মো: ইউসুফ আলী, হরিপুর (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: জেলা সদর হতে ৬৫ কিঃমিঃ দক্ষিনে উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন পাখি ডাকা শান্ত পরিবেশের মধ্যেখানে দিঘীটি খনন করেন তৎকালীন হরিপুরের জমিদার। এলাকা বাশি জানায় পুকুরটি খননের সময়কাল থেকে অদবধি পানি শুকিয়ে যায়নি, পুকুরটির খতিয়ান নং ১ দাগনং ৮৯৩,জমির পরিমান ২.৯৩শতক । উপজেলা র্নিবাহী অফিসার জানান,এই পুকুর ডাক দেওয়া হয় না, এটি উপজেলা পরিষদ কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত এবং সাহেরত ফরমেটের আওতার বাইরে । বীর মক্তিযোদ্ধা নগেন পাল সহ আরো অনেকে জানালেন যে, টিকিটের মাধ্যমে ছিপ বা হুইল ছিপের সাহায্যে এখানে মাচ শিকার করা হতো ।
২০২০/২০২১, অর্থবছরে এ ডি পি খাত থেকে পুনরায় পুকুরটি সংস্কার বাবত ৫ লক্ষ টাকা ব্যায় করা হয়। খনন কাজটি পরিচালনা ও সংস্কারের র্সাবিক পরিচালনা করেন তৎকালনি উপজেলা র্নিবাহী অফিসার আব্দুল করিম । তিঁনি এ উপজেলায় যোগদান করেন ২৫/৮/২০১৯ এবং প্রস্থান করেন ২৯/৫/২০২২ তারিখে । বিভিন্ন এলাকার আগত দর্শনার্থী পদচারনায় মুখোরীত হয়ে উঠত । এই দিঘিতে চলাচলের সুবিধা থাকায় প্রতিদিন সন্ধা কালীন ও প্রাত; সকালবেলা অফিস স্টাফের এবং স্থানীয় নারী ও পুরুষ অনেকেয় ,ডায়াবেটিস/বহুমুত্র রোগের রুগী,উচ্চ চাপ জনিত রুগীগণ নিয়মিত ভাবে হাটা-হাটি করতো। আজ সেটি বিলীন হতে চলেছে। দেখার যেন কেউ নাই ?
জনসাধারনের চলাচলের সুবিধার জন্য দিঘীর চার পাড়ের উপর ঢালায় দিয়ে উপরে বিট টালী /টাইলস স্থাপন করানোকালে শীত /র্বষা উভয় মওসুমে জনসাধারণের চলাচলে সুবিধ হয়েছে বটে।
দিঘীর সমস্যাঃ বর্তমানে রাস্তার সাইডের কোথাও কোথাও মাঝের প্লেট উঠেগিয়ে খাল খন্দেকে পরিনত হতে চলেছে। টাইলস/টাইলের প্লেটগুলো অনেক স্থানে ভেঙ্গে পড়েছে। দিঘীর চার ধারে সিমেন্টের পিলার/খুটি,তারের বেড়া দিয়ে ধারে ধারে মালটা, কমলালেবু,ড্রাগন,কাজুবাদাম,বিভিন্ন প্রজাতির ফলবান বৃক্ষ,ফুলের গাছ রোপন করানো হয়েছিল। কিছু গাছ থাকলেও পরির্চযা ও সংরক্ষণের অভাবে তারের বেড়া খুটি ভেঙ্গে পড়ায় সংরক্ষণের অভাবে সৌর্ন্দয বিলীন হতে বসেছে। তৎকালিন র্নিবাহী অফিসার আব্দুল করিম সাহেব আজ যদি পুকুর পাড়ে দাড়িয়ে সেই পুকুর টি দেখতেন তাঁর দুনয়ন দিয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ত । দিঘীর দক্ষিন পূর্বকোনে একটি র্নাসারী রয়েছে,তার র্পাসে অনেকগুলো তালগাছের শিশু চারা রয়েছে। এই ছোট গাছ গুলো পানি ও পরির্চযার জন্য মিনতি করছে। কে শুনবে তাদের র্আতনাদ ?
এব্যাপারে উপজেলা র্নিবাহী অফিসার চন্দন কর – এর সহিত যোগাযোগ করলে তিঁনি অত্র প্রতিবেদকে অবহীত করেন যে , দিঘীর তিন দিকে মজবুত করে সীমানা প্রচীর ,লইটিং , সি সি ক্যমেরা,স্থাপন করার পর মাদকসেবীদের উৎখাত করতে পাকা রাস্তাটি মেরামত করে জনর্দুভোগ কমাতে চেস্টা করব। এ ব্যাপারে এলাকা বাশি জানান যে, আরো বরাদ্ধ দিয়ে পুকুরটির উন্নয়ন করা দরকার।