1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৬ পূর্বাহ্ন
Title :
সার সরবরাহ পরিস্থিতি দেখতে চুয়াডাঙ্গায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব চলন্ত বাসে নারীর ওপর যৌন নিগ্রহের দায়ে চালকসহ ৩ জনের যাবজ্জীবন গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণে অবিলম্বে মজুরি বোর্ড গঠন কর, নিম্নতম মজুরি ৩০,০০০/- টাকা ঘোষণা কর ভৈরবে সড়কযোদ্ধা রানা ও ব‍্যবসায়ী নূরুল হকের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ফেরারির ডিজাইন নিয়ে ইনফিনিক্সের নতুন স্মার্টফোন নোট ৬০ আলট্রা শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্স ও ডেগে মিলেছে ৩ কোটি ১৮ লাখ ২৩ হাজার ১৪৪ টাকা বৈদ্যুতিক স্থাপনা পরিদর্শনের ফি ২০ হাজার থেকে ৩০ লাখ টাকা দুর্গাপূজার ছুটি শেষে আজ থেকে স্বাভাবিক ব্যাংক ও পুঁজিবাজার কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং, মাদক ও ছিনতাইবিরোধী অভিযানে আটক-২৭৫ কুমিল্লা সীমান্তে ৩৯ লাখ টাকার মুল্যেী ভারতীয় শাড়ি উদ্ধার

ইচপ্রিয়া – লেখক মামুন মোল্যা

  • আপডেট : বুধবার, ৩ মে, ২০২৩, ১.২৮ পিএম
  • ৩১৪ Time View

মোঃ মামুন মোল্যা

ইচপ্রিয়া কমলাপুর রেল স্টেশনের মেয়ে,তা বললে ভুল হবেনা। কারণ সে যখন বুঝতে শিখেছে,তখন থেকেই সে নিজেকে দেখে রেল স্টেশনের ছায়া তলে তার বসবাস। মা বাবা কে? সে কখনো দেখছে বলে কিছু বলতে পারেনা। কে তার মা ? কে তার বাবা? সেই প্রশ্ন তাকে খুঁড়ে খুঁড়ে খায়? ছয় বছরের ছোট মেয়ে। অনেকের কাছে এই প্রশ্ন করেছে। কে তার মা? কে তার বাবা? কেউ তার প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেনি। সেই প্রশ্ন নিজের মধ্যে লুকিয়ে রেখে পথ চলছে। একা একা পথ চলা সত্যি ভীষণ কষ্টের। ছোট্ট মেয়ে, সে কোনো কাজ করতে পারে না। পথচারীর কাছে হাত পেতে যা পায় তাই দিয়ে তার দিন চলে যায়। কিন্তু রাত সহজে যায় না। কারণ তার আপন বলতে পাশে কেহ নেই।তাও আবার মেয়ে মানুষ। পথের পাশে ঘুম পড়া যে কত ঝুঁকি সেটা বলে বা লেখে বোঝানো সম্ভব না। এই ভাবে তার দীর্ঘদিন চলতে থাকে। যখন তার বয়স বারো বছর।তখন মানুষের কাছে হাত পাতলে কিছু কিছু ভদ্রলোক বলে,চেহারা তো মন্দ নয়, তবে এই কাজ করো কেন? ইচপ্রিয়া বলতে চাই, এই কাজ করি কেন? কিন্তু তারা প্রশ্ন ছুড়ে চলে যায় কিন্তু প্রশ্নের উত্তর নিবার মত তাদের সময় হাতে নেই। একদিন মনে মনে ভাবে এত কথার ভার বহন করা আমার পক্ষে খুবই কষ্টের।সিদ্ধান্ত নিল আর এই পথে থাকবে না। পথ শিশুদের সাথে নতুন করে জীবন গড়বে। সেখানে গিয়ে দেখে ভিন্ন এক জগত। দিনের বেলা ছেলেরা বোতল কুঁড়িয়ে ঠেলা গাড়ি চালিয়ে যা পায় কোন দিন পেট চলে কোন দিন চলে না। কিছু কিছু দিন কাজ করে কিন্তু সেই অর্থে পেট চলে না। কি করবে ? কোনো মালিক পথ শিশুদের কাজ দেয় না।পেটের দায়ে বাধ্য হয়ে রাতে ছিন্তায় অথবা খুনের মত জঘন্য কাজ করে। মেয়েরা আর কি করবে ? ওদের বোতল কুঁড়ানো ছাড়া আর কি বা করার আছে? তাতে কি আর পেট চলে। রাতে বাসের হেল পার অথবা ড্রাইভার দের সাথে রাত কাটালে বেশ কিছু টাকা আসে। সেই টাকা দিয়ে পেট চালায়। আবার দলের ছেলেদেরও সাথে রাত কাটাতে হয়। তা না হলে আবার দল থেকে বাহির করে দেয়। এই সব দেখে ইচপ্রিয়া মনে মনে ভাবে ভিক্ষা করা এর থেকেও শত গুন ভালো। ইচপ্রিয়া এই ভেবে সেখানে এক মুহূর্তেও রইল না। ইচপ্রিয়া আবার এসে সেই পথে দাড়িয়ে ভিক্ষা করতে লাগলো। ইচপ্রিয়া এক ভদ্র লোকের নজরে পড়ে। তিনি বলল এই মেয়ে তোমার নাম কি ? জি স্যার ইচপ্রিয়া। ইচপ্রিয়া তোমাকে আমার বাড়ি চাকরি দিলে করবে? জি স্যার কি চাকরি? আমার মা কে দেখা শোনা আর রান্নাবান্না করা। বেতন দিবো থাকা খাওয়া বাদে ছয় হাজার টাকা। জি স্যার করবো। ইচপ্রিয়া ভদ্র লোকের বাড়ি গিয়ে বেশ কিছুদিন ভালো ভাবে কাজ করছে। প্রথম মাস শেষ হতেই ইচপ্রিয়া বেতন চাই। ভদ্রলোক বলে দিবো,টাকা নিয়ে চিন্তা করনা। এই ভাবে ছয় মাস চলে যায়। একদিন ভদ্র লোকের মা ডাক্তারের কাছে যায়। সেই সুজকে ভদ্রলোকদ্বয় ইচপ্রিয়াকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। ইচপিয়া খুব চিন্তায় পড়ে যায়। এমন সুজক কি জীবনে বার বার আসে?। কি করবে? এক পর্যায়ে রাজি হয়। ভদ্র লোকটি ভালোবাসা কে ঢাল বানিয়ে বিবাহর কথা বলে দীর্ঘদিন সহবাসে লিপ্ত থাকে। যখন তার গর্ভে সন্তান আসে। তখন ছেলেটার মাকে সব খুলে বলে।মা তার ছেলেকে সব খুলে বলতে রেগে আগুন। ছেলেটি ইচপ্রিয়াকে মিথ্যাবাদী বেশ্যা বলে গালাগালি করে ক্ষান্ত হয়নি।রুম থেকে চড়াতে চড়াতে গেট পর্যন্ত এনে খালি হাতে তাড়িয়ে দেয়। ইচপ্রিয়া সেই দিন বুঝতে পারে,কে তার মা ? কে তার বাবা?

লেখা: ২৮-৫-২২

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com