শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ০৯:১৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
চুয়াডাঙ্গার কৃতি সন্তান ও হোটেল অবকাশ এর মালিক ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ অ্যাড: আবু সাঈদ জো: নিপুর ইন্তেকাল খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি ও দ্রুত সুস্থতা কামনায় দোয়া চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা মাইনুল হাসান সোহেলের বিরুদ্ধে মামলায় ইআরএফ এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ কেটে ফেলো শয়তানি ঘাড়: তাছলিমা আক্তার মুক্তা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বালিয়াডাঙ্গী-হরিপুর ও কাশিপুর,র্ধমগড় ইউনিয়নে বিএনপির একাধিক প্রার্থী একক প্রার্থীতে উজ্জল স্মভবনা জামায়াতের ইসমাইল হোসেন আল আমিন হত্যার বিচার এই মাটিতেই হবে: শেখ রবিউল আলম ‘ধর্ম সুরক্ষা আইন’ করুন : মোমিন মেহেদী রাস্তাবিহীন ৫৭ লাখ টাকার সেতু—নয় বছরেও সংযোগ সড়ক নেই, গোবর শুকানোর মাঠে পরিণত ব্রিজ কালিয়ায় ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে মাবনবন্ধন সিলেটের রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি! নেপথ্যে যুবলীগ নেতা রাণা ও জুলহাস বাহিনী

ফখরুল ও আব্বাসের মুক্তিতে বাধা নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : রবিবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ২০২ Time View

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের বেঞ্চ এ আদেশ দিয়েছেন। তাই তাদের মুক্তিতে কোনো বাধা নেই।

আজ রোববার (৮ জানুয়ারি) সকালে হাইকোর্টের দেয়া ছয় মাসের জামিনের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের চার বিচারপতির বেঞ্চে এ আবেদনের ওপর শুনানি করেন।

বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সমাবেশ ও স্থান নির্ধারণ নিয়ে সৃষ্ট উত্তেজনার মধ্যে গত ৭ ডিসেম্বর নয়াপল্টনে জমায়েত হওয়া বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে একজনের মৃত্যু ও শতাধিক আহত হন। সেদিন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে হাতবোমা ছোড়া হয়েছে— এমন অভিযোগ তুলে ওই কার্যালয়ের ভেতরে অভিযান চালায় পুলিশ। গ্রেফতার করা হয় কেন্দ্রীয় কয়েকজন নেতাসহ কয়েকশ নেতাকর্মীকে। পরদিন রাতে মির্জা ফখরুলকে উত্তরার বাড়ি থেকে আটক করা হয়। একই রাতে আটক করা হয় মির্জা আব্বাসকে। পরদিন ৯ ডিসেম্বর পুলিশের ওপর হামলা ও উসকানি দেয়ার মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। আদালত তাদের জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠান। এরপর ১২ ডিসেম্বরও তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর হয়। এ সময় তদন্ত কর্মকর্তা কয়েক দফা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশি হেফাজতে নেয়ার আবেদন জানালেও রিমান্ড নামঞ্জুর করেন আদালত। পরে ১৫ ও সর্বশেষ ২১ ডিসেম্বর তাদের জামিন আবেদন নাকচ হয়। এর পরই উচ্চ আদালতে জামিন আবেদন করা হয়।

গত ৩ জানুয়ারি বিচারপতি মো. সেলিম ও বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খানের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল জারি করে মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাসকে ছয় মাসের জামিন দেন। পরদিন বুধবার জামিনাদেশ স্থগিতাদেশ চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। ওইদিন আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ওপর আজ আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠানোর আদেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন, সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সারওয়ার হোসেন বাপ্পী।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2025 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS