দেশের নানান উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে বাণিজ্যিক ব্যাংক, আর্থিক খাত এবং বিদেশি সংস্থা থেকে ঋণ নিয়ে থাকে সরকার। তাতে বিভিন্ন প্রকল্পের বাজেট অনুযায়ী তা ব্যবহার করে থাকেন। তবে বিদ্যমান নানান প্রকল্পগুলোর জন্য
যুক্তরাজ্যে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে পরিমাণের বিবেচনায় চীনকে ছাড়িয়ে শীর্ষে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। ২০২৩ সালের অক্টোবর পর্যন্ত ১০ মাসে দেশটিতে ১৭ কোটি ৯৩ লাখ কেজি পোশাক রপ্তানি হয় বাংলাদেশ থেকে। একই
দেশের রাজস্ব সংগ্রহ বাড়াতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাটদাতাদের পুরস্কার দেয়। অনেকে না জানলেও প্রতি মাসে ১০১ জনকে দেওয়া হচ্ছে এই পুরস্কার। গতকাল সোমবার ডিসেম্বর মাসে
দেশের ব্যাংকগুলোর আমদানি পরবর্তী অর্থায়ন বা পোস্ট ইমপোর্ট ফাইন্যান্সিংয়ের (পিআইএফ) তথ্য দিতে হয় বাংলাদেশ ব্যাংকে। আগামী মার্চ থেকে নতুন ছকে প্রতি তিন মাস অন্তর এ তথ্য দিতে হবে। রোববার বাংলাদেশ
দেশের আর্থিক খাতের অভ্যন্তরীণ উৎস তথা ব্যাংক, বিল-বন্ড, সঞ্চয়পত্র থেকে সরকারের নেওয়া পুঞ্জীভূত ঋণ ৮ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। গেল এক বছরেই এই ঋণ বেড়েছে ১ লাখ কোটি টাকা। তাতে
ডলার সংকটের কারণে আমদানিতে কড়াকড়ি আরোপ করেছিলো বাংলাদেশ ব্যাংক। আমদানি নিয়ন্ত্রণের কারণে কমেছে দেশের বিদেশি লেনদেনের ঘাটতি। নভেম্বর পর্যন্ত ৪৭৬ কোটি ডলারের বাণিজ্য ঘাটতিতে পড়েছে দেশ। বর্তমান বিনিময় হার হিসাবে
অনলাইনে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের বার্ষিক আয়কর বিবরণী (রিটার্ন) জমার আগ্রহ বেড়েছে। গত বছরের তুলনায় এবার ইতোমধ্যে অনেক বেশিসংখ্যক করদাতা অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করেছেন। আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের রিটার্ন
দেশ থেকে রেকর্ডসংখ্যক শ্রমিক বিদেশ গেলেও রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় আশানুরূপ বাড়েনি। সদ্য সমাপ্ত ২০২৩ সালে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ২ হাজার ১৯২ কোটি (২১ দশমিক ৯২ বিলিয়ন) ডলারের
অভ্যন্তরীণ ঋণ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার বিবেচনায় ব্যাংকের ঋণ বিতরণের নীতিমালা আরও এক বছর শিথিল করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। অর্থাৎ ২০২৪ সালেও কোনো গ্রাহকের ঋণ মান ৪০ শতাংশ হলে তিনি ঋণ পাবেন। তবে
আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার ২০০৯ সালে দেশ পরিচালনার দায়িত্বভার গ্রহণের পর বহুমাত্রিক অর্থনৈতিক কর্মকান্ড ও ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণ এবং ব্যক্তিগত পর্যায়ে মানুষের আয় বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে দেশে রাজস্ব আয় বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে।