1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:২১ পূর্বাহ্ন
Title :
চট্টগ্রাম বন্দরের ১৬৮ কন্টেইনারের পণ্য অনলাইন নিলামে বিক্রি করবে কাস্টমস আকুর বিল পরিশোধের পর বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে ৩৬.১৭ বিলিয়ন ডলারে চার বিভাগের ১৭ জেলায় বন্যার পূর্বাভাস ৪,৮০০ কর্মী ছাঁটাই করছে মাইক্রোসফট, সবচেয়ে বেশি প্রভাব এক্সবক্সে ইউসিবির রাইট শেয়ার ইস্যুর অনুমোদন দিল বিএসইসি ব্লু-ওয়েলথ ফার্স্ট স্টেবল রিটার্ন ফান্ডের খসড়া প্রসপেক্টাস অনুমোদন বিএসইসির সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দরপতনের শীর্ষে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দর বৃদ্ধির শীর্ষে এমবিএল ফাস্ট মিউচুয়াল ফান্ড সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে লেনদেনের শীর্ষে বেক্সিমকো ফার্মা অবশেষে বদলি হলেন নড়াইলের সেই আলোচিত মৎস্য কর্মকর্তা

হাতীবান্ধায় গ্রাম পুলিশের বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধীর চাল আত্মসাৎ’র অভিযোগ

  • আপডেট : সোমবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৩, ৮.০০ পিএম
  • ৩৭৯ Time View

হাতীবান্ধা প্রতিনিধি: লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় বাক প্রতিবন্ধী পরিবারের ভিজিডি কার্ডের চাউল তুলে আত্মসাৎ’র  করার অভিযোগ উঠেছে আসাদুল ইসলাম নামে এক গ্রাম পুলিশ বিরুদ্ধে। জানা গেছে ২১/২২ অর্থ বছরে হাতীবান্ধা উপজেলার সানিয়াজান ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের প্রতিবন্ধী ফরহাদুল ইসলামের পরিবারের নামে দুই বছর মেয়াদী ভিজিডি কার্ড বরাদ্দ হয়। কিন্তু সানিয়াজান ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ আসাদুল ইসলাম কৌশলে ফরহাদুল ইসলামের স্ত্রী ফাহিমার নামে ভিজিডি কার্ডটি গোপন করে নিজে আত্মসাৎ করেন।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ২ বছরে ১৮ মণ ‘র উপরে চাউল উত্তোলন করেন ওই গ্রাম পুলিশ। সেই কার্ডের মেয়াদ শেষ হলে আরডিআরএস বাংলাদেশ কর্তৃক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় ওই সব উপকার ভুগীদের এবং প্রশিক্ষণ শেষে প্রত্যেককে ২০ হাজার করে টাকা দেওয়ার কথা রয়েছে।

এনজিও কর্মকর্তা জানান, প্রকৃত ব্যাক্তি ছাড়া ওই টাকা প্রদান করা হবেনা। এমতাবস্থায় ওই গ্রাম পুলিশ বাধ্য হয়ে ফাহিমা বেগমকে বিষয়টি জানান এবং টাকা উত্তোলন করে অর্ধেক টাকা ভাগ দিতে বলেন।  ফাহিমা বেগম রাজি না হলে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়। 

পরে ফাহিমাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকীদিয়ে মিমাংসা পত্রে স্বাক্ষর নেন ওই গ্রাম পুলিশ আসাদুল ইসলাম।

ওই এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা খলিলুর রহমান জানান,  গ্রাম পুলিশ আসাদুল গরীব মানুষের হক মেরে খেয়েছে। এর দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি হওয়া উচিত।

এ বিষয়ে ফাহিমা বেগম জানান গর্ভবতী ভাতা দেওয়ার কথা বলে আমার জাতীয় পরিচয়পত্র নেয় ওই গ্রাম পুলিশ। পরে আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলে সে বলে আমার কার্ড হয়নি। এখন আমি জানতে পারলাম আমার কার্ড হয়েছে এবং সেই কার্ড দিয়ে ২ বছর ধরে সে নিজে চাউল উত্তোলণ করে।

প্রতারণার বিষয়ে গ্রাম পুলিশ আসাদুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি জানান, চাউল আত্মসাৎ এর কথা স্বীকার করে বলেন, আমার বাবার নামে ভিজিডি কার্ড না হওয়ায় আমি ফাহিমার আইডি কার্ড অনলাইন হতে ডাউনলোড দিয়ে ভিজিডি কার্ড এর ব্যাবস্থা করি, ও সেই চাউল আমার বাবা খেয়েছে। এটা আমার অপরাধ হয়েছে।

এ বিষয়ে সানিয়াজান ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাশেম তালুকদার বলেন, ফাহিমা বেগম আমাকে অভিযোগ করলে আমি গ্রাম পুলিশের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজির হোসেন বলেন, এটি অন্যায় ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ করলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com