1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৫৫ অপরাহ্ন
Title :
ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (TOAB)-এর নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির শপথ গ্রহণ বিদেশি ঋণ পরিশোধে নতুন রেকর্ড, এক বছরে ৪৪৯ কোটি ৪০ লাখ ডলার জুলাইয়ে দেশে এলো ২৮৫ কোটি ৯০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত ৪২৩, প্রাণ গেল আরও দুজনের সন্ধ্যার পর ‘সিটিং সার্ভিসের নামে অতিরিক্ত ভাড়া নৈরাজ্য বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানিয়েছেন মোস্তানছিরুল হক চৌধুরী জৈন্তাপুর সারী ৩ বালু মহালে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের প্রমান মেলেনি, সরেজমিন পরিদর্শন উপজেলা প্রশাসন সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দরপতনের শীর্ষে এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দরবৃদ্ধির শীর্ষে গ্রীন ডেল্টা মিউচুয়াল ফান্ড সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে লেনদেনের শীর্ষে মালেক স্পিনিং মিলস বিক্রয় ও মুনাফায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিতে কর্মকর্তাদের পুরস্কৃত করলো ওয়ালটন

বিদেশি ঋণ পরিশোধে নতুন রেকর্ড, এক বছরে ৪৪৯ কোটি ৪০ লাখ ডলার

  • আপডেট : সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৩.১৮ পিএম
  • ৬০ Time View

বিদায়ী ২০২৫–২৬ অর্থবছরে বিদেশি ঋণের সুদ ও আসল মিলিয়ে প্রায় ৪৪৯ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। একই সময়ে বিদেশি ঋণের ছাড় ও নতুন ঋণের প্রতিশ্রুতি কমে যাওয়ায় অর্থনীতিতে ঋণ পরিশোধের চাপ আরও বাড়ছে।

রোববার (২ আগস্ট) বিদেশি ঋণ ছাড়, প্রতিশ্রুতি ও ঋণ পরিশোধসংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি)।

ইআরডির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদায়ী অর্থবছরে সুদ ও আসল মিলিয়ে মোট ৪৪৯ কোটি ৪০ লাখ ডলার পরিশোধ করা হয়েছে। এর মধ্যে ঋণের আসল বাবদ ২৯৫ কোটি ডলার এবং সুদ বাবদ ১৫৪ কোটি ডলার পরিশোধ করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রতি মাসে গড়ে ৩৭ কোটি ৫০ লাখ ডলারেরও বেশি ঋণ শোধ করতে হয়েছে।

এর আগে ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বিদেশি ঋণ পরিশোধের পরিমাণ ছিল ৪০৯ কোটি ডলার। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বড় বড় অবকাঠামো প্রকল্পের ঋণের কিস্তি পরিশোধ শুরু হওয়ায় বৈদেশিক ঋণের দায় দ্রুত বাড়ছে, যা অর্থনীতির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে।

অন্যদিকে, ঋণ পরিশোধ বাড়লেও কমেছে বিদেশি ঋণের ছাড় ও নতুন প্রতিশ্রুতি। বিদায়ী অর্থবছরে ঋণ ছাড় হয়েছে ৮০৭ কোটি ডলার, আর নতুন ঋণের প্রতিশ্রুতি এসেছে ৮৩২ কোটি ডলার।

ঋণ ছাড়ের ক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে বিশ্বব্যাংক, যারা ২০৭ কোটি ডলার ছাড় করেছে। দ্বিতীয় অবস্থানে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), যার ছাড়ের পরিমাণ ১৯১ কোটি ডলার। তৃতীয় অবস্থানে থাকা রাশিয়া দিয়েছে ১০৫ কোটি ডলার। তবে বিদায়ী অর্থবছরে ভারত ও চীন নতুন কোনো ঋণের প্রতিশ্রুতি দেয়নি।

ইআরডির তথ্য অনুযায়ী, গত ১৪ বছরে বিদেশি ঋণ পরিশোধ প্রায় চার গুণ বেড়েছে। ২০১২–১৩ অর্থবছরে বাংলাদেশ মোট ১১০ কোটি ডলার ঋণ পরিশোধ করেছিল। ২০২১–২২ অর্থবছরে তা বেড়ে ২০১ কোটি ডলার, ২০২২–২৩ অর্থবছরে প্রায় ৩০০ কোটি ডলার এবং ২০২৫–২৬ অর্থবছরে প্রায় ৪৫০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী বছরগুলোতে ঋণ পরিশোধের চাপ আরও বাড়তে পারে। কারণ, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, হজরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল, কর্ণফুলী টানেল এবং মেট্রোরেল প্রকল্পসহ বেশ কয়েকটি বড় প্রকল্পের ঋণের কিস্তি পরিশোধ শুরু হয়েছে বা শিগগিরই শুরু হবে।

ইআরডির কর্মকর্তাদের মতে, বিভিন্ন মেগা প্রকল্পের ঋণের গ্রেস পিরিয়ড শেষ হয়ে যাওয়ায় আগামী বছরগুলোতে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপ আরও বৃদ্ধি পাবে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com