সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
ইসলামী ব্যাংকের সাথে ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন-এর চুক্তি ডিপোজিট ও রিকভারি মান্থ উপলক্ষে প্রিমিয়ার ব্যাংকের কুমিল্লা ও সিলেটে টাউনহল মিটিং অনুষ্ঠিত আইএফআইসি ব্যাংকের ইসলামিক ব্যাংকিং লোগো ও দেশব্যাপী ইসলামিক সেবা ডেস্ক-এর উদ্বোধন SICIP এর আওতায় উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচি শুরু করল কমিউনিটি ব্যাংক; ব্যবসায়িক দক্ষতা ও টেকসই কর্মসংস্থান সৃষ্টিই লক্ষ্য স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক পিএলসি.- এর অডিট কমিটির ১২৭তম সভা অনুষ্ঠিত রিয়েলমির গ্লোবাল ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন ফুটবল তারকা রাফিনহা   বিএনপি সহ বিভিন্ন সংগঠন শেরে বাংলার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংকে ‘আন্ডারস্ট্যান্ডিং ইসলামিক ফিন্যান্স প্রোডাক্টস এন্ড সার্ভিসেস’ শীর্ষক কর্মশালা স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক পিএলসি. এর শরি‘আহ্ধসঢ়; সুপারভাইজরি কমিটির ৫৩তম সভা অনুষ্ঠিত বিএনপি নেতা মোহাম্মদ দুলাল হোসেনের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করল বিএনপি

মৃত্যুর কারণ হতে পারে সোনার গয়না!

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : শনিবার, ১৯ মার্চ, ২০২২
  • ৫০৪ Time View

বিশ্বের প্রতিটি মানুষেরই স্বর্ণালংকারের প্রতি আগ্রহ রয়েছে। নারীদের ক্ষেত্রে তো আরও বেশি। এই স্বর্ণ বা সোনার সঙ্গে যে ব্যবহারকারীর স্বাস্থ্যের বিষয় জড়িয়ে আছে তা কি আমরা জানি?

সোনার গুণগত মান সঠিক না হলে দীর্ঘদিন ব্যবহারের জন্য শরীরের উপর এর ক্ষতিকারক প্রভাব পড়তে শুরু করে। এমনকি কখনো মৃত্যুর কারণও হয়ে দাঁড়ায়। তাহলে টাকা দিয়ে সোনার অলংকার কিনে কেউ কি মৃত্যু ডেকে আনবে!

বাজারে সচরাচর কেডিএম সোনা বিক্রি করা হয়। এক্ষেত্রে সোনার গুণগত মান যাচাই করে সার্টিফাই করা সোনা অর্থাৎ হলমার্ক সোনা কেনা বা ব্যবহার করা ভালো। এই সোনা ব্যবহারে ব্যবহারকারীর স্বাস্থ্যে কোনো ঝুঁকি থাকে না। কেডিএম সোনা হচ্ছে খাঁটি সোনাকে অলংকার উপযোগী করতে এর সঙ্গে ক্যাডমিয়াম নামক এক ধরনের ধাতু মেশানো হয়। সোনা এবং ক্যাডমিয়ামের অনুপাত থাকে ৯২:৮। এবার তাহলে কেডিএম সোনা ও হলমার্ক সোনার পার্থক্য জেনে নেয়া যাক।

খাঁটি সোনা খুব নরম হওয়ায় তা অলংকার তৈরির অনুপযুক্ত থাকে। তাই এর সঙ্গে অন্য ধাতু মিশিয়ে অলংকার তৈরির উপযুক্ত করা হয়। যাকে খাদ বলা হয়। এই খাদেই যত ঝামলো। মানগত কারণে সোনাকে কয়েকভাগে ভাগ করা হয়েছে- ২৪ ক্যারেট, ২৩ ক্যারেট, ২২ ক্যারেট, ১৮ ক্যারেট, ১৪ ক্যারেট এবং ১০ ক্যারেট। সোনায় ক্যাডমিয়াম মেশানোর ফলে সোনার মান বজায় থাকলেও এতে করে অলংকার তৈরির কারিগর এবং ব্যবহারকারীর স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়ে থাকে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই সোনায় এই ক্যাডমিয়ামের ব্যবহার নিষিদ্ধ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ক্যাডমিয়াম হচ্ছে ক্ষতিকারক ধাতু। এটি শরীরে দীর্ঘদিন প্রবেশ করতে থাকলে বিষক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। এতে করে শরীরে ক্যানসার এবং কিডনি সংক্রান্ত সমস্যা হতে পারে। এছাড়াও ফুসফুস এবং হাড় ক্ষতিগ্রস্ত করে। অনেক সময় শ্বাসকষ্ট, কিডনি অকার্যকর হয়ে যায় এবং পুরুষত্বহীনতার কারণও হয়ে দাঁড়ায়।

সূত্র : ইন্ডিয়া টাইমস ও ডয়চে ভেলে

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS