শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৫০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে ৬০০ প্রতিষ্ঠান অডিটে নিচ্ছে এনবিআর ভোক্তাপর্যায়ে এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা, এক লাফে ৩৮৭ টাকা বৃদ্ধি জ্বালানি সাশ্রয়ে রাত ৮টার মধ্যে দোকান-শপিংমল বন্ধের সিদ্ধান্ত হাম না কমা পর্যন্ত স্কুল বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্ট-এ রিট আয়কর বিধিমালা পরিবর্তনে চাপে বিজ্ঞাপন শিল্প, সংশোধনের দাবি ইরান সহায়তায় বাংলাদেশ কমিটি গঠন চান্দিনায় দুই সাংবাদিককে হাতকড়া: বিআরজেএ’র তীব্র প্রতিবাদ ও বিচার দাবি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহায়তায় হুইলচেয়ার বিতরণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটিকে জরুরি উদ্ধার উপকরণ প্রদান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত কুমিল্লা বুড়িচংয়ে অবৈধ মাটি কাটা বিরুদ্ধে অভিযান, ৩ ড্রেজার ও ১ হাজার ফুট পাইপ বিনষ্ট

পুঁজিবাজারে রেকর্ড উচ্চতায় সেনসেক্স

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ২৪২ Time View

প্রথমবারের মতো ভারতের পুঁজিবাজারের সূচক সেনসেক্স ৭০ হাজারে উঠেছিলো গতকাল সোমবার (১১ ডিসেম্বর)। তবে আজকে আবার দরপতনে ১৮০ পয়েন্ট কমে ৬৯ হাজার ৭৪৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

ভারতের শেয়ারবাজার এখন খুবই চাঙা। বাজারের অন্যতম প্রধান সূচক সেনসেক্স সর্বকালীন রেকর্ড উচ্চতায় উঠেছে। কিন্তু এর মধ্যে অস্বাভাবিক বিষয় হলো, একই সঙ্গে ডলারের বিপরীতে ভারতীয় মুদ্রা রুপির মান আরও পড়ে গেছে।

গতকাল সোমবার (১১ ডিসেম্বর) ভারতের বাজারে এই বিপরীতমুখী ঘটনা দেখা গেছে

টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, সেদিন একই সঙ্গে ডলারের বিপরীতে রুপির মান ৮৩ দশমিক ৩৯-এ নেমে যাওয়ার পাশাপাশি শেয়ার সূচক সেনসেক্স এই প্রথম ৭০ হাজারে উঠেছে।

মূলত দুটি কারণে এ বিষয়টি ঘটেছে। প্রথমত, ভারতীয় বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বিক্রির হার কমিয়ে দিয়েছেন, যদিও বিদেশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা কয়েক মাস ধরে শেয়ার বিক্রি করছেন।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বন্ডের সুদহার প্রায় ৫ শতাংশে উঠেছে, কিন্তু মিউচুয়াল ফান্ডে ব্যক্তিগত বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাওয়ায় বাজারে একধরনের ভারসাম্য এসেছে।

দ্বিতীয়ত, অন্যান্য মুদ্রার সাপেক্ষে রুপি ডলারের সংযোগ ভেঙে যাওয়ার প্রভাব বাজারে পড়েছে। রুপি নিজের অবস্থান কিছুটা ধরে রাখতে পারলেও উপমহাদেশের অন্যান্য মুদ্রার মান ডলারের সাপেক্ষে আরও কমে গেছে।

ভারতের ডিবিএস ব্যাংকের ট্রেজারি বিভাগের প্রধান আশিস বৈদ্য বলেছেন, ঋণ ও ইকুইটি বেড়েছে ঠিকই, তবে এবার দেখা যাচ্ছে যে দেশীয় বিনিয়োগকারীদের কারণেই শেয়ারবাজারে চাঙাভাব বজায় রয়েছে। বিদেশ থেকে পুঁজির বিপুল প্রবাহ আসেনি।

একটি কারণ হলো, ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া তাদের মজুত থেকে ডলার বিক্রি করে রুপির মান স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করছে। এতে দুটি উদ্দেশ্য সাধন হয়েছে; আমদানি ব্যয় কমে যাওয়ায় সামষ্টিক অর্থনৈতিক ভারসাম্য বজায় আছে এবং ডলার বিক্রি করে তারল্যের রাশ টেনে ধরা গেছে। অর্থাৎ এটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। আরবিআই চায় না, চাহিদার কারণে মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে যাক।

আগামী কয়েক বছরে রুপির মান ডলারের বিপরীতে বাড়বে কি না, সে নিয়ে বিশ্লেষকদের মধ্যে মতভেদ আছে। এক্সিস ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ নীলকান্ত মিশ্র বলছেন, আগামী কয়েক বছরে রুপির মান বাড়বে এমন সম্ভাবনা খুবই কম—অন্তত আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে রুপির মান বাড়বে, এমন আশা করেন না তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS