1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৩ অপরাহ্ন
Title :
তিন মাসে রপ্তানি আয় ১ হাজার ৩০৯ কোটি ডলার, প্রবৃদ্ধি ৬.৩৪% রপ্তানিমুখী শিল্পে প্রি-শিপমেন্ট ঋণের তহবিল বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক সেপ্টেম্বরে রপ্তানি আয় বেড়েছে সাড়ে ৮%, রেমিট্যান্স ৩% ধানমন্ডিতে ২৪ হাজার ৩২১ বর্গফুটের বাণিজ্যিক স্পেস কিনবে ইবনে সিনা পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ রূপগঞ্জে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের ওপর হামলা, রক্তাক্ত জখম ও টাকা ছিনতাই মেশিনারিজের আড়ালে অবৈধভাবে এসি আমদানি করছে হায়ার বাংলাদেশ ‎নবীনগর কেন্দ্রীয় মহাশ্মশানে মাদকাসক্ত যুবককে গাঁজা খেতে না দেওয়ায় পূজায় বাধা, ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্সে ৩% প্রবৃদ্ধি, এসেছে ২৭৬.৬ কোটি ডলার জুলাই-আগস্টের অনলাইন ভ্যাট রিটার্নে সময় বাড়ল, শেষ সময় ১৫ অক্টোবর

ব্যাংক ও সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপেও কাটছে না ডলার সংকট

  • আপডেট : শুক্রবার, ২৬ মে, ২০২৩, ১১.৫৯ এএম
  • ২৭১ Time View

গত বছরের মার্চ থেকে দেশে ডলার সংকট দেখা দেয়। চাপ সামাল দিতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এতেও ডলার সংকট কাটছে না। পরিস্থিতি সামাল দিতে রিজার্ভ থেকে ধারাবাহিকভাবে ডলার ছাড়ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে আবারও রিজার্ভ কমে ২৯ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলারের ঘরে নেমে এসেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, গতকাল বুধবার (২৪ মে) দিনশেষে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২৯ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলারে। একমাস আগে (৩০ এপ্রিল) রিজার্ভ ছিল ৩০ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলার। আর ২০২২ সালের ২৪ মে রিজার্ভ ছিল ৪২ দশমিক ২৯ বিলিয়ন ডলার।

এর আগে চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে (৮ মে) দেশের রিজার্ভ ২৯ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারে এসেছিল। যেটা গত ৭ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থান। এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) পেমেন্ট দেওয়ায় রিজার্ভ নেমেছিল ৩০ বিলিয়ন এর নিচে। গত ২০২১ সালের আগস্টে দেশের রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন ডলারের ঘর ছাড়িয়েছিল।

কোন দেশের তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর রিজার্ভ থাকলে সেটা কোন বিপদ সংকেত দেয় না। তবে আমাদের রিজার্ভ কম ছিল এখন বাড়ছে, সাথে আমদানির দায়ও কমছে। আমাদের রিজার্ভ দিয়ে ছয় মাসের আমদানির দায় মেটানো সম্ভব বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা।

তিনি আরও বলেন, আমাদের আমদানির দায় মেটাতে প্রায় পাঁচ বিলিয়ন ডলারের প্রয়োজন পড়ছে প্রতি মাসে। সে হিসাবে আমাদের রিজার্ভ দিয়ে ৫ মাসের বেশি সময়ের আমদানির দায় মেটানো সম্ভব। সে হিসেবে দেশের বর্তমান রিজার্ভকে কোন অবস্থায় খারাপ অবস্থা বলা যাবে না।

এর আগে ২০২০ সালে করোনা শুরু হলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দ্রুত বাড়তে থাকে। ওই সময় অধিকাংশ প্রবাসী আয় বৈধ পথে দেশে আসে। আবার আমদানিও কমে যায়। ফলে রিজার্ভ বেড়ে ২০২১ সালের আগস্টে প্রথমবারের মতো ৪ হাজার ৮০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যায়।

এরপর ২০২২ সালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হলে বিশ্ববাজারে জ্বালানিসহ খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ে। ফলে দেশের বাড়ে আমদানি খরচও বেড়ে যায়। তবে সেই তুলনায় বাড়েনি রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়। এই কারণে আমদানি দায় মেটাতে বাংলাদেশ ব্যাংককে রিজার্ভ থেকে প্রতিনিয়ত ডলার বিক্রি করতে হচ্ছে। এরফলে দেশের রিজার্ভ কমতে থাকে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com