হরিপুর (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ বর্ষা মৌসুমের আষাঢ় মাসের শেষ দিন অতিবাহিত হলে ও উচুভূমির দিঘী / পুকুরে পানি নাই। পকুর মালিক বা বর্গা নিয়ে মাচ চাষি পঞ্চা এখনো পুকুরে মাছের নতুন পোনা দিয়ে মাচ চাষ শুরু করতে পারেনি অনেকে। দামোল গ্রামের আবুশালে চৌধুরীর বাড়ির পর্শে পুকুরটিতে পানি নাই,চৌরঙ্গী বাজারের পুকুর, পাহাড়গাঁও স্কুল পুকুর, আব্দুল হায় মাওঃ দের পুকুর, দামোল গ্রামের হাজীর পুকুর আরো অনেক পুকুর গুলেতে পানি নাই। পুকুর গুলো অনেক পুরোনো কয়েক বছর আগে এই ধরনের দিঘী গুলো অনেকে লীজ বন্দোক নিয়ে মাচ চাষ করে উৎপাদিত মার্চ বিভিন্ন এলাকায় বিক্রিকরে আসছিল আর্থীক ভাবে অনেকে লাভবান হয়েছে। এ ব্যাপারে উপজেলা মৎস কর্ম কর্তা আব্দুস সালাম এর সহিত যোগা যোগ করলে The Economic News24 কে বলেন যে, মোট পুকুর / দিঘীর পরিমান ৪৫০০টি, ডাংগা এলাকার পুকুর কতটি আমার জানা নাই। যে সমস্ত পুকুরে পানি নাই সেই পুকুরের মালিকগন কোন পরামর্শ নিতে আসেনি।