1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ১২:৩৮ অপরাহ্ন
Title :
ডিজিটাল রূপান্তরের নতুন বাস্তবতা আলোচনার মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হলো ১২তম ডিজিটাল সামিট কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে দুইজনের কারাদণ্ড টেকনাফ হ্নীলার নাটমুড়া পাড়ার আইয়ুব- ১৭ হাজার ৭২৫ পিস ইয়াবাসহ হাটহাজারীতে আটক আবারও চট্টগ্রাম ভাসল; মাত্র পৌনে এক ঘণ্টার বৃষ্টিতে চরম ভোগান্তিতে নগরবাসী জীবননগর উপজেলা আইসিটি অফিসারের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে দুই বাসের সংঘর্ষে নিহত-১ স্বপ্নজয়ী সংগঠনের উদ্যোগে বিধবা বৃদ্ধ মা পেলেন ঘর মেম্বারদের অনাস্থা, চেয়ারম্যানের দাবি আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে অপপ্রচার আপনার টিম কি পারফেক্ট শট নিয়েছে? তাহলে ‘শ্যুট অ্যান্ড উইন’-এ অংশ নিতে চলে আসুন অপো স্টোরে! রাঙ্গামাটি জেলা আইনজীবী সহকারী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে -সহ সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ কামাল পাশা

মাধবপুরে চড়া দামে সার কিনে হতাশ কৃষক, দেখার কেউ নেই

  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১১.২১ পিএম
  • ৬৯ Time View

হবিগঞ্জের মাধবপুরে খোলা বাজারে সারের দাম নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে। কৃষকদের অভিযোগ, সার বিক্রির খোলা বাজারে সরকারের নির্ধারিত দাম মানা হচ্ছে না, যার ফলে তাদের পকেট থেকে অতিরিক্ত টাকা উঠছে। মাধবপুরে সার ডিলাররা এই পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে বলে ভুক্তভোগীরা দাবি করেছেন। উপজেলার বিভিন্ন বাজারে চলমান এই পরিস্থিতিতে কৃষকরা জানান যে, সারের দাম প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি এবং এমওপি সারের দাম প্রয়োজনীয়তার তুলনায় অনেক বেশি হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকারের নির্ধারিত দাম অনুযায়ী ইউরিয়া সার প্রতি কেজি ২৭ টাকার পরিবর্তে ৩০ টাকা, টিএসপি সার ২৭ টাকার পরিবর্তে ৩০ টাকা, ডিএপি সার ২১ টাকার পরিবর্তে ২৫ টাকা, এমওপি সার ২০ টাকার পরিবর্তে ২৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী সরকারি অনুমোদনের জন্য আগস্ট মাসে চাহিদা অনুযায়ী ইউরিয়া সার ১ হাজার ৫০৫ টন, টিএসপি সার ৩০০ টন, ডিএপি সার ৩৫৫ টন, এমওপি সার ৫৫৬ টন বরাদ্দ হয়েছিল। তবে চলতি মাসে অনুমোদিত সারের পরিমাণ অনেক কম, যা বাজারে সঙ্কট সৃষ্টি করছে। কৃষকদের মতে, এই অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির কারণে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি হচ্ছে, আর এর ফলে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। কৃষকের অভিযোগ, গত অর্থবছরে প্রতিটি কেজি সারের ওপর অতিরিক্ত টাকা নেয়া হয়েছে। ইউরিয়া সার ৩ টাকা করে ১৪ লাখ ১৬ হাজার টাকা অতিরিক্ত, টিএসপি সার ৩ টাকা করে ৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা, এমওপি সার ৫ টাকা করে ৫ লাখ টাকা, ডিএপি সার ৮ টাকা করে ৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা অতিরিক্ত নেয়া হয়েছে।

এই অতিরিক্ত টাকা মিলিয়ে চক্রটি প্রায় ৩১ লাখ ৪৬ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। কৃষকরা বলছেন, যদি বাজারে সঠিকভাবে তদারকি করা হতো, তাহলে সার ডিলাররা এই ধরনের দামের সিন্ডিকেট তৈরি করতে পারত না। সার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত কার্যকারী পদক্ষেপ নেয়া উচিত।

জানা গেছে, মাধবপুরে ৩১টি মূল সার ডিলার এবং ১০২টি সাবডিলার রয়েছে। কৃষকদের মতে, সঠিক তদারকির অভাব এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিষ্ক্রিয়তা এই সিন্ডিকেট তৈরি করেছে। সাবডিলাররা এভাবে অবৈধভাবে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি করছে। তদারকি করার জন্য প্রতিটি ইউনিয়নে উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা নিযুক্ত হলেও তারা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছেন না বলে অভিযোগ রয়েছে।

মাধবপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সজিব সরকার জানান, সারের সঙ্কট নেই, নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। তবে, কিছু জায়গায় অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি হওয়ার তথ্য আমরা পেয়েছি। সঠিক তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com