1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০২:০৫ পূর্বাহ্ন
Title :
সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দরপতনের শীর্ষে বেক্সিমকো সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দর বৃদ্ধির শীর্ষে আইসিবি এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট মিউচুয়াল ফান্ড সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে লেনদেনের শীর্ষে সামিট অ্যালায়েন্স ডিএসইতে অনুষ্ঠিত হলো ‘অরেঞ্জ ইকোনমি সামিট ২০২৬: ঢাকা’ ইসলামী ব্যাংকে পূর্ণাঙ্গ পর্ষদ গঠনের দাবি, গভর্নরের কাছে স্মারকলিপি ফারইস্ট স্পিনিংয়ের জন্য ২৩৪ কোটি টাকার অর্থায়ন, নেতৃত্বে সিটি ব্যাংক নবীনগরে আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেফতার  এমপিওভুক্তির দাবিতে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচির ১০ম দিনে আইসিএসবি’র উদ্যোগে চার্টার্ড সেক্রেটারি দিবস ২০২৬ উদযাপন প্রিমিয়ার ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের মায়ের মৃত্যু

মৃত্যুর কারণ হতে পারে সোনার গয়না!

  • আপডেট : শনিবার, ১৯ মার্চ, ২০২২, ১২.৫৯ পিএম
  • ৫৬৪ Time View

বিশ্বের প্রতিটি মানুষেরই স্বর্ণালংকারের প্রতি আগ্রহ রয়েছে। নারীদের ক্ষেত্রে তো আরও বেশি। এই স্বর্ণ বা সোনার সঙ্গে যে ব্যবহারকারীর স্বাস্থ্যের বিষয় জড়িয়ে আছে তা কি আমরা জানি?

সোনার গুণগত মান সঠিক না হলে দীর্ঘদিন ব্যবহারের জন্য শরীরের উপর এর ক্ষতিকারক প্রভাব পড়তে শুরু করে। এমনকি কখনো মৃত্যুর কারণও হয়ে দাঁড়ায়। তাহলে টাকা দিয়ে সোনার অলংকার কিনে কেউ কি মৃত্যু ডেকে আনবে!

বাজারে সচরাচর কেডিএম সোনা বিক্রি করা হয়। এক্ষেত্রে সোনার গুণগত মান যাচাই করে সার্টিফাই করা সোনা অর্থাৎ হলমার্ক সোনা কেনা বা ব্যবহার করা ভালো। এই সোনা ব্যবহারে ব্যবহারকারীর স্বাস্থ্যে কোনো ঝুঁকি থাকে না। কেডিএম সোনা হচ্ছে খাঁটি সোনাকে অলংকার উপযোগী করতে এর সঙ্গে ক্যাডমিয়াম নামক এক ধরনের ধাতু মেশানো হয়। সোনা এবং ক্যাডমিয়ামের অনুপাত থাকে ৯২:৮। এবার তাহলে কেডিএম সোনা ও হলমার্ক সোনার পার্থক্য জেনে নেয়া যাক।

খাঁটি সোনা খুব নরম হওয়ায় তা অলংকার তৈরির অনুপযুক্ত থাকে। তাই এর সঙ্গে অন্য ধাতু মিশিয়ে অলংকার তৈরির উপযুক্ত করা হয়। যাকে খাদ বলা হয়। এই খাদেই যত ঝামলো। মানগত কারণে সোনাকে কয়েকভাগে ভাগ করা হয়েছে- ২৪ ক্যারেট, ২৩ ক্যারেট, ২২ ক্যারেট, ১৮ ক্যারেট, ১৪ ক্যারেট এবং ১০ ক্যারেট। সোনায় ক্যাডমিয়াম মেশানোর ফলে সোনার মান বজায় থাকলেও এতে করে অলংকার তৈরির কারিগর এবং ব্যবহারকারীর স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়ে থাকে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই সোনায় এই ক্যাডমিয়ামের ব্যবহার নিষিদ্ধ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ক্যাডমিয়াম হচ্ছে ক্ষতিকারক ধাতু। এটি শরীরে দীর্ঘদিন প্রবেশ করতে থাকলে বিষক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। এতে করে শরীরে ক্যানসার এবং কিডনি সংক্রান্ত সমস্যা হতে পারে। এছাড়াও ফুসফুস এবং হাড় ক্ষতিগ্রস্ত করে। অনেক সময় শ্বাসকষ্ট, কিডনি অকার্যকর হয়ে যায় এবং পুরুষত্বহীনতার কারণও হয়ে দাঁড়ায়।

সূত্র : ইন্ডিয়া টাইমস ও ডয়চে ভেলে

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com