এবার বিয়ের কারণে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) নেতা ইমরান খান ও তার স্ত্রী বুশরা বিবিকে ৭ বছর কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে করা হয়েছে জরিমানাও।
বিয়ে আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে তাদের এ শাস্তি দেয়া হলো। এর আগে তোশাখানা মামলায় উভয়কে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়।
জাতীয় নির্বাচনের মাত্র পাঁচ দিন আগে শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এই রায় দিয়েছে পাকিস্তানের একটি আদালত। রায়ে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালে হওয়া বুশরা বিবির সাথে ইমরান খানের বিয়েতে আইন লঙ্ঘন হয়েছে।
চলতি সপ্তাহে আদালতের পক্ষ থেকে ইমরান খানের বিরুদ্ধে এটা তৃতীয় কোনো রায়। ৭১ বছর বয়সী পিটিআই নেতা এখন কারাগারে রয়েছেন। ফলে তিনি আসন্ন নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন না।
নির্বাচন সামনে করে রাষ্ট্রীয় গোপন নথি প্রকাশ করার অভিযোগে করা মামলায় তাকে ও তার বিশ্বস্ত সহযোগী সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশিকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়।
গত ৩০ জানুয়ারি আদিয়ালা কারাগারে দুই নেতার উপস্থিতিতে দফতর গোপনীয়তা আইনে গঠিত বিশেষ আদালতের বিচারক আবুল হাসনাত জুলকারনাইন এ রায় ঘোষণা দেন।
পরদিন ৩১ জানুয়ারি রাষ্ট্রীয় উপহার বিক্রির অভিযোগে (তোশাখানা মামলা) ইমরান খান ও তার স্ত্রী বুশরা বিবিকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। ইসলামাবাদের জবাবদিহিতা আদালতের (অ্যাকাউন্টিবিলিটি কোর্ট) বিচারক মুহাম্মদ বশির এ রায় দেন।
তিনদিন পর দেয়া হলো বিয়ে সম্পর্কিত মামলার রায়। রায়ে ইমরান ও তার স্ত্রী বুশরাকে সাত বছর করে কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫ লাখ রুপি জরিমানা করা হয়েছে।