1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ০৫:৫৬ অপরাহ্ন
Title :
Bookmakers non AAMS: guida all’app e all’esperienza mobile নবীনগরে মরহুম দেনু মিয়া দেড় লাখ টাকার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্ধোধন করলেন এমপি কুমিল্লায় ডিবি পুলিশের অভিযানে আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের ২ সদস্য গ্রেপ্তার কবি মোঃ মামুন মোল্যার ৩০তম জন্মদিন আজ নবীনগরে ফসলি মাঠ থেকে সরকারি মূল্যে ধান সংগ্রহ শুরু সেমস-গ্লোবালের আয়োজনে আইসিসিবিতে চলছে তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী ফুড, এগ্রো, মেডিটেক্স ও হেলথ ট্যুরিজম এক্সপো ২০২৬ পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে বাঘায় গৃহবধূর আত্মহত্যা ঈদুল আজহায় বাড়ছে ট্রেন সার্ভিস, চলবে ৫ জোড়া স্পেশাল ট্রেন ঈদকে সামনে রেখে উন্নয়নকাজ, কিছু এলাকায় ১৩ দিন বিদ্যুৎ বন্ধ ১৬ বছরের নিচে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ

রংপুরে শীতের কাপড়ের জমজমাট ব্যবসা

  • আপডেট : শনিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২২, ৬.২৯ পিএম
  • ২২৩ Time View

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ রংপুরে ঘনকুয়াশা আর হিমেল বাতাস শীতের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। তীব্র শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের জীবন। শীত থেকে বাঁচতে গরম কাপড়ের দোকানে বেড়েছে ক্রেতাদের ভিড়। বিত্তবানরা ছুটছেন শহরের বড় বিপণিবিতানে। আর খেটে খাওয়া লোকজন ছুটছেন ফুটপাতের দোকানগুলোয়।

রংপুর শহরে শীতের কাপড়ের মার্কেটগুলোর মধ্যে স্টেশন বাজার পট্টি পুরাতন কাপড়ের মার্কেট, শাহ মো. সালেক মার্কেট, সুরভি উদ্যানের পাশে ফুটপাতের মার্কেট, হনুমানতলা মার্কেটে সবচেয়ে বেশি কাপড় বিক্রি হয়। এ কয়েকটি মার্কেটে ছোট-বড় প্রায় ৫০০টি দোকান রয়েছে। শীতকে কেন্দ্র করে ঢাকা থেকেও অনেকেই এখানে ব্যবসা করতে আসেন।  

এছাড়া শহরতলীর সাতমাথা, মাহীগঞ্জ, চকবাজার, মডার্ন মোড়ে শীতের কাপড়ের অনেকগুলো মার্কেট রয়েছে। শহরের বাইরের দেউতি, সৈয়দপুর, বড় দরগাহ, নব্দীগঞ্জ, হারাগাছ, পাগলাপীর, কদমতলা বাজার ঘুরে দেখা গেছে সব বাজারেই পুরনো কাপড়ের ক্রেতা বেশি। স্বল্প আয়ের মানুষ থেকে শুরু করে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের পদচারণায় মুখরিত রংপুরের পুরাতন কাপড়ের বাজার।

শীতের নতুন কাপড়ের চেয়ে বিদেশি পুরনো কাপড়ের চাহিদা বেশি বলে ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিদেশি পুরনো শীতের কাপড়ের দাম তুলনামূলক কম। তাছাড়া এই কাপড়গুলো দেখতে সুন্দর, মানসম্পন্ন ও টেকসই হওয়ায় ক্রেতাদের এসব কাপড়ে আগ্রহ বেশি।

আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে সাধারণ মানুষ শহরে আসছে গরম কাপড় কিনতে। পুরাতন শীতবস্ত্রের দাম গতবারের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে। তারপরও নতুনের চেয়ে তুলনামূলক কম দাম বলে শহর-গ্রামের সব শ্রেণীর মানুষ ফুটপাত থেকে শীতের পোশাক কিনছে। কোট, জ্যাকেট, সোয়েটার, ট্রাউজার, ওভারকোট, হাফ ও ফুল হাতা গেঞ্জি, কম্বল, মেয়েদের কার্টিগান, হাতমোজা ও পা মোজার ক্রেতার সংখ্যা বেশি। ফুটপাতের বাজারগুলোতে প্রতিদিনই শত শত মানুষ শীতের গরম কাপড় কিনতে ভিড় জমাচ্ছে।

তবে গত বছরের চেয়ে এ বছর পুরাতন কাপড়ের দাম অনেক বেশি বলে ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা অভিযোগ করেছেন। প্রতিবছরেই দাম কিছুটা বাড়ে বলে তারা মনে করেন। ফুটপাতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন, গত বছরের তুলনায় এ বছর পুরাতন কাপড়ের দাম মহাজনরা বেশি করে নিচ্ছেন। ফলে তাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। ক্রেতাদেরও অভিযোগ, দাম বেশি দিতে হচ্ছে।

পুরাতন কাপড় ব্যবসায়ীরা জানান, ব্যবসায়ীরা প্রতি বছর শীতের সময় মহাজনদের কাছ থেকে গরম কাপড়ের গাইড নিয়ে তা খোলা বাজারে খুচরা বিক্রি করেন । গত বছর ৭ থেকে ৮ হাজার টাকায় একটি কাপড়ের গাইট বা বেল কেনা যেতো। এ বছর একটি গরম কাপড়ের গাইড বা বেল কিনতে ১৪ থেকে ১৬ হাজার টাকা লাগে।

পুরাতন কাপড়ের পাইকারি ব্যবসায়ী লোকমান হোসেন সময় সংবাদকে বলেন, শীত উপলক্ষে চীন, তাইওয়ান, জাপান, কোরিয়া ও রাশিয়া থেকে পুরাতন শীতবস্ত্র আসছে। পরিবহন খরচ, ব্যাংক ঋণের কারণে কাপড়ের বেলের দাম বেড়ে গেছে। আমরা পাইকারি বিক্রির জন্য চট্টগ্রাম ও ঢাকা থেকে কাপড়ের বেল ট্রাকে করে আনি ও খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করি। সবকিছুর দাম বাড়ে ফলে কাপড়ে দামও বাড়ে।

তিনি বলেন, আমরা ছোট ছোট ব্যবসায়ীদের বাকিতে কাপড় দেই, তারা বিক্রি করে টাকা শোধ করে। আমরা ব্যাংক লোণ নিয়ে ব্যবসা চালাই কিন্তু ব্যাংকগুলো ১ লাখ টাকার উপরে লোণ দিতে চায় না। আবার অনেক কিছু ম্যানেজ করতে আমাদের খরচ বেশি পড়ে। রংপুরে বিক্রি বেশ ভালো। শহরের স্টেশন এলাকা ও সালেক মার্কেট থেকে কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী, গাইবান্ধা, পঞ্চগড়, দিনাজপুর জেলার ব্যবসায়ীরা কাপড় কিনে নিয়ে যান। সেখানে তারা খুচরা বিক্রি করেন।

আরেক ব্যবসায়ী সিরাজ আলী বলেন, ১০০ কেজি ওজনের এক বেল ছোটদের পুরনো শীত পোশাক চট্টগ্রাম মোকামে সাড়ে ৬ হাজার থেকে ৭ হাজার হাজার টাকা। বড়দের ১০০ কেজি ওজনের এক বেল পোশাকের দাম ৫ হাজার থেকে সাড়ে ৭ হাজার টাকা। ৮০ থেকে ১০০ কেজি ওজনের জ্যাকেট ও সোয়েটারের এক বেলের দাম পড়ছে ৮ হাজার টাকা। এখানে এনে পরিবহন খরচ ও অন্যান্য খরচ মিলিয়ে দাম বেশি পড়ছে। ফলে খুচরা বাজারেও দাম বাড়ছে।

খুচরা ব্যবসায়ী জলিল খান জানান, একটি গাটে ১০ টাকা থেকে শুরু করে ৬০০ টাকার কাপড়ও থাকে। দামাদামি করে সব দাম ঠিক করতে হয়। তবে প্রতিদিন সাড়ে ৩ হাজার থেকে সাড়ে ৪ হাজার টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে। বিক্রি শুরু হয়েছে নভেম্বর থেকে যতদিন শীত থাকবে, ততদিন বিক্রি কমবে না।

স্টেশন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত বছর বাচ্চাদের যে কাপড় ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল তা এবার ৭০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বড়দের যে কাপড় ১২০ থেকে ১৩০ টাকায় কেনা গেছে, এবার তা কিনতে হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৮০ টাকায়।

স্টেশন বাজারের পুরাতন কাপড় ব্যবসায়ী জানান, গত বছরের তুলনায় এবার প্রতিটি শীতবস্ত্রের দাম ৫০ থেকে ১০০ টাকা বেশি। গত বছর যে সোয়েটার বিক্রি হয়েছে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায়, সে সোয়েটার এবার বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকায়। একইভাবে জ্যাকেট, ট্রাউজার, কম্বলসহ অন্য গরম কাপড়ের দামও বেশি।

এ বিষয়ে রংপুর জেলা প্রশাসক চিত্রলেখা নাজনীন সময় সংবাদকে জানান, এখন পর্যন্ত ৫০ হাজার কম্বল বেঁদে পল্লী ও নগরীর ছিন্ন মূল মানুষের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। আরও কিছু চাহিদার জন্য ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি শিল্পপতি, এনজিও গুলোর কাছে জানানো হয়েছে। পুরাতন কাপড়ের ক্ষেত্রে বিক্রেতারা যাতে সুযোগ বুঝে ক্রেতাদের কাছে চড়া দাম না নেয় সেক্ষেত্রে মনিটরিং রাখবে প্রশাসন।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com