
মোঃ নাজমুল ইসলাম মিলন, দিনাজপুর প্রতিনিধি: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম বলেছেন, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রনালয়ের অধিনস্থ যে সমস্ত প্রতিষ্ঠান বন্ধ আছে, পর্যায়ক্রমে সেগুলো যাতে চালু হয় সেজন্য আমরা কাজ শুরু করেছি। তিনি বলেন, অনেক জুট মিল আছে, টেক্সটাইল মিল আছে যেগুলোতে অনেক জমি পড়ে আছে, আমরা সেগুলো প্রাইভেট সেক্টরে হোক বা দেশী বিদেশী ইনভেস্টর এনে আমরা চালু করার লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছি।
১২ এপ্রিল রোববার সকাল সাড়ে ৮ টায় বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মোঃ শরীফুল আলম দিনাজপুর টেক্সটাইল মিল পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী এসময় আরো বলেন, দিনাজপুর টেক্সটাইল মিল দিনাজপুরের মানুষের গর্বের একটা প্রতিষ্ঠান ছিলো। অনেকদিন যাবত এটা বন্ধ আছে। বর্তমান সরকারের
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারেও ছিলো, আমাদের বন্ধ প্রকল্প গুলো চালু করা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। এই লক্ষ্যে আমরা কাজ শুরু করেছি। বস্ত্র ও পাট মন্ত্রনালয়ের অধিনস্থ যে সমস্ত প্রতিষ্ঠান এভাবে আছে (বন্ধ আছে), পর্যায়ক্রমে সেগুলো যাতে চালু হয় সেজন্য কাজ শুরু করেছি। আমরা আজকে দিনাজপুর টেক্সটাইল মিল পরিদর্শনে এসেছি। গত কালকে রাজশাহী টেক্সটাইল মিল পরিদর্শন করেছি এবং এটার পরে নীলফামারী জেলার দারওয়ানী টেক্সটাইল মিল পরিদর্শন করবো। আমরা এখানে পিপিপি এর মাধ্যমে দেশী-বিদেশী ইনভেস্টর এনে আমরা এটাকে চালু করার প্রক্রিয়াধীনে আছি।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, খুব বেশী দেরী হবেনা। এটা ইন্টারন্যাশনাল টেন্ডার হয়েছে। আশাকরি দ্রুত সময়ের মধ্যে এটা আবার কর্মচাঞ্চল্য ফিরে পাবে।
এ সময় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব মিস বিলকিস জাহান রিমি, বাংলাদেশ সরকারের যুগ্ম সচিব ও বিটিএমসি ডাইরেক্টর কমার্স এইচএম নুরুল ইসলাম, বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিল কর্পোরেশনের প্রকল্প পরিচালক বিটিএমসি সচিব কাজী ফিরোজ হোসেন, দিনাজপুর জেলা প্রশাসক মোঃ রফিকুল ইসলাম, দিনাজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনামিকা পাল, দিনাজপুর টেক্সটাইল মিলের ব্যবস্থাপক মোঃ সাইফুল ইসলাম, টেক্সটাইল শ্রমিক ইউনিয়নের প্রাক্তন সভাপতি লাল মোহন সহ সরকারের উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, দিনাজপুর সদর উপজেলার সদরপুরে ৩৬ দশমিক ৫৪ একর জুড়ে অবস্থিত টেক্সটাইল মিলটি ১৯৭৫ সালে স্থাপিত হয়। ১ হাজার ৩৫০ জন শ্রমিক নিয়ে এটি যাত্রা শুরু করে শুরুতে লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে চালু থাকলেও পরবর্তীতে নানা আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় প্রতিষ্ঠানটি লোকসান দিতে শুরু করে। ২০০৭ সালে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেলে এখানে কর্মরত সহস্রাধিক শ্রমিক বেকার হয়ে যায়।
Design & Developed By: ECONOMIC NEWS
Leave a Reply