ে কিছু আলাপ হয়েছে। যেগুলো আমি এখন বলব না।

সাক্ষাৎকালে সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাটের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা একটি মামলার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এটা আদালতে বিচারাধীন। সেই বিষয়ে বলেছি, আদালত স্বাধীন, বিচার বিভাগ স্বাধীন। এ মামলায় প্রসিকিউশনের দায়িত্ব যাতে সঠিকভাবে পালন করে, সেটা আমরা দেখব। তবে রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেছেন, দূতাবাস হয়ত তাদের একজন আইনজীবী সেখানে নিয়োগ করতে পারে। সেই রকম একটা অনুমতি হয়ত চাইবেন। এখানে আমাদের কোনো আপত্তি নেই বলে আমি বলেছি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS