1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৯ অপরাহ্ন
Title :
সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে লেনদেনের শীর্ষে লাভেলো আইস-ক্রিম সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দরপতনের শীর্ষে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দর বৃদ্ধির শীর্ষে আমান ফীড আইপিওতে আসছে রয়্যাল ফুটওয়্যার, অনুমোদন দিল বিএসইসি সহযোগী প্রতিষ্ঠান স্বপ্নে বড় বিনিয়োগ করছে এসিআই ৬.৮৩ ইঞ্চির ১.৫কে অ্যামোলেড ডিসপ্লেতে চমৎকার অভিজ্ঞতার সুযোগ ক্রেতাদের জন্য রয়েছে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত ক্যাশভাউচার ও ক্যাশব্যাক পাওয়ার সুযোগ স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠক শাজাহান সিরাজের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত মুসলিম উম্মাহর সুদৃঢ় ঐক্যের বিকল্প নেই কুমিল্লা দাউদকান্দি থানা পুলিশের অভিযানে পিকআপ ভ্যান ভর্তি ৪৭ কেজি গাঁজা উদ্বার, আটক-১

দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে ইফতার বিতরণ: মমিনপুর রেলস্টেশনে খাইরুল ইসলামের এক অনন্য দৃষ্টান্ত

  • আপডেট : বুধবার, ২৬ মার্চ, ২০২৫, ৩.০২ পিএম
  • ৮১ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ চুয়াডাঙ্গা জেলা সদরের মমিনপুর ইউনিয়নের মমিনপুর রেলস্টেশনে দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে বিনামূল্যে ইফতার বিতরণ করে আসছেন খাইরুল ইসলাম ওরফে মননরম। তিনি প্রতিদিন শতাধিক অসহায় ও পথচারী মানুষকে ইফতার করান, যা এই অঞ্চলের জন্য এক অনন্য দৃষ্টান্ত।

৮০ বছরের খাইরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে এ মহতী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। প্রতিবছর পবিত্র মাহে রমজানে রেলগেটের পাশে বসিয়ে অসহায় ও পথচারীদের ইফতার পরিবেশন করেন তিনি।

সিদ্দিক আলী নামে এক ব্যক্তি বলেন, “আমি দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে দেখছি এখানে খাইরুল ইসলাম ইফতার করাচ্ছেন। প্রতিবছরই এখানে ইফতার করি, এটা আমার খুব ভালো লাগে। তার এই উদ্যোগকে আমি সাধুবাদ জানাই।”

স্থানীয় আরেকজন, মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেন, “খাইরুল ইসলামের মতো উদার মনের মানুষ খুব কমই আছে। তিনি পথচারীদের ডাকেন, তাদের সম্মানের সঙ্গে ইফতার করান। সমাজে তার মতো মানুষের খুব প্রয়োজন।”

মমিনপুর রেলস্টেশনের রেলগেটম্যান সাইদুর রহমান বলেন, “আমি এখানে চার বছর আগে যোগদান করেছি। সেই থেকে প্রতি বছরই দেখছি, খাইরুল ইসলাম এখানে ইফতার করান। আমি নিজেও তার এই মহৎ উদ্যোগে অংশ নিই। এমন উদ্যোগ সত্যিই বিরল।”

খাইরুল ইসলাম বলেন, “আমি দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে এই ইফতার আয়োজন করছি। বর্তমানে একটি ছোট ছাগলের হাট পরিচালনা করি, সেখান থেকে যা আয় হয়, তা অসহায়দের জন্য ব্যয় করি। আমার ছোট মেয়ে রেলওয়ে বিভাগে চাকরি করে, সেখান থেকে কিছু অর্থ আসে, যা দিয়ে আমাদের সংসার চলে। আল্লাহর রহমতে আমরা ভালোভাবেই চলতে পারি, আর অসহায়দের সেবা করেই আমি শান্তি পাই।”

তিনি আরও বলেন, “আমি চাই, সমাজের বিত্তবানরা যেন অসহায়দের পাশে দাঁড়ান। আমার বয়স হয়েছে, তাই চাই, ভবিষ্যতে আমার উত্তরসূরিরা এই উদ্যোগ চালিয়ে নিয়ে যাক। এমন মহৎ কাজে যুক্ত থেকেই যেন আমি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করতে পারি, সেই দোয়া চাই সবার কাছে।”

খাইরুল ইসলামের এই মহতী উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। সমাজের সকল বিত্তবান ব্যক্তিদের এগিয়ে এসে অসহায়দের পাশে দাঁড়ানোর জন্য এটি হতে পারে একটি অনুপ্রেরণা।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com