বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৬:০৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
ঈদের চাঁদ দেখতে নাগরিকদের প্রতি সৌদি আদালতের আহ্বান ঈদ আনন্দে যোগ হোক নতুন স্মার্টফোন! বাজারে থাকা ৪টি প্রিমিয়াম স্মার্টফোন থেকে বেছে নিন আপনারটি দুদকের মামলা, এনবিআরের উপ-কর কমিশনার সাসপেন্ড বৃহত্তর সিলেট জেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের ২০২৬-২০২৮ এর ২৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠিত বৈশাখে কৃষকদের হাতে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী দুদকের অভিযানে এক মাসে ১৪০ কোটি টাকার সম্পদ ক্রোক পরীক্ষামূলকভাবে ১১ উপজেলায় ২২ হাজার কৃষককে ‘ফার্মার্স কার্ড’ দেবে সরকার নিজস্ব কারখানায় সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপন করবে প্যারামাউন্ট বিনিয়োগকারীদের জন্য আইডিএলসির ২০% লভ্যাংশ ইসলামী ব্যাংক নিরপেক্ষভাবে পরিচালনার নির্দেশ গভর্নরের

৮৬৬ কোটি টাকা জব্দ করা হয়েছে অর্থবছরের ১০ মাসে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : রবিবার, ১৯ জুন, ২০২২
  • ১৫২ Time View

বর্তমানে মানি লন্ডারিং সংশ্লিষ্ট মামলার পরিমাণ বাড়ার সাথে বাড়ছে জব্দ ও বাজেয়াপ্তকৃত অর্থের পরিমাণ। চলতি অর্থবছরের (২০২১-২২) প্রথম ১০ মাসে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)’র প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তদন্তাধীন নয়টি মামলার বিপরীতে ৮৬৬ কোটি ৫৬ লাখ টাকা জব্দ করা হয়েছে। একই সময়ে চারটি তদন্তাধীন মামলার বিপরীতে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ২৭ কোটি ২১ লাখ টাকা।

বাংলাদেশের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা হিসেবে কাজ করে বিএফআইইউ।

শনিবার (১৮ জুন) রাজধানীতে অনুষ্ঠিত বিএফআইইউ এর ‘বাংলাদেশে অর্থ-পাচার ও সন্ত্রাসীকার্যে অর্থায়ন প্রতিরোধ কার্যক্রমের ২০ বছর’ শীর্ষক সেমিনারে উপস্থাপিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।

রাজধানীর বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন বিএফআইইউ অতিরিক্ত পরিচালক মো. কামাল হোসেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগের (২০২০-২১) অর্থবছরে সাতটি মামলার বিপরীতে ক্রোককৃত অর্থের পরিমাণ ছিল ৩৮ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। আর বাজেয়াপ্তকৃত অর্থের পরিমাণ ছিল ৩৭ কোটি ৭৮ লাখ টাকা।

গত ৬ অর্থবছরে ৬৩টি তদন্তাধীন মামলার বিপরীতে ক্রোককৃত অর্থের পরিমাণ ১ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকা। গত পাঁচ অর্থবছরে বাজেয়াপ্তকৃত অর্থের পরিমাণ ১ হাজার ২৭৩ কোটি টাকা। যা সরকারের কোষাগারে জমা পড়েছে।

বিএফআইইউ অতিরিক্ত পরিচালক মো. কামাল হোসেন বলেন, দেশের মানুষের আর্থিক স্বাক্ষরতা বাড়ায় আর্থিক খাতের অনিয়মসমূহ সহজে চিহ্নিত করা এবং বিচারের মুখোমুখি করা সম্ভব হচ্ছে। এর ফলে বর্তমানে মানি লন্ডারিং সংশ্লিষ্ট মামলার পরিমাণ বাড়ার সাথে বাড়ছে জব্দ ও বাজেয়াপ্তকৃত অর্থের পরিমাণ।

বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ বিষয়ে জানতে সুইস অথোরিটির কাছে প্রতিবারের মতো এবারো তথ্য চেয়ে আবেদন করেছে বিএফআইইউ।

সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকে থাকা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অথর্ের বিষয়ে ২০১৪ সাল থেকে তথ্য প্রকাশ করে আসছে ব্যাংকটি।

তিনি বলেন, পাচার করা অর্থ উদ্ধার জটিল কাজ। বিভিন্য সময়ে বাংলাদেশের ৬৭ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অর্থ সম্পকে তথ্য পেয়েছে বিএফআইইউ সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকের কাছ থেকে। সেই তথ্য বাংলাদেশের বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, দুদক ও তদন্তকারী সংস্থাকে দেওয়া হয়েছে।”

সেমিনারে জানানো হয়, এ পর্যন্ত বিভিন্ন দেশ থেকে ৮০০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান সমপর্কে আথর্িক তথ্য সংগ্রহ করেছে বিএফআইইউ।
বাংলাদেশ থেকে মূলত যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, হংকং, দুবাই, সিঙ্গাপুর ও ইউরোপের দেশগুলোতে অর্থপাচার হয় বলে সেমিনারে জানানো হয়।

বিএফআইইউ প্রধান মাসুদ বিশ্বাসের সভাপতিত্ব সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির। বিশেষ অতিথি ছিলেন অর্থ মন্ত্রনালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব মোহাম্মদ সলীম উল্লাহ। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নরসহ বিভিন্ন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকরা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর »

Advertisement

Ads

Address

© 2026 - Economic News24. All Rights Reserved.

Design & Developed By: ECONOMIC NEWS