বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আর কোন ১০ দফা নয়, এখন দফা একটাই, সেটা হলো হাসিনার পদত্যাগ।
বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার শর্তহীন মুক্তিসহ ১০ দফা দাবি ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে আয়োজিত লালমনিরহাটের কালেক্টরেট মাঠে এক সমাবেশে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, নূরলদিনের মতো কারাগার থেকে জেগে ওঠার ডাক দিয়েছেন বেগম খালেদা জিয়া। অসহায় জাতিকে তিনি বারবার জাগিয়ে তুলেছেন, কোন দিন আপোষ করেননি।
তিনি বলেন, তারেক রহমান বাংলাদেশের মানুষের দিকে তাকিয়ে আছেন। তারা গণতান্ত্রিক ভাবে জেগে উঠেছে। ১৭ জন নেতাকর্মীকে প্রাণ দিতে হয়েছে। ইলিয়াস আলীসহ ৬০০ নেতাকর্মীকে গুম করা হয়েছে। অসংখ্য শিশু বাবা, স্ত্রী তার স্বজনদের ফিরে আসার অপেক্ষায়।
ফখরুল বলেন, গতকাল যশোরে নিজেরা হামলা করে এক হাজার ৬০০ জনের নামে মিথ্যা মামলা করেছে। চালের দাম, সারের দাম বেড়েছে। পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। একটা মা সন্তানকে ডিম কিনে দিতে পারে না।
আওয়ামী লীগ, আমাদের সবগুলো সেক্টর শেষ করে দিয়ে উন্নয়নের কথা বলছে উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, তারা ভোট হতে দেয় না। ১৪ তে, ১৮ তে যে ভোট হয়েছে, ২০২৪ এ তেমন ভোট আর হবে না। নির্বাচন হতে হবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে। তা ছাড়া আর ভোট হতে দেয়া হবে না।
সংসদ ভেঙে দিয়ে নতুন একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়ে তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন নতুন হতে হবে। যে নির্বাচন কমিশন ভোট বাতিল করতে পারবে না, সেই নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচনে যাবো না।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ভোটের আগে সমর্থন আনতে বিদেশে গিয়েছিলেন হাসিনা। সমর্থন পাননি। তিনি বলেন, আর কোন ১০ দফা নয়, দফা একটাই সেটা হলো হাসিনার পদত্যাগ।
সমাবেশে সাবেক সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেন, ১৭ বছর ধরে সরকার যথেষ্ট অত্যাচার করেছে। ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়, তিন বছরের অত্যাচারের জন্য ২১ বছর তাদের রাস্তায় ঘুরতে হয়েছে। এবার ১০০ বছর ঘুরেও ক্ষমতা ফিরে পাবেন না।
তিনি আরও বলেন, আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি করি না। ১৭ কোটি মানুষ বিচার করবে। বিদেশে পালাতে পারবেন না। সুষ্ঠু ভোট হলে ১০টা আসনও আওয়ামী লীগ পাবে না। দেশে তাদের সঙ্গে কেউ নেই। বিদেশে যায়, কিন্তু সম্মান পায় না।
Design & Developed By: ECONOMIC NEWS
Leave a Reply