রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ০২:৩২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
চুয়াডাঙ্গায় জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন, সভাপতি মারুফ সরোয়ার বাবু ও সাধারণ মানি খন্দকার ভৈরবে বর্ষাকালে লাশ নিতে একমাত্র ভরসা নৌকা অথবা কলাগাছের ভেলা ভৈরবে বিদায়ী ইউএনও শবনম শারমিনকে নিসচার পক্ষ থেকে সংবর্ধনা বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক ‘নিহত’: জীবননগর সীমান্তে উত্তেজনা আগামী সপ্তাহ থেকে চালু হতে যাচ্ছে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’: গভর্নর মানুষদের কর্মসংস্থান ফিরিয়ে দেয়ার লক্ষ্যে বন্ধ কারখানাগুলো আবার চালু করার কথা ভেবে দেখা দরকার: মির্জা ফখরুল নতুন শিল্পায়নে জ্বালানি সক্ষমতা নীতিমালার গুরুত্ব অপরিসীম: ডিসিসিআই খেলাপি ঋণের সংকট কাটিয়ে উঠতে অন্তত ৫ থেকে ১০ বছর সময় লাগবে: বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর ফরিদপুরে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ; আহত শতাধিক অযৌক্তিক বাড়ী ভাড়া বৃদ্ধি বন্ধের দাবিতে ভাড়াটিয়া পরিষদের মানববন্ধন

দুর্নীতিবাজদের সামাজিকভাবে বয়কট করার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : রবিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৩
  • ১৬৩ Time View

দুদকের করা মামলার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ক্যাসিনোকাণ্ডের অন্যতম হোতা সেলিম প্রধানের আট বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায়ের পর্যবেক্ষণে বিচারক দুর্নীতিবাজদের সামাজিকভাবে বয়কট করার আহ্বান জানিয়েছেন।

রোববার (৩০ এপ্রিল) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৮ এর বিচারক বদরুল আলম দুই ধারায় এ রায় ঘোষণা করেন। এ সময় সেলিম প্রধানের রাশিয়ান স্ত্রী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার আগে কারাগার থেকে সেলিম প্রধানকেও আদালতে আনা হয়। রায় ঘোষণা শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।

পর্যবেক্ষণে বিচারক বলেন, ‘রায় দিয়ে সমাজ থেকে দুর্নীতি দূর করা সম্ভব না। তাই দুর্নীতিবাজদের সঙ্গে ছেলে-মেয়েদের বিয়ে দেবেন না। দাওয়াত দিলে যাবেন না। জেনেশুনে কারও দাওয়াতে যাওয়া মানে রাষ্ট্রবিরোধী অবস্থান নেওয়া। দুর্নীতিবাজদের সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে।’

মানিলন্ডারিং আইনে চার বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত। অনাদায়ে তাকে আরও ছয় মাসের কারাভোগ করতে হবে। জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ আর্জনের অভিযোগে দুদক আইনে চার বছরের কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দেন আদালত। অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাভোগ করতে হবে। দুই ধারার সাজা একসঙ্গে চলবে বলে বিচারক রায়ে উল্লেখ করেন।

এরআগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান চলাকালে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সেলিম প্রধান র্যাবের হাতে গ্রেফতার হন। ওই বছরের ২৭ অক্টোবর দুদক উপ-পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান বাদী হয়ে সেলিম প্রধানের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এ মামলায় তার বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে ১২ কোটি ২৭ লাখ ৯৫ হাজার ৭৫৪ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ করা হয়। এই উপ-পরিচালকই মামলাটি তদন্ত করে শেষ পর্যন্ত তার নামে মোট ৫৭ কোটির বেশি টাকার অবৈধ সম্পদের প্রমাণ পান।

২০২১ সালের ৩১ অক্টোবর ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক আল আসাদ মো. আসিফুজ্জামানের আদালত সেলিমের উপস্থিতিতে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, দুর্নীতির মাধ্যমে ও ক্যাসিনো খেলে সেলিম প্রধান মোট ৫৭ কোটি ৪১ লাখ ৪৮ হাজার টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন। এর মধ্যে স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ৩৫ কোটি ৪১ লাখ ৯৭ হাজার টাকার। ক্যাসিনো খেলে অর্জিত ২১ কোটি ৯৯ লাখ টাকা পাচার করেছেন থাইল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রে।

সেলিম প্রধান জাপান-বাংলাদেশ সিকিউরিটি প্রিন্টিং পেপার্সের চেয়ারম্যান। এই কোম্পানিতে তার ৪০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। ৬৯ হাজার শেয়ারের বিপরীতে এখানে বিনিয়োগ দেখানো হয়েছে ৬৯ লাখ টাকা। তবে সেলিম প্রধানের নামে শেয়ার মানি ডিপোজিট পাওয়া গেছে ২৩ কোটি ৫৫ লাখ ৮৪ হাজার ৬৫০ টাকা। এই টাকা তিনি অর্জন করেছেন অবৈধভাবে।

প্রিন্টিং পেপার্স কোম্পানি ২০১০ সালে মুনাফা করে ২৯ লাখ ৩৩ হাজার ৮৫৩ টাকা। ২০১১ সালে মুনাফা করে ১ কোটি ৪৬ লাখ ২১ হাজার ৭২ টাকা। এখান থেকে ২০১১-১২ অর্থবছরে ৮ কোটি টাকা ঋণ নেন বলে সেলিম প্রধান তার ব্যক্তিগত আয়কর নথিতে উল্লেখ করেছেন। তবে এই কোম্পানি থেকে কীভাবে ঋণ গ্রহণ করেছেন এ সংক্রান্ত কোনও রেকর্ডপত্র নেই তার কাছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2025 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS