1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন
Title :
জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না ৫ ঘণ্টা সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দরপতনের শীর্ষে এপেক্স স্পিনিং সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে লেনদেনের শীর্ষে রংপুর ডেইরী অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্টস সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দর বৃদ্ধির শীর্ষে নাহি অ্যালুমিনিয়াম বারি মুখীকচু-২ আবাদে সাফল্য ও আধুনিক চাষাবাদ প্রযুক্তি নিয়ে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত চুয়াডাঙ্গায় কিশোরীকে ধর্ষণের পর অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল; গ্রেপ্তার ৩ ঈদের আগে ঢাকা লিগের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ রাউন্ড দিল্লির সাম্প্রদায়িক চরিত্র হিন্দুস্তানের মুসলমানদের জীবনকে বিষিয়ে তুলছে : মোহাম্মদ শামসুদ্দীন কমিউনিটি ব্যাংকের SICIP উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠিত; ব্যবসায়িক দক্ষতা ও টেকসই কর্মসংস্থান সৃষ্টিই লক্ষ্য কুমিল্লায় দুই সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় এক মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

মৃত্যুর কারণ হতে পারে সোনার গয়না!

  • আপডেট : শনিবার, ১৯ মার্চ, ২০২২, ১২.৫৯ পিএম
  • ৫৪৫ Time View

বিশ্বের প্রতিটি মানুষেরই স্বর্ণালংকারের প্রতি আগ্রহ রয়েছে। নারীদের ক্ষেত্রে তো আরও বেশি। এই স্বর্ণ বা সোনার সঙ্গে যে ব্যবহারকারীর স্বাস্থ্যের বিষয় জড়িয়ে আছে তা কি আমরা জানি?

সোনার গুণগত মান সঠিক না হলে দীর্ঘদিন ব্যবহারের জন্য শরীরের উপর এর ক্ষতিকারক প্রভাব পড়তে শুরু করে। এমনকি কখনো মৃত্যুর কারণও হয়ে দাঁড়ায়। তাহলে টাকা দিয়ে সোনার অলংকার কিনে কেউ কি মৃত্যু ডেকে আনবে!

বাজারে সচরাচর কেডিএম সোনা বিক্রি করা হয়। এক্ষেত্রে সোনার গুণগত মান যাচাই করে সার্টিফাই করা সোনা অর্থাৎ হলমার্ক সোনা কেনা বা ব্যবহার করা ভালো। এই সোনা ব্যবহারে ব্যবহারকারীর স্বাস্থ্যে কোনো ঝুঁকি থাকে না। কেডিএম সোনা হচ্ছে খাঁটি সোনাকে অলংকার উপযোগী করতে এর সঙ্গে ক্যাডমিয়াম নামক এক ধরনের ধাতু মেশানো হয়। সোনা এবং ক্যাডমিয়ামের অনুপাত থাকে ৯২:৮। এবার তাহলে কেডিএম সোনা ও হলমার্ক সোনার পার্থক্য জেনে নেয়া যাক।

খাঁটি সোনা খুব নরম হওয়ায় তা অলংকার তৈরির অনুপযুক্ত থাকে। তাই এর সঙ্গে অন্য ধাতু মিশিয়ে অলংকার তৈরির উপযুক্ত করা হয়। যাকে খাদ বলা হয়। এই খাদেই যত ঝামলো। মানগত কারণে সোনাকে কয়েকভাগে ভাগ করা হয়েছে- ২৪ ক্যারেট, ২৩ ক্যারেট, ২২ ক্যারেট, ১৮ ক্যারেট, ১৪ ক্যারেট এবং ১০ ক্যারেট। সোনায় ক্যাডমিয়াম মেশানোর ফলে সোনার মান বজায় থাকলেও এতে করে অলংকার তৈরির কারিগর এবং ব্যবহারকারীর স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়ে থাকে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই সোনায় এই ক্যাডমিয়ামের ব্যবহার নিষিদ্ধ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ক্যাডমিয়াম হচ্ছে ক্ষতিকারক ধাতু। এটি শরীরে দীর্ঘদিন প্রবেশ করতে থাকলে বিষক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। এতে করে শরীরে ক্যানসার এবং কিডনি সংক্রান্ত সমস্যা হতে পারে। এছাড়াও ফুসফুস এবং হাড় ক্ষতিগ্রস্ত করে। অনেক সময় শ্বাসকষ্ট, কিডনি অকার্যকর হয়ে যায় এবং পুরুষত্বহীনতার কারণও হয়ে দাঁড়ায়।

সূত্র : ইন্ডিয়া টাইমস ও ডয়চে ভেলে

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com