1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ১২:৫২ অপরাহ্ন
Title :
নবীনগরে মহেশখাল দখল করে দোকানঘর নির্মান, নিরব প্রশাসন আজকের জেএনজিদের ভাবনা ছিল মেজর জিয়ার মধ্যে-বিএনপি নেতা টিপু আলমডাঙ্গার হারদীতে বিএনপি নেতার ওপর আওয়ামী লীগের হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ; হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জটিল রোগে আক্রান্তদের চিকিৎসায় পাশে দাড়ালো স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক নতুন রিসাইক্লিং উদ্যোগের মাধ্যমে প্লাস্টিক বর্জ্য ৯০%-এর বেশি কমিয়েছে সিঙ্গার বাংলাদেশ এমপিওর দাবিতে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচীর ৩য় দিন ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে দেশজুড়ে সনি-স্মার্টের ‘গোল্ডেন গোল অফার’ শুরু লালমনিরহাটে জাতীয় মানবাধিকার সমিতির জেলা কমিটি গঠন; সভাপতি বেলাল, সাধারণ সম্পাদক দুলাল নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জামানতবিহীন ঋণ চেয়ারম্যানের পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভ অব্যাহত, যোগ দিলেন নারী আমানতকারীরা

৩ হাজার কোটি টাকা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২৯ মার্চ, ২০২২, ৭.৩২ পিএম
  • ১৯০ Time View

দেশের সড়কে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোড়দার করতে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি ও প্রাণহানি কমিয়ে আনতে বাংলাদেশকে সহজ শর্তে ৩৫৮ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে বহুজাতিক ঋণদাতা সংস্থা বিশ্বব্যাংক। দেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ তিন হাজার কোটি টাকার বেশি।

সোমবার (২৮ মার্চ) ওয়াশিংটনস্থ বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংস্থাটির পর্ষদ সভায় এই ঋণ অনুমোদন হয়েছে বলে ঢাকা অফিস থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বিশ্বব্যাংক বলছে, ‘সড়ক নিরাপত্তা প্রকল্প’-এর আওতায় দেয়া এই ঋণ বাংলাদেশকে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক নিরাপত্তায় টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে সহায়তা করবে।

পাইলট ভিত্তিতে দুটি জাতীয় মহাসড়ক গাজীপুর-এলেঙ্গা ও নাটোর থেকে নবাবগঞ্জ সড়কে এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে। এতে উন্নত প্রকৌশল নকশা, প্রয়োজনীয় সড়ক চিহ্ন, পথচারীদের পারাপারের সুবিধা, গতিরোধকসহ অন্যান্য জরুরি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হবে। এতে এই দুটি মহাসড়কে বিদ্যমান ঝুঁকি ও দুর্ঘটনা ৩০ শতাংশ কমবে বলে মনে করে বিশ্বব্যাংক।

বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনা বাংলাদেশে স্থায়ী প্রতিবন্ধকতার সবচেয়ে বড় কারণ এবং শিশুমৃত্যুর চতুর্থতম প্রধান কারণ। এতে দরিদ্র পরিবারগুলো বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দেশের অর্থনীতি ও উন্নয়নের জন্য সড়ক নিরাপত্তা জোরদার করা খুবই জরুরি। এটি দক্ষিণ এশিয়ায় বিশ্বব্যাংকের সহায়তার প্রথম সড়ক নিরাপত্তা প্রকল্প। এটি বাংলাদেশে সমন্বিত সড়ক ব্যবস্থাপনা উন্নতির মাধ্যমে সড়ক নিরাপত্তা বাড়াবে এবং প্রাণহানি কমিয়ে আনবে।’

বিশ্বব্যাংক বলছে, ‘সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশের জিডিপির প্রায় ৫ দশমিক ১ শতাংশ ক্ষতি হয়। অনিরাপদ সড়ক অবকাঠামো দুর্ঘটনার প্রধান কারণ।

দুই চাকার গাড়ির সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধির কারণে নিবন্ধিত যানবাহনের পরিদর্শন অপর্যাপ্ত থেকে যায়।

প্রকল্পটি একটি দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় কর্মসূচি এবং একটি জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কৌশল উন্নয়নে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে সমন্বয় এবং প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো শক্তিশালী করবে।

এর মাধ্যমে নির্বাচিত কিছু শহর এলাকা এবং জেলা সড়কগুলোর নিরাপত্তায় পাইলট কর্মসূচি নেয়া হবে। একই সঙ্গে ট্রাফিক পুলিশ এবং হাইওয়ে টহলের সক্ষমতাও বাড়ানো হবে, যাতে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ করা যায় এবং উচ্চগতির ঝুঁকিপূর্ণ চালকদের শনাক্ত করা যায়।

এ জন্য স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা যেমন- সিসিটিভি, ইলেকট্রনিক মেসেজিং, টহল যান বৃদ্ধি এবং দুর্ঘটনা-পরবর্তী উদ্ধারকাজ দ্রুত সম্পন্ন করার সরঞ্জাম বাড়ানো হবে।

উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাটি বলছে, ২০১৬ সালে যারা সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হন, তাদের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যায়। এ জন্য একটি টোল-ফ্রি নম্বরের মাধ্যমে অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা নেয়া হবে। একই সঙ্গে সড়ক মহাসড়কের পাশের নির্দিষ্ট জেলা ও উপজেলা হাসপাতালগুলোতে জরুরি চিকিৎসাসেবা বাড়ানো হবে, যাতে দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু কমানো যায়। এ ছাড়া দুর্ঘটনা-পরবর্তী ট্রমা কাটিয়ে উঠতে আহতদের কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে।

বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে যানবাহন ব্যবস্থায় বিদ্যমান অবকাঠামোগত সুবিধাগুলো বাড়ানো হবে। সমন্বিত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, দুর্ঘটনা শনাক্তকরণ ব্যবস্থা, আইসিটি সিস্টেম উন্নয়ন, যানবাহন নিবন্ধন আধুনিক করা, ড্রাইভার লাইসেন্সিং ও ফ্রি পরিষদ ব্যবস্থা আরও আধুনিক হবে। একই সঙ্গে সড়ক ব্যবহারকারীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং তাদের আচরণগত উন্নয়নেও এ প্রকল্প কাজে আসবে।

বিশ্বব্যাংকের ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ) থেকে দেয়া সহজ শর্তে ঋণ ৩০ বছরের মধ্যে শোধ করতে হবে। পাঁচ বছরের গ্রেস পিরিয়ড থাকবে, যে সময়ে ঋণের কিস্তি বা আসল বা সুদ কিছুই পরিশোধ করতে হবে না।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com