1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন
Title :
কুড়িলে উদ্বোধন হলো YADEA-এর দেশের সর্ববৃহৎ এক্সক্লুসিভ শোরুম দুরপাল্লায় ৮ পয়সা; সিটিসার্ভিসে ১০ পয়সা বাসভাড়া বাড়ানো প্রস্তাব যাত্রী কল্যাণ সমিতির ভৈরবে চেয়ারম্যান প্রার্থী আফিকুল ইসলাম হারিছের সমর্থনে উঠান বৈঠক ওবিইউকে সরাসরি বৈদেশিক মুদ্রা কেনাবেচার সুযোগ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক আদালতে অপ্রতিম হত্যার ৪ আসামি, ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক-এর বাংলা কিউআর ও ক্যাশলেস ডিজিটাল ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন উদ্বোধন কমিউনিটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ৮০তম সভা অনুষ্ঠিত নবীনগরের বিদ্যাকুটে নিখোঁজের ২ দিন পর ঝোপঝাড়ে মিললো মাদ্রাসা ছাত্রীর অর্ধগলিত লাশ! বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব শান্তি দিবস ২০২৬ উদযাপন করল জেএমআই গ্রুপ টাঙ্গাইলে ৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যাচ্ছে ইজিবাইকের পেটে; ঘন ঘন লোডশেডিং, কলকারখানা বন্ধের উপক্রম, চাহিদার ঘাটতি ৪১ শতাংশ

মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা ৯ ফেব্রুয়ারি

  • আপডেট : রবিবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৩, ২.৫৩ পিএম
  • ২৮৩ Time View

২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের দেশের সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজের এমবিবিএসে ভর্তি পরীক্ষা আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে । এ জন্য এক মাস আগে থেকেই বন্ধ থাকবে কোচিং সেন্টারগুলো।

রবিবার (২৪ ডিসেম্বর) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা-সংক্রান্ত সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক এতে সভাপতিত্ব করেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা নিশ্চয়ই দেখেছেন, গত পাঁচ বছরে মেডিকেল পরীক্ষার বিষয়ে কারও কোনো রকমের অভিযোগ ছিল না। প্রশ্ন ফাঁসের বিষয়ে পত্র-পত্রিকায় যেটা দেখছি, সেটা কিন্তু ২০১০ সালের ঘটনা। ২০১০ সালের ঘটনা এখন বলা হয়েছে। আমরা ইতোমধ্যে পরীক্ষা পদ্ধতি আমরা অনেক উন্নত করেছি। অত্যাধুনিক করা হয়েছে, এখানে ডিজিটাল পদ্ধতিতে সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করা হয়। যেখানে প্রশ্ন প্রস্তুত করা হয়, বিশেষ কয়েকজনের মধ্যে সেটা সীমাবদ্ধ থাকে। এমনভাবে করা হয়, ওখানে কেউ ঢুকতেও পারে না আর যারা প্রশ্ন তৈরি করে তারাও ওখান থেকে বের হয় না; প্রশ্ন বণ্টন হয়ে যাওয়ার পরে তারা বের হতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘একজন প্রশ্নকারী একটা প্রশ্ন করে, অন্যরা সেটা জানেও না যে আরেকজন কী প্রশ্ন করল। যে পদ্ধতিতে প্রশ্নগুলো বিভিন্ন জায়গায় পাঠানো হয় এবং যেভাবে খোলার ব্যবস্থা সেগুলো সবই ডিজিটাল পদ্ধতিতে। কেউ যদি আগে খোলার চেষ্টা করে, নেওয়ার চেষ্টা করে-ডিজি অফিসে ট্র্যাকিং সিস্টেম আছে। আশা করি যেভাবে বিগত দিনগুলোতে করতে পেরেছি, সেভাবে করা হবে এবং সবার সহযোগিতা আমরা নেই। কোচিং সেন্টারগুলোও বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিতে দেওয়া হয় না। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকদের কাছেও মোবাইল ফোন থাকে না’।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ‘এ বছর পাঁচ হাজার ৩৮০টি সরকারি সিট রয়েছে। এবার সরকারি মেডিকেল কলেজগুলোতে এক হাজারের বেশি সিট বাড়ানো হয়েছে। বেসরকারিতে আছে ছয় হাজার ৩৪৮ সিট। মোট সিট ১১ হাজার ৭২৮টি রয়েছে। আমাদের আর্মি মেডিকেল কলেজেও ৩৭৫টি সিট রয়েছে। সেখানেও একযোগে পরীক্ষা হয়। গতবার দেড় লাখ পরীক্ষার্থী আবেদন করেছিলেন। এ বছর আশা করি আরও বেশি। তার জন্য আমরা সব প্রস্তুতি গ্রহণ করছি।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বেসরকারি মেডিকেলে অনিয়ম করার খুব একটা সুযোগ নেই। কারণ এখন মেরিট বেজ ভর্তি হয়। আমাদের মন্ত্রণালয়-অধিদপ্তর এ বিষয়ে তদারকি করে থাকে। বেসরকারি মেডিকেলগুলো অনেক মানসম্মত হয়ে গেছে। আর যারা ভালো চালায় না, চালাতে পারে না; বিভিন্ন রকমের ঘাটতি রয়েছে আমরা তাদের বারবার তাগিদও দেই- যদি তারা তাদের ঘাটতি পূরণ না করে আমরা তাদের বন্ধ করে দেই। ইতোমধ্যে প্রায় পাঁচ-ছয়টি মেডিকেল কলেজ বন্ধ হয়ে গেছে। প্রাইভেট মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন কোনো আপত্তি জানায়নি। তারাও চায় যে, তাদের সুনাম অক্ষুণ্ন থাকুক,’ বলেন জাহিদ মালেক।

কোচিং সেন্টার কত দিন বন্ধ থাকবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আগামী ৯ জানুয়ারি থেকে কোচিং বন্ধ থাকবে। যেহেতু ৯ ফেব্রুয়ারি পরীক্ষা হবে। কাজেই এক মাস আগে বন্ধ করা হবে।’

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক কারণে কোনো মেডিকেল কলেজ তৈরি হয় না। প্রয়োজনে তৈরি হয়। দেশে এখনো অনেক ডাক্তার ঘাটতি রয়েছে। আমাদের দেশে এক লাখ ডাক্তার, প্রয়োজন প্রায় আড়াই লাখ ডাক্তার। নার্সের ঘাটতি রয়েছে এবং তাদের মান উন্নয়ন করা পর্যায়ক্রমে হচ্ছে। রাতারাতি তো কোনো কিছু হয় না। যারা মান ধরে রাখতে পারছে না তাদের কিন্তু আমরা ছেড়ে দিচ্ছি না—তাদের আমরা কঠিন শাস্তি দিচ্ছি। জরিমানা করছি, নোটিশ দিচ্ছি। পরবর্তীকালে তাদের আমরা বন্ধ করেও দিচ্ছি।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ভর্তি ফি তো বাড়ানো হয়নি। পাস নম্বরও বাড়ানো হয়নি। যারা দ্বিতীয় বার পরীক্ষা দেবে তাদের ১০ নম্বর কাটা যাবে, এটা আমরা প্রয়োগ করছি। এটা আগে ছিল আট নম্বর, সমতা আনার জন্য আমরা ১০ নম্বর করছি। নতুন পরীক্ষার্থীরা যাতে বঞ্চিত না হয় সে জন্য এ কাজটি করা হয়েছে।’

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com