1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ০৯:৫৩ অপরাহ্ন
Title :
ঈদের আগের শেষ কার্যদিবসে লেনদেনের শীর্ষে এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ ঈদের আগের শেষ কার্যদিবসে দরবৃদ্ধির শীর্ষে নাহি অ্যালুমিনিয়াম ঈদের আগের শেষ কার্যদিবসে দরপতনের শীর্ষে ফারইস্ট ফাইনান্স নজরুল চেতনায় জনকল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় জানিয়েছেন কবি মু. নজরুল ইসলাম তামিজী শিশু ধর্ষণ, হত্যা ও নৈরাজ্য বন্ধ না হলে জনগণের রোষানলে পড়বে সরকার ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট সংলগ্ন কোরবানির পশুর হাটে ডিজিটাল লেনদেন সুবিধা চালু করলো আইএফআইসি ব্যাংক ঈদ ও গ্রীষ্ম উপলক্ষ্যে আকর্ষণীয় অফার ও সুযোগ সুবিধাসহ ৭ শতাধিক আউটলেটে ইলেক্ট্রনিক্স পণ্যের সম্পূর্ণ সম্ভার নিয়ে প্রস্তুত ওয়ালটন প্লাজা “২০/- টাকা মূল্যমানের “বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ সমিতি (বিপিকেএস) জাতীয় লটারি-২০২৬” এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত” মাধবপুর শাহজিবাজার বিদ্যুৎ কেন্দ্র ৬শ কোটি টাকা পরিশোধের পরও বন্ধ ঈদে আইটেল নিয়ে এলো ফিচার ফোনে ১৮০ দিনের রিপ্লেসমেন্ট ওয়ারেন্টি

মৃত্যুর কারণ হতে পারে সোনার গয়না!

  • আপডেট : শনিবার, ১৯ মার্চ, ২০২২, ১২.৫৯ পিএম
  • ৫৫১ Time View

বিশ্বের প্রতিটি মানুষেরই স্বর্ণালংকারের প্রতি আগ্রহ রয়েছে। নারীদের ক্ষেত্রে তো আরও বেশি। এই স্বর্ণ বা সোনার সঙ্গে যে ব্যবহারকারীর স্বাস্থ্যের বিষয় জড়িয়ে আছে তা কি আমরা জানি?

সোনার গুণগত মান সঠিক না হলে দীর্ঘদিন ব্যবহারের জন্য শরীরের উপর এর ক্ষতিকারক প্রভাব পড়তে শুরু করে। এমনকি কখনো মৃত্যুর কারণও হয়ে দাঁড়ায়। তাহলে টাকা দিয়ে সোনার অলংকার কিনে কেউ কি মৃত্যু ডেকে আনবে!

বাজারে সচরাচর কেডিএম সোনা বিক্রি করা হয়। এক্ষেত্রে সোনার গুণগত মান যাচাই করে সার্টিফাই করা সোনা অর্থাৎ হলমার্ক সোনা কেনা বা ব্যবহার করা ভালো। এই সোনা ব্যবহারে ব্যবহারকারীর স্বাস্থ্যে কোনো ঝুঁকি থাকে না। কেডিএম সোনা হচ্ছে খাঁটি সোনাকে অলংকার উপযোগী করতে এর সঙ্গে ক্যাডমিয়াম নামক এক ধরনের ধাতু মেশানো হয়। সোনা এবং ক্যাডমিয়ামের অনুপাত থাকে ৯২:৮। এবার তাহলে কেডিএম সোনা ও হলমার্ক সোনার পার্থক্য জেনে নেয়া যাক।

খাঁটি সোনা খুব নরম হওয়ায় তা অলংকার তৈরির অনুপযুক্ত থাকে। তাই এর সঙ্গে অন্য ধাতু মিশিয়ে অলংকার তৈরির উপযুক্ত করা হয়। যাকে খাদ বলা হয়। এই খাদেই যত ঝামলো। মানগত কারণে সোনাকে কয়েকভাগে ভাগ করা হয়েছে- ২৪ ক্যারেট, ২৩ ক্যারেট, ২২ ক্যারেট, ১৮ ক্যারেট, ১৪ ক্যারেট এবং ১০ ক্যারেট। সোনায় ক্যাডমিয়াম মেশানোর ফলে সোনার মান বজায় থাকলেও এতে করে অলংকার তৈরির কারিগর এবং ব্যবহারকারীর স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়ে থাকে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই সোনায় এই ক্যাডমিয়ামের ব্যবহার নিষিদ্ধ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ক্যাডমিয়াম হচ্ছে ক্ষতিকারক ধাতু। এটি শরীরে দীর্ঘদিন প্রবেশ করতে থাকলে বিষক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। এতে করে শরীরে ক্যানসার এবং কিডনি সংক্রান্ত সমস্যা হতে পারে। এছাড়াও ফুসফুস এবং হাড় ক্ষতিগ্রস্ত করে। অনেক সময় শ্বাসকষ্ট, কিডনি অকার্যকর হয়ে যায় এবং পুরুষত্বহীনতার কারণও হয়ে দাঁড়ায়।

সূত্র : ইন্ডিয়া টাইমস ও ডয়চে ভেলে

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com