1. econimicnews24@gmail.com : Nayan Sharkar : Nayan Sharkar
  2. economicnews24bd@gmail.com : Nurnnobi Sarker : Nurnnobi Sarker
  3. editor.econimicnews24@gmail.com : Fahim Fahim : Fahim Fahim
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন
Title :
ঈদের ছুটি শেষে সোমবার খুলছে অফিস-আদালত, ব্যাংক ও পুঁজিবাজার নিরাপত্তা দেয়ার স্থান হালিশহর থানার দেয়াল ও মহেশ খালের গার্ড ওয়াল আজ মৃত্যুকূপ কুমিল্লা বুড়িচংয়ে স্ত্রীকে বালিশচাপা দিয়ে হত্যা, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে স্বামী গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকীতে বৃক্ষরোপণ করলেন- এমপি মনজুরুল ইসলাম চামড়া খাত হতে পারে ১২ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি শিল্প ​”যে জিয়া মিশে আছে জনতার স্পন্দনে, মৃত্যুর সাধ্য নেই তারে বাঁধে মরণের বন্ধনে,” মোঃ বাশার আজাম শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহদাত বার্ষিকী উপলক্ষে তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন সাজাই মং মারমা ঈদের ছুঁটিতে সিলেটের পর্যটন কেন্দ্রগুলোত লোকে লোকারণ্য আজ শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী বিশ্বকাপের ২৬ সদস্যের দল প্রকাশ করল আর্জেন্টিনা

অভিযানের নিজের ট্রলারেই আগুন দিতে বললেন ইউএনও

  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২২, ১১.২৭ পিএম
  • ৩১৩ Time View

বরিশাল প্রতিনিধিঃ ইলিশ রক্ষা অভিযানে গিয়েছিলেন বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত ফাতিমা। যে ট্রলার নিয়ে তিনি অভিযানে গিয়েছিলেন, তার নির্দেশে সেই ট্রলারই পোড়ানো হয়েছে। ট্রলারের মাঝি কথা না শোনায় ট্রলারে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।  বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাবুগঞ্জ সুগন্ধা নদীর লঞ্চঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাবুগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী ইমদাদুল হক ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুবুর রহমান। অগ্নিসংযোগের পর ট্রলারটি নদীতে ভাসতে ভাসতে বাহেরচর নামক স্থানে রয়েছে। ট্রলারটি পুরোপুরি পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন বাবুগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের ইনচার্জ আব্দুল মালেক। ইউএনও নুসরাত ফাতিমার ফোন নম্বর বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বাবুগঞ্জ থানার ওসি মাহাবুবুর রহমান বলেন, মাঝি আনোয়ার হোসেনের ট্রলারে অভিযানে যান তিনি (ইউএনও)। অভিযান শেষে ঘাটে ভেড়ার পরে তিনি জব্দ জাল পোড়ান। শেষে ট্রলারের মাঝি জব্দকৃত মাছ সরিয়ে রেখেছেন বলে অভিযোগ তোলেন তিনি। ট্রলারে তল্লাশি চালিয়ে কোনো মাছ পান না। তিনি বলেন, তখন ইউএনও তাকে (মাঝিকে) কিছু কথা শোনান। এতে ভয় পেয়ে মাঝি পেছন থেকে পালিয়ে যান। মাঝি পালিয়ে যাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযানের আনসার সদস্যদের নির্দেশ দেন ডিজেল দিয়ে ট্রলারে আগুন ধরিয়ে দিতে। উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী ইমদাদুল হক বলেন, অভিযান শেষে ট্রলারের মাঝি জব্দ করা বড় কিছু ইলিশ সরিয়ে রাখেন—এটিই তার (ইউএনও) রাগের কারণ। তার নির্দেশনা ছিল অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও ট্রলার ভেড়ানো যাবে না। মাঝি তা করেছেন। এ কারণে ইউএনও আইনগতভাবেই আগুন ধরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন। কারণ অভিযানে তার কথার বাইরে কাজ হলে ম্যাজিস্ট্রেসি প্রশ্নবিদ্ধ হয়। উপজেলা ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের ইনচার্জ আব্দুল মালেক বলেন, খবর পেয়ে আমরা নৌকা নিয়ে ঘটনাস্থলে যাই এবং আগুন নেভাই। তবে তার আগেই ট্রলারটির প্রায় সব পুড়ে যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর »
© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.
Economicnews24 .com