1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫২ অপরাহ্ন
Title :
আরোগ্যর সাথে বাংলালিংকের অংশীদারিত্ব, অরেঞ্জ ক্লাব সদস্যরা উপভোগ করবেন বিশেষ সুবিধা বাংলাদেশে শাওমি টিভি এস প্রো মিনি এলইডি ও শাওমি টিভি এক্স মিনি এলইডি নিয়ে এলো শাওমি বিনিয়োগকারীদের নগদ লভ্যাংশ বিতরণে ওয়ালটন হাই-টেকের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন আইএফআইসি ব্যাংকে অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে যোগদান করলেন ইমরান আহমেদ ইসলামী ব্যাংকের শরী’আহ সুপারভাইজরি কমিটির সভা অনুষ্ঠিত পাঁচ বছরে ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা গড়েছে কনফিডেন্স পাওয়ার হায়ার বাংলাদেশ লিমিটেডের স্ট্র্যাটেজিক কমিউনিকেশন পার্টনার ব্ল্যাকবোর্ড স্ট্র্যাটেজিস ইবনে সিনা ন্যাচারাল মেডিসিনের কারখানায় অগ্নিকাণ্ড, ক্ষতি ২৫ কোটি টাকা প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী চলছে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি: ইয়াসের খান চৌধুরী চট্টগ্রাম বন্দরে বিপজ্জনক রাসায়নিকের স্তূপ, যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা

খালেদা জিয়াকে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দাওয়াত দিতে কোনো আইনি বাধা নেই: আইনমন্ত্রী

  • আপডেট : সোমবার, ৬ জুন, ২০২২, ১০.৩৮ এএম
  • ১৯২ Time View

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক জানিয়েছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দাওয়াত দিতে কোনো আইনি বাধা নেই।

রোববার (৫ জুন) রাজধানীতে বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের আয়োজনে ১৪৬তম রিফ্রেসার কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়ার ব্যাপারে দুটি শর্ত আছে, তা হলো- তিনি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চিকিৎসা গ্রহণ করবেন আর বিদেশে যেতে পারবেন না। সে কারণে পদ্মা সেতু উদ্বোধনের সময় তাকে দাওয়াত দিতে আইনি কোনো বাধা নেই।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার বিদ্বেষের বশীভূত হয়ে কারও প্রতি কোনো ‘অ্যাকশন’ নেন না। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে খালেদা জিয়া ও তার পুত্রদ্বয়ের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা দেওয়া হয়েছিল। সেগুলো দুদকের তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে।

আনিসুল হক বলেন, দুদক একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। ২০০৪ সালের আইনের পরে ২০০৬ সাল পর্যন্ত দুদককে চেয়ার-টেবিলও দেয়নি বিএনপি সরকার। ২০০৭ সালে এটাকে প্রকৃত কার্যকর করা হয়েছে।

বিচার বিভাগের বাজেট বাড়ানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যুক্তিসংগত যেকোনো প্রয়োজনে অর্থ দিতে অর্থ মন্ত্রণালয় কার্পণ্য করবে না। জাতীয় বাজেটে আইন মন্ত্রণালয়কে যে টাকা দেওয়া হয়, আগে কোনো সরকার তা দেয়নি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারই প্রথম বিচারকদের প্রশিক্ষণের জন্য অর্থ বরাদ্দ দিয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টে ই-জুডিশিয়ারি প্রকল্পের একটি অংশ বাস্তবায়নের জন্য ২১৭ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। এটা আইন মন্ত্রণালয়ের নামে বরাদ্দ মূল বাজেটের বাইরে।

এর আগে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় আইনমন্ত্রী বলেন, বাকস্বাধীনতা ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা বন্ধ করার জন্য ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করা হয়নি। সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধ করার জন্য এই আইন করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com