কুষ্টিয়ার আলোচিত চাঞ্চল্যকর আড়ুয়াপাড়ায় মেজবা উদ্দিন সাব্বির আহমেদ (৩৯) নামের এক যুবককে জবাই করে হত্যা মামলার প্রধান দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার (৫ অক্টোবর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে কুষ্টিয়া শহরতলীর পৌরসভা এলাকার বারখাদা মীরপাড়া এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।
পরে আসামিদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী মিরপুর উপজেলার বারইপাড়া ইউনিয়নের কবরবারিয়া এলাকার একটি বাঁশঝাড়ের ভিতর থেকে হত্যা কাজে ব্যবহৃত ছুরি (ডেগার) উদ্ধার করে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে কুষ্টিয়া পুলিশ লাইনের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান পুলিশ সুপার খাইরুল আলম।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- কুষ্টিয়া শহরতলীর বাড়াদী উত্তরপাড়া এলাকার মৃত হানু মালিথার ছেলে আতিউর রহমান আতাই (৩০) ও নিহত সাব্বিরের দ্বিতীয় স্ত্রী কুষ্টিয়া শহরতলীর লাহিনী বটতলা এলাকার শামসুলের মেয়ে রজনী খাতুন (২৫)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, নিহত সাব্বিরের দ্বিতীয় স্ত্রী রজনীর সঙ্গে আতাইয়ের অবৈধ পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি সাব্বির জানতে পারায় সাব্বিরের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। এরই জের ধরে গত ৩ অক্টোবর আনুমানিক রাত ৪টার দিকে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী সাব্বিরের আড়ুয়াপাড়া ছোট ওয়ার্লেস গেট সংলগ্ন নিজ বাড়িতে ঘুমন্ত অবস্থায় তাকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। নিহত সাব্বির আড়ুয়াপাড়া টিএনটি গেট সংলগ্ন মৃত আলহাজ রমজান আলীর ছেলে। পরে বুধবার নিহত সাব্বিরের বোন রাবেয়া খাতুন বাদী হয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।