1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:০৬ পূর্বাহ্ন
Title :
ইমোতে প্রেম; কুমিল্লায় এসে ১৩ বছরের কিশোরী ধর্ষণের শিকার চালকের যোগসাজশে দস্যুতা, স্বর্ণ-ফোন উদ্ধার; দাউদকান্দিতে দুইজন গ্রেপ্তার নবীনগরে পিএসসিতে বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদেরকে সংবর্ধনা প্রদান ষড়যন্ত্রকারীদের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু টাঙ্গাইল টেলিভিশন রিপোর্টার্স ফোরামের কমিটি পুনর্গঠন: সভাপতি নাসির, সাধারণ সম্পাদক মহব্বত জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতির কার্যালয়ে আইন কর্মকর্তা জাইমা রহমান, শুভেচ্ছা জানালেন জিসপের সভাপতি দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টার প্রতিবাদে খুলনায় যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের বিক্ষোভ কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তার- ১১ হজ নিবন্ধনের টাকা জমা দিতে শুক্র-শনিবার ব্যাংক খোলা রেমিট্যান্স সরাসরি বৈদেশিক মুদ্রায় জমার সুযোগ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

চলনবিলে চলছে মাছ ধরার ‘বাউত উৎসব’

  • আপডেট : শনিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২৩, ১১.২৯ পিএম
  • ৩৬৯ Time View

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিল পাবনা, সিরাজগঞ্জ, নাটোর জেলা নিয়ে চলনবিল। দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ দেশিয় মাছ উৎপাদিত হয় চলনবিলে। পাবনার চাটমোহরসহ চলনবিল অঞ্চলে চলছে মাছ ধরার উৎসব। চাটমোহর উপজেলার রামের বিল, খলিশাগাড়ি বিল, ডিকশি বিল, বিলকুড়ালিয়া, গুমানী ও চিকনাই নদী, ভাঙ্গুড়ার রহুল বিলসহ বিভিন্ন বিলে চলছে এই উৎসব। চলনবিল অঞ্চলের ভাষায় এই উৎসবকে বলা হয় ‘বাউত উৎসব”। সপ্তাহের প্রতি শনিবার ও মঙ্গলবার নির্দিষ্ট একটি বিলে বাউত নামে। বিভিন্ন উপজেলার শত শত মানুষ ভোর হতেই নানা যানবাহনে মাছ ধরার হরেক রকম উপকরণ নিয়ে হাজির হয় বিলে। হৈ হৈ রৈ রৈ করতে করতে আল্লাহ ও রাসুলের নাম নিয়ে নেমে পড়ে বিলের শীতল পানিতে।

শত শত সৌখিন মৎস্য শিকারীর হাতে হাতে পলো। এছাড়া নানা রকমের জাল দিয়েও মাছ ধরা হয়। শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ পর্যন্ত মাছ ধরার এই উৎসবে যোগ দেয়।

শনিবার (২৫ নভেম্বর) সকালে চলনবিলের ভাঙ্গুড়া উপজেলার রহুল বিলে ও চাটমোহর উপজেলার খলিশাগাড়ি বিলে নামে বাউত।
সিরাজগঞ্জ, পাবনার চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া, ফরিদপুর, আটঘরিয়া, বড়াইগ্রাম, তাড়াশ, গুরুদাসপুর উপজেলার কয়েক শত মানুষ নেমে পড়ে বিলে। বিগত দিনে ডিকশি বিল ও বিল কুড়ালিয়াতেও বাউত নেমে মাছ ধরেছে। আগামী ২ সপ্তাহ এই মাছ ধরার উৎসব চলবে বলে জানান বাউতে আসা মৎস্য শিকারীরা।

বাউতে আসা আটঘরিয়া উপজেলার নাগদহ এলাকার সৌখিন মৎস্য শিকারী খোরশেদ আলম জানান, এই মাছ ধরা উৎসবে বোয়াল, শোল, রুই, কাতলা ছাড়াও হরেক রকম দেশী প্রজাতির মাছ পাওয়া যায়। প্রতি বছরই চলনবিল অঞ্চলে নদী ও বিলে আগ্রহায়ন ও পৌষ মাসে বাউত নামে। এদিকে বাউত উৎসবের কারণে বিলের জীব বৈচিত্র্য চরমভাবে বিনষ্ট হচ্ছে। বিলের অসংখ্য ছোট মাছ মারা যাচ্ছে।

চলনবিল রক্ষা আন্দোলন কমিটির সদস্য সচিব এস এম মিজানুর রহমান জানান,বাউত উৎসব চলছে দীর্ঘদিন ধরেই। এতে বিলে জীববৈচিত্র্য বিনষ্ট হচ্ছে। এ বিষয়ে সরকারি-বেসরকারিভাবে গণসচেতনতা বাড়ানো দরকার।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com