1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৯ পূর্বাহ্ন
Title :
ইসলামী ব্যাংকে সাইবার সিকিউরিটি সচেতনতা ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক পিএলসি. এর ৪৩৪তম বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত উর্দুভাষীদের স্থায়ী পুনর্বাসনের দাবি: ৫ই অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে লংমার্চের ঘোষণা অবৈধভাবে ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে পাচারের সময়ে মাটি ভর্তি জাহাজ জব্দ, মালিককে ১ লাখ টাকা জরিমানা নতুন ঠিকানায় ন্যাশনাল ব্যাংকের সখিপুর শাখা নেটওয়ার্ক ছাড়াই ফোনে যোগাযোগ: আল্ট্রালিংক যেভাবে কাজ করে Price Sensitive Information of The IBN SINA Phamaceutical Industry PLC ৪ অক্টোবরের ইজিএম বাতিল করেছে সিটি ব্যাংক পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে ফাইন ফুডস পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ

এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে ঋণ বিতরণ ৭৫৫ কোটি টাকা

  • আপডেট : শনিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪, ৪.২২ পিএম
  • ২৫৫ Time View

চলতি অর্থবছরের ডিসেম্বর মাসে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ঋণ বিতরণ করা হয়েছে ৭৫৫ কোটি ৮২ লাখ টাকা। এর আগের মাসের বিতরণ করা হয় ৮৫৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ঋণ বিতরণ কমেছে ৯৯ কোটি টাকা।

সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ৩ হাজার ৯৩৪ কোটি ৮৩ লাখ টাকার ঋণ বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে জুলাই মাসে ঋণ বিতরণ করা হয়েছিলো ৪৫২ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। আর আগস্ট মাসে ৮৪৩ কোটি ৫৭ লাখ টাকা, সেপ্টেম্বরে ৬৭১ কোটি ২০ লাখ টাকা, অক্টোবরে ৮০৯ কোটি ৩২ লাখ টাকা, নভেম্বরে ৮৫৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা এবং ডিসেম্বর মাসে ৭৫৫ কোটি ৮২ লাখ টাকার ঋণ বিতরণ করা হয়।

সমাপ্ত ডিসেম্বর মাসে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দেশের প্রান্তিক এলাকায় ৫০১ কোটি ৮০ লাখ টাকা ঋণ বিতরণ করা হয়। আর শহরাঞ্চলে ঋণ বিতরণ করা হয় ২৫৪ কোটি টাকা।

দেশের ব্যাংক খাতে ২০১৪ সালে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু হয়। বিদায়ী ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে দেশব্যাপী পাড়া-মহল্লা ও হাটবাজারে এরকম এজেন্টের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৫ হাজার ৭৫৭টি। আর এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট বেড়ে হয় ২১ হাজার ৬০১টি।

এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের বিকাশের ধারায় গত এক বছরে আমানত বেড়েছে ৬ হাজার ২১৫ কোটি টাকা। ২০২২ সালে যার পরিমাণ ছিলো ২৯ হাজার ৬৮৭ কোটি টাকা। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর প্রান্তিকে মোট আমানতের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩৫ হাজার ৯০২ কোটি টাকা।

প্রধানত আমানত সংগ্রহের কাজ করে এজেন্ট ব্যাংকিং। প্রত্যন্ত অঞ্চলে ঋণ বিতরণের মতো জনবল ও নিরাপদ ঋণ বিতরণের কাঠামো এখনো গড়ে না ওঠেনি। এ কারণে ঋণ বিতরণে পিছিয়ে আছে এজেন্ট ব্যাংকিং।

এজেন্ট ব্যাংকিং হলো প্রযুক্তি নির্ভর ছোট্ট পরিসরে ব্যাংকিং। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে ব্যাংকগুলো এ লেনদেন করছে। যেসব অঞ্চলে অর্থনৈতিক গ্রোথ হচ্ছে কিন্তু ব্যাংকের শাখা নেই-মূলত এমন সেখানেই এই ব্যাংকিং ব্যবস্থার বিকাশ হচ্ছে। এ জন্য ব্যাংকগুলোকে অবকাঠামো নির্মোণে কোনো খরচ করতে হয় না। এই ব্যাংকিং মাধ্যমে কোনো জনবলও নিয়োগ দিতে হয় না। বরং ব্যাংকের পক্ষে আমানত সংগ্রহের বিপরীতে এজেন্টরা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা ব্যাংকে জামানাত রাখে। আর এ জন্য এজেন্টদেরও বড় বিনিয়োগের প্রয়োজন হয় না। দরকার হয় না বেশি জনবলেরও। প্রযুক্তি সেবার মাধ্যমে এজেন্ট ব্যাংকিং বিকশিত হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com