1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন
Title :
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দরপতনের শীর্ষে মার্কেন্টাইল ব্যাংক সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দর বৃদ্ধি শীর্ষে মীর আক্তার সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে লেনদেনের শীর্ষে ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক মাধবপুরে মহাসড়ক দখল করে রিক্সার দাপট যানজটে ভোগান্তি ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে বাংলাদেশ প্রেস ইউনিটির মুক্ত সভা ঢাকায় বিওয়াইডির সবচেয়ে বড় শোরুম উদ্বোধনের পাশাপাশি গাড়ি হস্তান্তর আইএফআইসি ব্যাংক ও আকিজ রিসোর্স এর মধ্যে ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট বিষয়ক চুক্তি স্বাক্ষর দারাজ ৫.৫ মেগা ইদ সেল: গিভঅ্যাওয়ে ও বিশেষ সব অফারে এই ঈদে দারাজের দারুণ চমক ডাসকো ফাউন্ডেশনের ‘সাওয়াব’ প্রকল্প উদ্বোধন, বরেন্দ্র অঞ্চলে নিরাপদ পানির টেকসই সমাধানে নতুন উদ্যোগ রূপগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষার্থী অভিভাবকদের সাথে আবু মাসুমের মতবিনিময়  ও শিক্ষা বিষয়ক ক্যাম্পেইন, খাদ্য বিতরণ

মৃত্যুর কারণ হতে পারে সোনার গয়না!

  • আপডেট : শনিবার, ১৯ মার্চ, ২০২২, ১২.৫৯ পিএম
  • ৫১২ Time View

বিশ্বের প্রতিটি মানুষেরই স্বর্ণালংকারের প্রতি আগ্রহ রয়েছে। নারীদের ক্ষেত্রে তো আরও বেশি। এই স্বর্ণ বা সোনার সঙ্গে যে ব্যবহারকারীর স্বাস্থ্যের বিষয় জড়িয়ে আছে তা কি আমরা জানি?

সোনার গুণগত মান সঠিক না হলে দীর্ঘদিন ব্যবহারের জন্য শরীরের উপর এর ক্ষতিকারক প্রভাব পড়তে শুরু করে। এমনকি কখনো মৃত্যুর কারণও হয়ে দাঁড়ায়। তাহলে টাকা দিয়ে সোনার অলংকার কিনে কেউ কি মৃত্যু ডেকে আনবে!

বাজারে সচরাচর কেডিএম সোনা বিক্রি করা হয়। এক্ষেত্রে সোনার গুণগত মান যাচাই করে সার্টিফাই করা সোনা অর্থাৎ হলমার্ক সোনা কেনা বা ব্যবহার করা ভালো। এই সোনা ব্যবহারে ব্যবহারকারীর স্বাস্থ্যে কোনো ঝুঁকি থাকে না। কেডিএম সোনা হচ্ছে খাঁটি সোনাকে অলংকার উপযোগী করতে এর সঙ্গে ক্যাডমিয়াম নামক এক ধরনের ধাতু মেশানো হয়। সোনা এবং ক্যাডমিয়ামের অনুপাত থাকে ৯২:৮। এবার তাহলে কেডিএম সোনা ও হলমার্ক সোনার পার্থক্য জেনে নেয়া যাক।

খাঁটি সোনা খুব নরম হওয়ায় তা অলংকার তৈরির অনুপযুক্ত থাকে। তাই এর সঙ্গে অন্য ধাতু মিশিয়ে অলংকার তৈরির উপযুক্ত করা হয়। যাকে খাদ বলা হয়। এই খাদেই যত ঝামলো। মানগত কারণে সোনাকে কয়েকভাগে ভাগ করা হয়েছে- ২৪ ক্যারেট, ২৩ ক্যারেট, ২২ ক্যারেট, ১৮ ক্যারেট, ১৪ ক্যারেট এবং ১০ ক্যারেট। সোনায় ক্যাডমিয়াম মেশানোর ফলে সোনার মান বজায় থাকলেও এতে করে অলংকার তৈরির কারিগর এবং ব্যবহারকারীর স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়ে থাকে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই সোনায় এই ক্যাডমিয়ামের ব্যবহার নিষিদ্ধ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ক্যাডমিয়াম হচ্ছে ক্ষতিকারক ধাতু। এটি শরীরে দীর্ঘদিন প্রবেশ করতে থাকলে বিষক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। এতে করে শরীরে ক্যানসার এবং কিডনি সংক্রান্ত সমস্যা হতে পারে। এছাড়াও ফুসফুস এবং হাড় ক্ষতিগ্রস্ত করে। অনেক সময় শ্বাসকষ্ট, কিডনি অকার্যকর হয়ে যায় এবং পুরুষত্বহীনতার কারণও হয়ে দাঁড়ায়।

সূত্র : ইন্ডিয়া টাইমস ও ডয়চে ভেলে

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com