সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:৪৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
ময়মনসিংহে গণভোট প্রচারণায় ভোটের গাড়ি প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন কুমিল্লা-৬ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী ইয়াছিন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে জামায়াত নেতা আবুল হাশেমের ইন্তিকাল আলীকদম বাজার, আলীকদম, বান্দরবানে ট্রাস্ট ব্যাংকের আলীকদম শাখার উদ্বোধন দেশের নাম্বার ওয়ান এসি ব্র্যান্ড ওয়ালটনের সঙ্গে যুক্ত হলেন নাম্বার ওয়ান পেসার তাসকিন আহমেদ রাঙ্গামা‌টি দূর্গম পাহাড়ী অঞ্চলে সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শীত উপহার বিতরণ অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: অস্ত্র জমা ও বহনে কড়াকড়ি নির্দেশনা সরকারের কুমিল্লা-৬ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী ইয়াছিন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেবেন নুরুল আলম, এস. এম. কুদ্দুস, মাহমুদুল হাসান সজল, মো. আকতারুজ্জামান আকতার, জামাল হোসেন রানা ও ইমাম হোসেন রিয়াদ-এর বহিষ্কারাদেশ এবং মো. আব্দুল মতিন-এর দলীয় পদ স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে স্বীয় পদে বহাল পুঁজিবাজারের স্বার্থে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে: বিএসইসি চেয়ারম্যান

যে ৫ দিন রোজা রাখা নিষেধ!

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ, ২০২৩
  • ২৬৮ Time View

ইসলামের পাঁচ স্তম্ভের মধ্যে রোজা অন্যতম। এজন্য আল্লাহ তায়ালা পুরো এক মাসই বরাদ্দ করে দিয়েছেন তার বান্দাদের। রমজান ছাড়াও বিভিন্ন নফল রোজা রাখেন সবাই। রোজা পালনকারীদের জন্য অনেক সওয়াব ও পুরস্কারের ঘোষণা রয়েছে কোরআন ও হাদিসে।

বছরে এক মাস রোজা রাখা ফরজ। এ ছাড়াও পুরো বছর প্রত্যেক সপ্তাহ, মাস ও বিশেষ দিনে বেশ কিছু নফল রোজা রয়েছে। যা পালনে বিশেষ সওয়াবের কথা বর্ণিত হয়েছে হাদিসে।

রমজানের ফরজ রোজার দিনগুলো ছাড়া যেকোনো দিন নফল রোজা রাখা যায়। তবে বছরে এমন পাঁচটি দিন রয়েছে, যে দিনগুলোতে ফরজ, নফল কোনও রোজাই রাখা যায় না। হাদিসে এদিনগুলোতে রোজা রাখাকে হারাম বলা হয়েছে।

দিনগুলো হলো-

১. ঈদুল ফিতরের (১ শাওয়াল) দিন।

২. ঈদুল আজহার (১০ জিলহজ) দিন এবং পরের দিন অর্থাৎ জিলহজ মাসের ১১, ১২ ও ১৩ তারিখ।

এই পাঁচদিন সব ধরনের রোজা রাখা হারাম বা নিষিদ্ধ। অবশ্য তামাত্তু বা কিরানকারী হাজিরা যদি কোনো কারণে কোরবানি দিতে অপারগ হয় তাহলে এর পরিবর্তে মক্কায় জিলহজ মাসের ১১, ১২ ও ১৩ তারিখে রোজা রাখবে।

উল্লেখ্য, বিরামহীনভাবে সারা বছর রোজা রাখা নিষেধ। কেউ সারা বছর নফল রোজা রাখতে চাইলে তার করণীয় হলো, বিরামহীনভাবে না রেখে এক দিন পরপর রাখা। এটি ছিল দাউদ (আ.) এর আদর্শ। রাসূল (সা.) এটিকে সর্বোত্তম পদ্ধতি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

আবু সাঈদ খুদরি (রা.) বলেন, ‘নবী (সা.) ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার দিন রোজা রাখতে নিষেধ করেছেন।’ (সহীহ বুখারী, হাদিস: ১৯৯২; মুসলিম, হাদিস: ৮২৭)

আরেকটি হাদিসে আবু উবাইদা (রা.) বলেন, আমি উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)-এর সঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করেছি। তিনি বলেছেন, এ দুই দিনে রোজা রাখাতে নবী (সা.) নিষেধ করেছেন। প্রথম দিন হলো- যখন তোমরা রোজা শেষ করো; আর দ্বিতীয় দিন হলো- যখন তোমরা কোরবানির গোস্ত খাবে। (বুখারী: ২/২৭২; হাদিস: ১৮৫১)

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS