রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
ফেনীতে বাস-অ্যাম্বুলেন্স-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ৩ ভাসমান ১৭০ মিলিয়ন ব্যারেল ইরানি তেল, বাজারে স্বস্তির আভাস ঈদ উপলক্ষে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কবর জিয়ারত তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রীর পরিবার ও ড. ইউনূসের মধ্যে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় গোলাপগঞ্জের প্রথম সাপ্তাহিক গোলাপ পত্রিকার সম্পাদক আখতারুজ্জামান মারা গেছেন, বৃহত্তর সিলেট জেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের শোক ইরানের কিছু তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করল যুক্তরাষ্ট্র উৎসবের দিনে আবহাওয়ার চ্যালেঞ্জ, বৃষ্টি থাকতে পারে আরও একদিন ৮১ হাজার বন্দির ঈদ কারাগারে, উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভিআইপি ডক্টরস ক্লাব অব ভৈরবের নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি মাসুদ ও সম্পাদক নজরুল দিনাজপুরের গোর-এ-শহীদ ময়দানে দেশের বৃহত্তম ঈদ জামাত

পরিবেশবান্ধব শিল্পায়ন বাস্তবায়নে কাজ করছে বেসরকারি খাত

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ২০২ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক: পরিবেশবান্ধব শিল্পায়ন বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে বেসরকারি খাত কাজ করছে বলে জানিয়েছেন দেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন।

স্থানীয় সময় সোমবার (৫ ডিসেম্বর) লন্ডনের ম্যানশন হাউসে কমনওয়েলথ ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সামিট ২০২২-এ ‘ফিন্যান্সিয়াল অ্যান্ড প্রফেশনাল সার্ভিসেস– দ্যা রোল অব স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড রেগুলেশনস অন দ্যা রোড টু নেট জিরো’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, বিশ্বের সর্বনিম্ন নির্গমনকারী দেশ হওয়া সত্ত্বেও নির্গমন নিয়ন্ত্রণের বৈশ্বিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ২০৩০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ ৮৯ দশমিক ৪৭ মিলিয়ন টন কমাতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যা ২১ দশমিক ৮৫ শতাংশ কার্বন ডাই অক্সাইডের সমান।

সেই লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ, পরিবহন, শিল্প, গৃহস্থালি, বাণিজ্যিক, কৃষি, ইটভাটা এবং ধাবমান নির্গমনের মতো জ্বালানি খাত থেকে ৯৬ দশমিক ১ শতাংশ নির্গমন কমাবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। অবশিষ্ট ৩ দশমিক ৯ শতাংশ কৃষি ও পশুসম্পদ, বনায়ন এবং নগরের কঠিন বর্জ্য থেকে কমানো হবে বলে জানান এফবিসিসিআই সভাপতি।

পরিবেশবান্ধব শিল্পায়ন বাস্তবায়নে বেসরকারি খাতের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকার কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পরিবেশবান্ধব মান বজায় রাখতে বাংলাদেশের শিল্পকারখানাগুলো উদ্ভাবনমূলক কার্যক্রম হাতে নিয়েছে।
এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, বিশ্বব্যাপী গ্রিনহাউস গ্যাস (জিএইচজি) নির্গমনে বাংলাদেশের বর্তমান অবদান মাত্র শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ, কার্বন নির্গমনের অংশ মাত্র শূন্য দশমিক ০৯ শতাংশ।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে বাংলাদেশ একটি জাতীয় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে, যার মধ্যে ৯০টি উচ্চ-অগ্রাধিকারসহ মোট ১১৩টি পদক্ষেপ রয়েছে। এগুলো বাস্তবায়নে ২০৫০ সাল নাগাদ ২৩০ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন।

মো. জসিম উদ্দিন আরও বলেন, বিশ্ব অর্থনীতিকে কার্বন নিঃসরণের ক্ষেত্রে নেট-জিরোতে রূপান্তর করতে এবং জলবায়ু বিপর্যয় এড়াতে ২০৫০ সালের মধ্যে প্রায় ৫০ ট্রিলিয়ন ডলারের ক্রমবর্ধমান বিনিয়োগ প্রয়োজন।

জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত জাতিসংঘের ২৭তম (কপ-২৭) সম্মেলনে জলবায়ু অর্থায়নের ওপর বাংলাদেশ জোর দিয়েছে উল্লেখ করে এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ, সবুজ বা নীল বন্ডের মতো উদ্ভাবনী অর্থায়ন, ঝুঁকি স্থানান্তর প্রক্রিয়া বা বিমার সমন্বয়ের মাধ্যমে জলবায়ু অর্থায়নকে চালিত করা যেতে পারে।

সবুজায়ন এবং বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় অর্থায়নে বহুপাক্ষিক তহবিল গঠন ভালো বিকল্প হতে পারে।
প্যারিস চুক্তির (২০১৫) অনুচ্ছেদ ৯ অনুযায়ী বাংলাদেশের মতো উচ্চ জলবায়ু ঝুঁকিপ্রবণ দেশে জলবায়ু অর্থায়নের বৈষম্য কমিয়ে আনতে গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড বা জিসিএফের মতো আন্তর্জাতিক জলবায়ু তহবিলের বিশ্বস্ত মানগুলো পুনর্বিবেচনা করা এবং শিথিল করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

পাশাপাশি সিম্পলিফাইড অ্যাপ্রোভাল প্রোসেস-এসএপি এবং বাজেট কাঠামোতে আন্তর্জাতিক তহবিলের জন্য একটি বর্ধিত কোটা কমনওয়েলথের মাধ্যমে চালু এবং জনপ্রিয় করা প্রয়োজন বলে মত দেন এফবিসিসিআই সভাপতি। এসময় পরিকল্পনা এবং মানগুলোকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার জন্য কমনওয়েলথে সবার একত্রে কাজ করার ওপর জোর দেন তিনি।

অবকাঠামো, প্রযুক্তি, দক্ষতা, এবং কার্যকরী ব্যবসায়িক মডেলগুলোর অনুসরণসহ ক্লিন এনার্জি সাপ্লাই চেইনের বিভিন্ন পর্যায়ে যৌথ অংশীদারত্বের জন্য কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনা এবং সম্ভাব্য সম্পৃক্ততার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন এফবিসিসিআই সভাপতি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS