1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০৮:০০ অপরাহ্ন
Title :
নতুন ফোন কেনার সময় যে দরকারি ফিচারগুলো আমাদের চোখ এড়িয়ে যায় প্রিমিয়ার ব্যাংকের ইন্ডিপেন্ডেন্ট ডিরেক্টর এম নূরুল আলম এফসিএস-এর বই ‘গভর্নেন্স, ইন্টারনাল অডিট ও কমপ্লায়েন্স’-এর মোড়ক উন্মোচন জীবননগরে যৌতুকের দাবিতে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী নির্যাতনের অভিযোগ, গর্ভেই মারা গেল ৭ মাসের সন্তান আধুনিক নগর শাসনের সংকট: মশা নিয়ন্ত্রণে কাঠামোগত ব্যর্থতা, জবাবদিহির ঘাটতি ও অনিবার্য সংস্কারের প্রশ্ন হামদর্দের কনজ্যুমার শাখার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার-সহ ৯ কর্মকর্তার বদলির আদেশ হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১,২৬৫ বিদ্যুতের দাম বাড়ালো বিইআরসি, গ্রাহক পর্যায়ে বৃদ্ধি ১৬.৬৮ শতাংশ সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দরপতনের শীর্ষে ইয়াকিন পলিমার সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দর বৃদ্ধির শীর্ষে দেশ গার্মেন্টস

চলনবিলে চলছে মাছ ধরার ‘বাউত উৎসব’

  • আপডেট : শনিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২৩, ১১.২৯ পিএম
  • ৩৩৪ Time View

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিল পাবনা, সিরাজগঞ্জ, নাটোর জেলা নিয়ে চলনবিল। দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ দেশিয় মাছ উৎপাদিত হয় চলনবিলে। পাবনার চাটমোহরসহ চলনবিল অঞ্চলে চলছে মাছ ধরার উৎসব। চাটমোহর উপজেলার রামের বিল, খলিশাগাড়ি বিল, ডিকশি বিল, বিলকুড়ালিয়া, গুমানী ও চিকনাই নদী, ভাঙ্গুড়ার রহুল বিলসহ বিভিন্ন বিলে চলছে এই উৎসব। চলনবিল অঞ্চলের ভাষায় এই উৎসবকে বলা হয় ‘বাউত উৎসব”। সপ্তাহের প্রতি শনিবার ও মঙ্গলবার নির্দিষ্ট একটি বিলে বাউত নামে। বিভিন্ন উপজেলার শত শত মানুষ ভোর হতেই নানা যানবাহনে মাছ ধরার হরেক রকম উপকরণ নিয়ে হাজির হয় বিলে। হৈ হৈ রৈ রৈ করতে করতে আল্লাহ ও রাসুলের নাম নিয়ে নেমে পড়ে বিলের শীতল পানিতে।

শত শত সৌখিন মৎস্য শিকারীর হাতে হাতে পলো। এছাড়া নানা রকমের জাল দিয়েও মাছ ধরা হয়। শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ পর্যন্ত মাছ ধরার এই উৎসবে যোগ দেয়।

শনিবার (২৫ নভেম্বর) সকালে চলনবিলের ভাঙ্গুড়া উপজেলার রহুল বিলে ও চাটমোহর উপজেলার খলিশাগাড়ি বিলে নামে বাউত।
সিরাজগঞ্জ, পাবনার চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া, ফরিদপুর, আটঘরিয়া, বড়াইগ্রাম, তাড়াশ, গুরুদাসপুর উপজেলার কয়েক শত মানুষ নেমে পড়ে বিলে। বিগত দিনে ডিকশি বিল ও বিল কুড়ালিয়াতেও বাউত নেমে মাছ ধরেছে। আগামী ২ সপ্তাহ এই মাছ ধরার উৎসব চলবে বলে জানান বাউতে আসা মৎস্য শিকারীরা।

বাউতে আসা আটঘরিয়া উপজেলার নাগদহ এলাকার সৌখিন মৎস্য শিকারী খোরশেদ আলম জানান, এই মাছ ধরা উৎসবে বোয়াল, শোল, রুই, কাতলা ছাড়াও হরেক রকম দেশী প্রজাতির মাছ পাওয়া যায়। প্রতি বছরই চলনবিল অঞ্চলে নদী ও বিলে আগ্রহায়ন ও পৌষ মাসে বাউত নামে। এদিকে বাউত উৎসবের কারণে বিলের জীব বৈচিত্র্য চরমভাবে বিনষ্ট হচ্ছে। বিলের অসংখ্য ছোট মাছ মারা যাচ্ছে।

চলনবিল রক্ষা আন্দোলন কমিটির সদস্য সচিব এস এম মিজানুর রহমান জানান,বাউত উৎসব চলছে দীর্ঘদিন ধরেই। এতে বিলে জীববৈচিত্র্য বিনষ্ট হচ্ছে। এ বিষয়ে সরকারি-বেসরকারিভাবে গণসচেতনতা বাড়ানো দরকার।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com