শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ০৩:৩৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
অযৌক্তিক বাড়ী ভাড়া বৃদ্ধি বন্ধের দাবিতে ভাড়াটিয়া পরিষদের মানববন্ধন চলতি কর বছরে এখন পর্যন্ত ২০ লক্ষের বেশী করদাতা ই-রিটার্ন দাখিল করেছে ময়মনসিংহ র‍্যাব১৪ বাড্ডার অপহরণকারী আসামি নেত্রকোনা থেকে গ্রেফতার হত্যা মামলার আসামি সেলিম আহমদ এখনও কেন ধরাছোঁয়ার বাইরে? প্রশ্ন ছাত্রদলের ‎ শ্রীলঙ্কায় ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’ ও আকস্মিক বন্যায় ৮০ জন নিহত, নিখোঁজ ৩৪ ১৭ ডিগ্রিতে নামলো ঢাকার তাপমাত্রা চুয়াডাঙ্গার কৃতি সন্তান ও হোটেল অবকাশ এর মালিক ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ অ্যাড: আবু সাঈদ জো: নিপুর ইন্তেকাল খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি ও দ্রুত সুস্থতা কামনায় দোয়া চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা মাইনুল হাসান সোহেলের বিরুদ্ধে মামলায় ইআরএফ এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ কেটে ফেলো শয়তানি ঘাড়: তাছলিমা আক্তার মুক্তা

নাশকতার মামলায় ফখরুল-আব্বাসের স্থায়ী জামিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : বুধবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
  • ১৬৭ Time View

পুলিশের ওপর হামলা ও উসকানি দেয়ার মামলায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে স্থায়ী জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি মো. সেলিম ও বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ জামিন দেন।

শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এস এম মুনীর, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এস এম গোলাম মোস্তফা তারা ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ মাজু মিয়া। বিএনপির দুই নেতার পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন ও সগীর হোসেন লিয়ন।  

এ আদেশের ফলে পল্টন থানার এ মামলায় বিএনপির ওই দুই নেতা স্থায়ী জামিনে থাকবেন।   

ঢাকায় গত ১০ ডিসেম্বর বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ ও স্থান নির্ধারণ নিয়ে উৎকণ্ঠা-উত্তেজনার মধ্যে গত ৭ ডিসেম্বর নয়াপল্টনে জমায়েত হওয়া বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এ সময় একজন মারা যান ও শতাধিক আহত হন।  

বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে হাতবোমা ছোড়া হয়েছে, এমন অভিযোগ তুলে তখন ওই কার্যালয়ে অভিযান চালায় পুলিশ। গ্রেফতার করা হয় কেন্দ্রীয় কয়েক নেতাসহ কয়েকশ নেতাকর্মীকে। সেদিন মির্জা ফখরুলকে গ্রেফতার না করলেও পরদিন রাতে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। একই রাতে আটক করা হয় মির্জা আব্বাসকেও। পরদিন ৯ ডিসেম্বর পুলিশের ওপর হামলা ও উসকানি দেয়ার মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।  

আদালতে তাদের পক্ষে জামিন আবেদন করা হলেও তা নাকচ করে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর ১২ ডিসেম্বরও তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর হয়। 

এ সময় তদন্ত কর্মকর্তা কয়েক দফা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশি হেফাজতে নিতে চাইলেও এ আবেদন এবং জামিন নামঞ্জুর করেন আদালত। পরে ১৫ ও সবশেষ ২১ ডিসেম্বরও তাদের জামিন আবেদন নাকচ হয়। এরপরই উচ্চ আদালতে জামিন আবেদন করা হয়।  

গত ৩ জানুয়ারি বিচারপতি মো. সেলিম ও বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খানের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল জারি করে মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাসকে ছয় মাসের জামিন দেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করে। আপিল বিভাগ ৮ জানুয়ারি হাইকোর্টের দেয়া ছয় মাসের জামিন বহাল রেখে জামিন প্রশ্নে জারি করা রুল ৩০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন। এ আদেশের পরদিন সন্ধ্যায় মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাস কারামুক্ত হন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2025 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS