1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫১ অপরাহ্ন
Title :
সাড়ে তিন মাস পর ব্যাংক থেকে ৫ কোটি ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক কুমিল্লা দাউদকান্দিতে নোহা গাড়িতে মিললো ১২০ কেজি গাঁজা, গ্রেপ্তার-২ লাইসেন্সবিহীন মেলাঞ্জ ইয়ার্ন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে পণ্য সরবরাহের অনুমতি আগস্টে রেমিট্যান্স এল ২৯৬ কোটি ডলার, প্রবৃদ্ধি প্রায় ২৩ শতাংশ স্থানীয় নির্বাচন: ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভোটার স্থানান্তরের সুযোগ আগস্টে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি বেড়েছে ১৩.১৪ শতাংশ দল শক্তিশালী তো সরকার শক্তিশালী: কুমিল্লায় পূর্তমন্ত্রী কালিয়ায় উপজেলা ভূমি অফিসের কর্মচারীর মাসুমের  বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে ৮ বছর বিদেশি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটের অবতরণ ২ কোটি টাকা পর্যন্ত টার্নওভার করমুক্ত, ৪ কোটি পর্যন্ত কর দশমিক ৫%

যে ৫ দিন রোজা রাখা নিষেধ!

  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ, ২০২৩, ৪.৩০ পিএম
  • ৩৩৬ Time View

ইসলামের পাঁচ স্তম্ভের মধ্যে রোজা অন্যতম। এজন্য আল্লাহ তায়ালা পুরো এক মাসই বরাদ্দ করে দিয়েছেন তার বান্দাদের। রমজান ছাড়াও বিভিন্ন নফল রোজা রাখেন সবাই। রোজা পালনকারীদের জন্য অনেক সওয়াব ও পুরস্কারের ঘোষণা রয়েছে কোরআন ও হাদিসে।

বছরে এক মাস রোজা রাখা ফরজ। এ ছাড়াও পুরো বছর প্রত্যেক সপ্তাহ, মাস ও বিশেষ দিনে বেশ কিছু নফল রোজা রয়েছে। যা পালনে বিশেষ সওয়াবের কথা বর্ণিত হয়েছে হাদিসে।

রমজানের ফরজ রোজার দিনগুলো ছাড়া যেকোনো দিন নফল রোজা রাখা যায়। তবে বছরে এমন পাঁচটি দিন রয়েছে, যে দিনগুলোতে ফরজ, নফল কোনও রোজাই রাখা যায় না। হাদিসে এদিনগুলোতে রোজা রাখাকে হারাম বলা হয়েছে।

দিনগুলো হলো-

১. ঈদুল ফিতরের (১ শাওয়াল) দিন।

২. ঈদুল আজহার (১০ জিলহজ) দিন এবং পরের দিন অর্থাৎ জিলহজ মাসের ১১, ১২ ও ১৩ তারিখ।

এই পাঁচদিন সব ধরনের রোজা রাখা হারাম বা নিষিদ্ধ। অবশ্য তামাত্তু বা কিরানকারী হাজিরা যদি কোনো কারণে কোরবানি দিতে অপারগ হয় তাহলে এর পরিবর্তে মক্কায় জিলহজ মাসের ১১, ১২ ও ১৩ তারিখে রোজা রাখবে।

উল্লেখ্য, বিরামহীনভাবে সারা বছর রোজা রাখা নিষেধ। কেউ সারা বছর নফল রোজা রাখতে চাইলে তার করণীয় হলো, বিরামহীনভাবে না রেখে এক দিন পরপর রাখা। এটি ছিল দাউদ (আ.) এর আদর্শ। রাসূল (সা.) এটিকে সর্বোত্তম পদ্ধতি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

আবু সাঈদ খুদরি (রা.) বলেন, ‘নবী (সা.) ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার দিন রোজা রাখতে নিষেধ করেছেন।’ (সহীহ বুখারী, হাদিস: ১৯৯২; মুসলিম, হাদিস: ৮২৭)

আরেকটি হাদিসে আবু উবাইদা (রা.) বলেন, আমি উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)-এর সঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করেছি। তিনি বলেছেন, এ দুই দিনে রোজা রাখাতে নবী (সা.) নিষেধ করেছেন। প্রথম দিন হলো- যখন তোমরা রোজা শেষ করো; আর দ্বিতীয় দিন হলো- যখন তোমরা কোরবানির গোস্ত খাবে। (বুখারী: ২/২৭২; হাদিস: ১৮৫১)

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com