1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৩১ অপরাহ্ন
Title :
৩৫ বছর পর প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আজ ২৬ আগস্ট ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশেষ কর্মসূচি এবি ব্যাংকের এমডি হলেন আরিফ বিল্লাহ আদিল চৌধুরী রাজশাহীতে বসছে পাবজি মোবাইল ও ইনফিনিক্সের জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল বিএসইসি চেয়ারম্যানকে উদ্ধৃত করে প্রচারিত তথ্যের বিষয়ে সতর্ক করল কমিশন সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দরপতনের শীর্ষে শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দরবৃদ্ধির শীর্ষে রিলায়েন্স ইন্সুরেন্স মিউচুয়াল ফান্ড সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে লেনদেনের শীর্ষে শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই ক্যামেরায় ২৪ ঘণ্টায় ৪৪৯ মামলা কমিউনিটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ৭৯তম সভা অনুষ্ঠিত

বছরে ১৪ লাখ টন ডাল আমদানি করে সরকার

  • আপডেট : শুক্রবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩, ৫.৪২ পিএম
  • ২০৯ Time View

দেশে বর্তমানে ডালের বার্ষিক চাহিদা প্রায় ২৬ লাখ টন। সেখানে উৎপাদন হচ্ছে মাত্র ১০ লাখ টন। অতিরিক্ত চাহিদা পূরণে প্রতি বছর বিদেশ থেকে বিভিন্ন পদের প্রায় ১৩-১৪ লাখ টন ডাল আমদানি করে সরকার। এতে ব্যয় হয় প্রায় ৬-৭ হাজার কোটি টাকা।

১০ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সকালে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল মিলনায়তনে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের ডাল গবেষণা কেন্দ্র এ সেমিনারের আয়োজন করে। এতে সভাপতিত্ব করেন কৃষি সচিব ওয়াহিদা আক্তার।

সেমিনারে বক্তারা বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন গড়ে ৪৫ গ্রাম ডাল খাওয়ার উচিত। সেখানে আমাদের দেশের মানুষ মাথাপিছু মাত্র ১৭ গ্রাম ডাল খেয়ে থাকেন। যা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই অপ্রতুল।

তারা বলেন, দেশে ক্রমাগতভাবে আবাদি জমির পরিমাণ হ্রাস এবং ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার পুষ্টি নিরাপত্তার জন্য উচ্চ ফলনশীল জাতের ডাল ফসল উদ্ভাবন, একই সঙ্গে এর সম্প্রসারণ ও ব্যবহার বাড়ানো প্রয়োজন।

বক্তারা বলেন, এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে ডাল বিজ্ঞানীদের নিরলস প্রচেষ্টায় অনেক আধুনিক উচ্চফলনশীল জাত উদ্ভাবিত হয়েছে। এতে বিভিন্ন শস্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় ডাল ফসলের উৎপাদন এলাকা কিছুটা কমে গেলেও আধুনিক উচ্চফলনশীল জাত উদ্ভাবিত হওয়ায় হেক্টরপ্রতি ফলন অনেক বেড়েছে।

সেমিনারে আরও বলা হয়, ধানভিত্তিক শস্য বিন্যাসে ডাল ফসলের আবাদ সম্প্রসারিত করার সুযোগ সীমিত। তবে বৃহত্তর বরেন্দ্র অঞ্চল, চরাঞ্চল, পাহাড়ি অঞ্চল, উপকূলীয় অঞ্চল, রেল সড়ক ও রাস্তার ধারে এবং বসতবাড়ির আঙিনায় উপযুক্ততা বিবেচনায় ডাল ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি ও সম্প্রসারণের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।

বক্তারা বলেন, বিভিন্ন মাঠশস্য ও ফল বাগানে (কুল, কলা, পেয়ারা, মাল্টা, আম, লিচু ইত্যাদি) ডাল ফসলকে মিশ্র ফসল ও আন্তঃফসল হিসেবে চাষের মাধ্যমে ডালের উৎপাদন বাড়ানোর যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। উচ্চফলনশীল জাত ও আধুনিক উৎপাদন কৌশল ব্যবহার করে বর্ণিত অঞ্চলসমূহে কৃষক পর্যায়ে আবাদ সম্প্রসারণ করতে পারলে ডালের উৎপাদন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়বে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com