মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এটিএম বুথে টাকা সরবরাহ বাড়াতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ ঋণ কেলেঙ্কারি ও হস্তক্ষেপের অভিযোগে চার ব্যাংকের বোর্ডে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পর্যবেক্ষক শেয়ার বিক্রির অর্থ দেশে ফেরত আনা সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনে দরপতনের শীর্ষে গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনে দর বৃদ্ধিতে শীর্ষে ইসলামী ব্যাংক সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনে লেনদেনের তালিকার শীর্ষে ওরিয়ন ইনফিউশন শ্রীপুরে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃত্যু: হাসপাতাল সিলগালা করার নির্দেশ, পলাতক কর্তৃপক্ষ ‎ ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ বাস্তবায়নে মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স- তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ঈদুল ফিতরে ভিজিএফ কার্ড বিতরণে অনিয়ম হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: উলিপুরে এমপি সালেহী বাঘায় সড়ক দূর্ঘটনায় ছেলে আহত, মা-সহ নিহত ৩

মুক্তিযুদ্ধসহ বাঙালির সব বড় আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন বঙ্গবন্ধু

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : রবিবার, ১৭ মার্চ, ২০২৪
  • ২৬৮ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ১৭ মার্চ ২০২৪ রোববার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী ও ‘জাতীয় শিশু কিশোর দিবস’ উপলক্ষে জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির উদ্যোগে মতিঝিল ওয়াকফ এস্টেট মসজিদ প্রাঙ্গণে বিকাল ৪ টায় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজু বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত এই নেতা ১৯২০ সালের এ দিনে গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে অধ্যয়নকালে তিনি সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। কারাগারে থেকে এবং কারাগারের বাইরেও বঙ্গবন্ধু ভাষা আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি যখন ভাষা আন্দোলনের নেতাকর্মীদের হত্যা করা হয়, তখন বঙ্গবন্ধু কারাগারে অনশন করেছিলেন।

তিনি আরো বলেন, ভাষা আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ সহ বাঙালির সব বড় আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন শেখ মুজিব। বঙ্গবন্ধু তার গতিশীল নেতৃত্বের মাধ্যমে পাকিস্তানি শাসকদের শোষণ—নিপীড়নের বিরুদ্ধে বাঙালি জাতিকে সংগঠিত করেছিলেন। ১৯৭১ সালে ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়। বঙ্গবন্ধু যখন সকল বাধা—বিপত্তি অতিক্রম করে সোনার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন পরাজিত ও মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী চক্র তাকে পরিবারের অধিকাংশ সদস্যসহ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট হত্যা করে।

মিজানুর রহমান মিজু বলেন, ৭১’র প্রেতাত্মারা আবারো জেগে উঠেছে। তাদের সেই বিষ দাঁত ভেঙ্গে দিতে হবে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় সকল অপশক্তিকে প্রতিহত করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক মন্ত্রী ও এনডিপি চেয়ারম্যান এম নাজিম উদ্দিন আল আজাদ।

বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন কাজী আরিফ ফাউন্ডেশন এর সভাপতি কাজী মাসুদ আহমেদ, জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সভাপতি এম এ  জলিল, জনতা ফ্রন্টের চেয়ারম্যান দীপু মীর, বঙ্গবন্ধু শিশু কল্যাণ সভাপতি মুশফিকুর রহমান মিন্টু, বাংলাদেশ আওয়ামী  প্রজন্ম  মুক্তিযোদ্ধা লীগের সাধারণ সম্পাদক রোকন উদ্দিন  পাঠান, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির চেয়ারম্যান স্বপন কুমার সাহা, জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির যুগ্ম মহাসচিব সিএম মানিক, ব, আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য লোকমান হোসেন চৌধুরী, জাসদ নেতা হুমায়ুন, বাংলাদেশের সৎ সংগ্রামী ভোটার পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোশারফ হোসেন, জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির নির্বাহী সদস্য মুকিন হক প্রমুখ। আলোচনা সভা সঞ্চালনা করেন জাতীয় স্বাধীনতা  পার্টির ১ম যুগ্ম মহাসচিব শেখ বাদশাহউদ্দিন মিন্টু।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS