ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার সাতমোড়া গ্রামের পল্লী চিকিৎসক ও সাবেক ছাত্রদল নেতা জালাল পাশাকে একটি মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তাঁর পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা।
স্বজনদের দাবি, স্থানীয় বাসিন্দা গোলাপ মিয়া সাদ্দাম তাঁর স্ত্রী পপি আক্তারকে বাদী করে দায়ের করা একটি মামলায় জালাল পাশাকে আসামি করা হয়েছে। তাদের ভাষ্য, জালাল পাশা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক, জুয়া ও বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতেন। এ কারণে সাদ্দাম তার স্ত্রীকে বাদী করে ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা থেকে তাঁর বিরুদ্ধে গাজীপুরের একটি আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন।
স্থানীয়দের মতে, জালাল পাশা সাতমোড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সভাপতি, সাতমোড়া বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক, সাতমোড়া ঈদগাহ কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এবং নবীনগর উপজেলা জিয়া মঞ্চের সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এলাকায় সামাজিক কর্মকাণ্ড এবং মাদকবিরোধী অবস্থানের কারণে তিনি পরিচিত মুখ বলে দাবি করেন তাঁর সমর্থকরা।
পরিবারের সদস্যরা জানান, বর্তমানে জালাল পাশা কারাগারে রয়েছেন। তাদের দাবি, মামলাটি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হলে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত হবে। তারা তাঁর দ্রুত মুক্তি এবং ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
অন্যদিকে, এ বিষয়ে অভিযোগের বিষয়ে গোলাপ মিয়া সাদ্দাম ও পপি আক্তারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
এ ছাড়া, নবীনগর থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার আনুষ্ঠানিক বক্তব্যও পাওয়া যায়নি। বক্তব্য পাওয়া গেলে সেটিও সংযুক্ত করা হবে।
উল্লেখ্য, প্রতিবেদনে উল্লিখিত অভিযোগগুলো অভিযোগকারী পক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিষয়টির সত্যতা নির্ধারণ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভরশীল।