1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০১ পূর্বাহ্ন
Title :
আরোগ্যর সাথে বাংলালিংকের অংশীদারিত্ব, অরেঞ্জ ক্লাব সদস্যরা উপভোগ করবেন বিশেষ সুবিধা বাংলাদেশে শাওমি টিভি এস প্রো মিনি এলইডি ও শাওমি টিভি এক্স মিনি এলইডি নিয়ে এলো শাওমি বিনিয়োগকারীদের নগদ লভ্যাংশ বিতরণে ওয়ালটন হাই-টেকের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন আইএফআইসি ব্যাংকে অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে যোগদান করলেন ইমরান আহমেদ ইসলামী ব্যাংকের শরী’আহ সুপারভাইজরি কমিটির সভা অনুষ্ঠিত পাঁচ বছরে ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা গড়েছে কনফিডেন্স পাওয়ার হায়ার বাংলাদেশ লিমিটেডের স্ট্র্যাটেজিক কমিউনিকেশন পার্টনার ব্ল্যাকবোর্ড স্ট্র্যাটেজিস ইবনে সিনা ন্যাচারাল মেডিসিনের কারখানায় অগ্নিকাণ্ড, ক্ষতি ২৫ কোটি টাকা প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী চলছে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি: ইয়াসের খান চৌধুরী চট্টগ্রাম বন্দরে বিপজ্জনক রাসায়নিকের স্তূপ, যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা

বাজেটকে কেন্দ্র করে নানা আশা-নিরাশার দোলাচল চলছে স্টেকহোল্ডারদের

  • আপডেট : বুধবার, ৮ জুন, ২০২২, ৯.৩৬ পিএম
  • ২০৬ Time View

আরও একটি নতুন বাজেট আসছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আহম মুস্তফা কামাল। আর এই বাজেটকে কেন্দ্র করে নানা আশা-নিরাশার দোলাচল চলছে।

বিভিন্ন খাতের স্টেকহোল্ডাররা নিজ নিজ খাতের স্বার্থে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও অর্থমন্ত্রণালয়ের কাছে ইতোপূর্বে নানা প্রস্তাবনা জমা দিয়েছেন। অংশ নিয়েছেন এনবিআরের সাথে বাজেট সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায়। এসব সভায় তারা তাদের দাবি/সুপারিশ/প্রস্তাবনার পক্ষে নানা যুক্ত তুলে ধরেছেন। ঘোষিত বাজেটে এসব প্রস্তাবনা বা দাবি কতটুকু প্রতিফলিত হয়, তার জন্য চলছে শেষ মূহূর্তের অপেক্ষা।

অন্যান্য স্টেকহোল্ডারের মতো পুঁজিবাজারের স্টেকহোল্ডাররাও বাজেট নিয়ে তাদের প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন। এনবিআরের কাছে কাছে নানা সুপারিশ ও প্রস্তাব জমা দিয়েছেন। এসব স্টেকহোল্ডারের মধ্যে আছে-ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই), ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন (ডিবিএ) ও বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ)। এসব সংগঠনের প্রধান দাবি বা প্রস্তাবগুলো নিচে তুলে ধরা হল-

কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ

পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট প্রায় সব স্টেকহোল্ডারের কমন দাবি এটি। তারা চান, আগামী অর্থবছরের বাজেটে যেন পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের মাধ্যমে কালো টাকা (তাদের ভাষায়-অপ্রদর্শিত অর্থ) সাদা করার সুযোগ রাখা হয়। পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করার ক্ষেত্রে মাত্র ৫ থেকে ১০ শতাংশ আয়কর ধার্য করার প্রস্তাব দিয়েছেন তারা।

কালো টাকা বিনিয়োগের পক্ষে স্টেকহোল্ডারদের যুক্তি, বিনা প্রশ্নে পুঁজিবাজারে কালোটাকা বিনিয়োগের সুযোগ দিলে বাজার যেমন শক্তিশালী হবে, তেমনই সরকারের রাজস্ব আয় বাড়বে। পাশাপাশি অর্থ পাচারও কমবে।

তালিকাভুক্ত কোম্পানির কর হ্রাস

পুঁজিবাজারে ভালো ভালো কোম্পানির তালিকাভুক্তকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে তালিকাভুক্ত কোম্পানির কর হার আর সাড়ে ৭ শতাংশ কমানোর প্রস্তাব করেছেন তারা। বর্তমানে এমব কোম্পানিকে সাড়ে ২২ শতাংশ কর দিতে হয়। তাদের প্রস্তাবনা-এটিকে কমিয়ে যেন ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়।

কর হার হ্রাসের পক্ষে তাদের যুক্তি, বর্তমানে তালিকাভুক্ত ও তালিকা-বহির্ভূত কোম্পানির মধ্যে কর হারের ব্যবধান খুবই কম। তাই ভালো কোম্পানিগুলো এই বাজারে আসতে আগ্রহী নয়। কারণ পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হলে নানা ধরনের কমপ্লায়েন্স পরিপালন করতে হয়। এতে কোম্পানিগুলোকে বাড়তি অর্থ ব্যয় করতে হয়। ফলে কর রেয়াতের প্রকৃত কোনো সুবিধা পাওয়া যায় না।

তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর করহার কমিয়ে তালিকা-বহির্ভূত কোম্পানিগুলোর সাথে করের ব্যবধান বাড়ানো হলে করসুবিধা নেওয়ার জন্য ভাল কোম্পানিগুলো পুঁজিবাজারের প্রতি আগ্রহী হবে। এতে একদিকে পুঁজিবাজার সমৃদ্ধ হবে, অন্যদিকে বাজারে লেনদেন বালে সেখান থেকে এনবিআর বাড়তি কর সগ্রহ করতে পারবে।

তাছাড়া পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হলে কোম্পানিগুলোর স্বচ্ছতা-জবাবদিহীতা বাড়ে। নানা সংস্থার মনিটরিংয়ে থাকতে হয়। ফলে কর ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ কমে আসে। তাতে সরকারের কর পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

দ্বৈত কর প্রত্যাহার

স্টেকহোল্ডাররা তালিকাভুক্ত কোম্পানির লভ্যাংশ বাবদ আয় থেকে কেটে রাখা করকে চূড়ান্ত কর হিসেবে বিবেচনা করার প্রস্তাব দিয়েছেন।

নিয়ম অনুসারে, প্রতিটি কোম্পানিকে তার আয়ের উপর কর দিতে হয়। এরপর নিট মুনাফা নির্ধারিত হয়। ওই মুনাফা থেকে কোম্পানি লভ্যাংশ ঘোষণা করলে ওই লভ্যাংশ বিতরণের সময় ১০ থেকে ১৫ শতাংশ হারে অগ্রিম কর কেটে রাখা হয়। পরবর্তী সময়ে আবার লভ্যাংশ গ্রহীতার ব্যক্তিগত আয়কর রিটার্নের সময় তার ওপর প্রযোজ্য হারে কর দিতে হয়। এর ফলে বিনিয়োগকারীরা লভ্যাংশ গ্রহণ না করে রেকর্ড তারিখের আগেই শেয়ার বিক্রয় করে দেয়, যা পুঁজিবাজারকে অস্থির করে তুলে। এভাবে কর প্রদান দ্বৈত কর নীতির আওতায় পড়ে। এক্ষেত্রে অগ্রিম করকে চূড়ান্ত কর হিসাবে বিবেচনা করার জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com